Cart
No products in the cart.

চুলের রং বদলালে পুরো লুকটাই অনেকটা বদলে যেতে পারে। কেউ পাকা চুল ঢাকার জন্য hair color ব্যবহার করেন, কেউ নিজের natural black hair-এর মধ্যে একটু brown বা অন্য কোনো shade আনতে চান, আবার কেউ শুধু নতুন একটা look try করতে চান। চুলের রং ও স্টাইল নিয়ে সচেতন নারী-পুরূষের জন্যে সঠিক হেয়ার কালার গাইড প্রয়োজন
হেয়ার কালার কেনার সময় শুধু প্যাকেটের ওপরের shade দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া সবসময় সহজ নয়। আপনার চুলের বর্তমান রং, আপনি কী ধরনের ফলাফল চান, কতদিন color রাখতে চান এবং কীভাবে চুলের যত্ন নেবেন-এসব বিষয়ও গুরুত্বপূর্ণ।
এই গাইডে হেয়ার কালার নিয়ে শুরু থেকে প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো সহজভাবে জানব। কোন ধরনের hair color আছে, popular shades কী কী, কালো চুলে কোন ধরনের কালার ভালোভাবে দেখা যেতে পারে, চুলকে বাদামী করার সময় কী খেয়াল রাখা উচিত এবং হেয়ার কালার করার পর কীভাবে যত্ন নেবেন-সবকিছু একসঙ্গে আলোচনা করা হবে।
এক নজরে দেখে নিন যা আছে এই লেখায়-
এই গাইডে আমরা চুল কালার করার চিন্তা থেকে শুরু করে কালার করার পরের যত্ন পর্যন্ত সবকিছুই বিস্তারিতভাবে জানবো। Hair Color ও Hair Dye কি একই জিনিস, নাকি ভিন্ন ভিন্ন, আপনার জন্যে কোনটা ভাল, ইত্যাদি। তার আগে চুল করার বিষয়ে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জেনে নেয়া যাক-
হেয়ার কালার হলো এমন একটি প্রসাধনী, যা চুলের স্বাভাবিক রং পরিবর্তন করতে বা পাকা চুল ঢাকতে ব্যবহার করা হয়। এটি ক্রিম, শ্যাম্পু, স্প্রে এবং আরও বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে।
আপনি কেন চুলে রং করতে চাইছেন, তার ওপর কোন ধরনের হেয়ার কালার আপনার জন্য উপযুক্ত হবে তা অনেকটাই নির্ভর করে।
যেমন, শুধু কয়েকটি পাকা চুল ঢাকতে চাইলে আপনার প্রয়োজন একরকম হতে পারে। অন্যদিকে, পুরো চুলের রং পরিবর্তন করতে চাইলে প্রয়োজন হতে পারে ভিন্ন ধরনের পণ্য।
তাই হেয়ার কালার কেনার আগে নিজের প্রয়োজনটা পরিষ্কার করে নেওয়াই ভালো।
চুলে রং করার কারণ সবার এক নয়। কারও কাছে এটি প্রয়োজন, আবার কারও কাছে নিজের সাজে নতুনত্ব আনার একটি উপায়।
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেকের চুলে সাদা বা পাকা চুল দেখা দিতে শুরু করে। অনেকেই চুলের স্বাভাবিক কালো বা বাদামি রং ফিরিয়ে আনার জন্য হেয়ার কালার ব্যবহার করেন।
একই রকম চুলের রং দীর্ঘদিন রাখার পর অনেকেরই একটু পরিবর্তন করতে ইচ্ছা হয়। বাদামি, বারগান্ডি বা অন্য কোনো শেড চুলের চেহারায় আলাদা একটি ভাব আনতে পারে।
সবাই চুলে খুব উজ্জ্বল বা চোখে পড়ার মতো রং চান না। অনেকে প্রাকৃতিক কালো চুলের কাছাকাছি কোনো শেড ব্যবহার করে সামান্য পরিবর্তন আনতে পছন্দ করেন।
বিয়ে, পারিবারিক অনুষ্ঠান বা অন্য কোনো বিশেষ দিনের আগে অনেকে চুলের সাজে পরিবর্তন আনতে হেয়ার কালার ব্যবহার করেন।
হেয়ার কালার এক ধরনের নয়। স্থায়িত্ব ও ব্যবহারের পদ্ধতি অনুযায়ী এগুলোর মধ্যে পার্থক্য রয়েছে।
সাধারণভাবে স্থায়ী, আধা-স্থায়ী ও অস্থায়ী-এই তিন ধরনের হেয়ার কালার সম্পর্কে বেশি জানা যায়। এ ছাড়া বাজারে হেয়ার কালার ক্রিম, কালার শ্যাম্পু, স্প্রে ইত্যাদিও পাওয়া যায়।
স্থায়ী হেয়ার কালার তুলনামূলকভাবে দীর্ঘ সময় চুলের রং ধরে রাখার জন্য তৈরি করা হয়। পাকা চুল ঢাকার ক্ষেত্রে এ ধরনের রং অনেকেই ব্যবহার করেন।
তবে, নতুন চুল গজানোর সঙ্গে সঙ্গে গোড়ায় স্বাভাবিক চুলের রং দেখা দিতে পারে। ফলে, যারা নিয়মিত পাকা চুল ঢাকেন, তাদের কিছু সময় পর আবার গোড়ার চুলে রং করার প্রয়োজন হতে পারে।
আধা-স্থায়ী রং স্থায়ী রঙের তুলনায় কম সময় থাকে। যারা দীর্ঘদিনের পরিবর্তন না করে নতুন কোনো শেড চেষ্টা করতে চান, তাদের কাছে এই ধরনের রং সুবিধাজনক হতে পারে।
তবে, ঠিক কতদিন রং থাকবে তা পণ্যের ধরন, চুলের অবস্থা এবং কত ঘন ঘন চুল ধোয়া হচ্ছে-এসব বিষয়ের ওপর নির্ভর করতে পারে।
অস্থায়ী হেয়ার কালার সাধারণত অল্প সময়ের জন্য চুলের রং পরিবর্তন করতে ব্যবহার করা হয়। যারা স্থায়ীভাবে চুলের রং পরিবর্তন করতে চান না, তারা এই ধরনের পণ্য বিবেচনা করতে পারেন।
তবে অস্থায়ী, আধা-স্থায়ী ও স্থায়ী রঙের কার্যকারিতা পণ্যভেদে আলাদা হতে পারে। তাই, কেনার আগে প্যাকেটের নির্দেশনা দেখে নেওয়া উচিত।
হেয়ার কালারের অনেক ধরনের শেড রয়েছে। তবে, কিছু শেড মানুষের মধ্যে তুলনামূলকভাবে বেশি জনপ্রিয়। আজকের হেয়ার কালার গাইড লেখাটিতে আমরা সেগুলো সম্পর্কে জানবো।
ন্যাচারাল ব্ল্যাক বা স্বাভাবিক কালো শেড সবচেয়ে পরিচিত রংগুলোর একটি। বিশেষ করে পাকা বা সাদা চুল ঢাকার জন্য অনেকেই এই রং পছন্দ করেন।
আপনার চুল আগে থেকেই কালো হলে স্বাভাবিক দেখাবে এমন ফলাফল পেতে রং বেছে নেওয়ার সময় প্যাকেটের শেডের তথ্য দেখে নেওয়া ভালো।
ব্রাউন ব্ল্যাক হলো কালো ও বাদামির মাঝামাঝি একটি শেড। যারা একেবারে গাঢ় কালোর বদলে চুলে সামান্য বাদামি আভা চান, তাদের জন্য এটি একটি ভালো বিকল্প হতে পারে।
ডার্ক ব্রাউন খুব বেশি উজ্জ্বল নয়। তাই, যারা কালো থেকে একটু আলাদা কিন্তু খুব বেশি চোখে পড়বে না-এমন রং চান, তারা এই শেডটি বিবেচনা করতে পারেন।
ন্যাচারাল ব্রাউন কালো বা গাঢ় বাদামির তুলনায় কিছুটা হালকা। চুলের স্বাভাবিক রং এবং আগের রঙের ওপর নির্ভর করে এই শেডের ফলাফল ভিন্ন হতে পারে।
বারগান্ডি সাধারণত গাঢ় লালচে-বেগুনি ধরনের একটি শেড। কালো বা গাঢ় চুলে এই রং সবসময় খুব উজ্জ্বলভাবে দেখা নাও যেতে পারে। তবে, আলোতে চুলে লালচে আভা দেখা দিতে পারে।
চকোলেট ব্রাউন হলো উষ্ণ বাদামি ধরনের একটি শেড। যারা কালো চুল থেকে খুব বেশি পরিবর্তন না করে একটু নরম বাদামি রং চান, তাদের কাছে এই শেডটি আকর্ষণীয় হতে পারে।
বাংলাদেশে স্বাভাবিক কালো চুল খুবই সাধারণ। তাই, অনেকের মনে প্রশ্ন থাকে-কালো চুলে কোন হেয়ার কালার ভালোভাবে দেখা যাবে?
এখানে একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি। আপনার চুলের বর্তমান রং হেয়ার কালার করার পরের ফলাফলের ওপর প্রভাব ফেলে।
একই শেড একজনের চুলে যেমন দেখা যায়, অন্যজনের চুলে ঠিক তেমন নাও দেখা যেতে পারে। বিশেষ করে খুব গাঢ় কালো চুলে তুলনামূলক হালকা কোনো শেড ব্যবহার করলে প্যাকেটের ছবির মতো উজ্জ্বল ফলাফল নাও আসতে পারে।
তাই শুধু প্যাকেটের ছবির ওপর নির্ভর না করে-
চুলের স্বাভাবিক রং থেকে খুব বেশি পরিবর্তন করতে চাইলে আগে ভালোভাবে জেনে নেওয়া আরও গুরুত্বপূর্ণ। তাই, পুরোপুরিভাবে হেয়ার কালার গাইড অনুসরণ করুন।
পাকা চুল ঢাকার জন্য শুধু একটি কালো রং কিনলেই হবে-বিষয়টি এতটা সহজ নয়।
প্রথমে ঠিক করুন আপনি কেমন ফলাফল চান।
তাহলে কালো রঙের কাছাকাছি কোনো শেড বেছে নিতে পারেন।
তাহলে ডার্ক ব্রাউন বা ব্রাউন ব্ল্যাকের মতো শেড বিবেচনা করতে পারেন।
আপনার চুলে পাকা চুলের পরিমাণ বেশি হলে পণ্যটি পাকা চুল ঢাকার জন্য তৈরি কি না, সেটিও দেখে নেওয়া ভালো।
একই সঙ্গে মনে রাখতে হবে, একই হেয়ার কালার সবার চুলে একরকম ফলাফল দেবে-এমন নিশ্চয়তা নেই।
চুলে রং করার আগে প্যাকেটের নির্দেশনা ভালোভাবে পড়ে নেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে প্রথমবার কোনো পণ্য ব্যবহার করলে অন্য কারও অভিজ্ঞতা দেখে নিজের মতো করে ব্যবহার করা উচিত নয়।
হেয়ার ডাই ব্যবহারের আগে ত্বকের ছোট একটি জায়গায় প্যাচ টেস্ট করার পরামর্শ দেওয়া হয়। এতে পণ্যটি আপনার ত্বকে কোনো অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করছে কি না, তা বোঝার সুযোগ থাকে।
পরীক্ষার জায়গায় চুলকানি, লালচে ভাব, জ্বালাপোড়া বা অন্য কোনো সমস্যা দেখা দিলে সেই পণ্য ব্যবহার না করাই ভালো।
অনেকে মনে করেন, বেশি সময় চুলে রং রেখে দিলে রং আরও ভালো হবে। কিন্তু এটি ঠিক নয়।
প্যাকেটে যতক্ষণ চুলে রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, ততক্ষণই ব্যবহার করুন। নিজের মতো করে সময় বাড়ানো উচিত নয়।
হেয়ার কালার লাগানোর সময় গ্লাভস ব্যবহার করা ভালো। এতে হাতের ত্বকের সঙ্গে রঙের সরাসরি সংস্পর্শ কমে।
দুই বা তার বেশি হেয়ার কালার নিজের মতো করে মিশিয়ে ব্যবহার করা উচিত নয়। প্রতিটি পণ্য যেভাবে ব্যবহারের জন্য তৈরি, সেভাবেই ব্যবহার করা নিরাপদ।
মাথার ত্বকে আগে থেকেই ক্ষত, জ্বালাপোড়া বা অন্য কোনো সমস্যা থাকলে তখন হেয়ার কালার ব্যবহার না করাই ভালো।
চুলে রং করার পর নিয়মিত যত্ন নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। কিছু ক্ষেত্রে রং করার কারণে চুল শুষ্ক বা ভঙ্গুর হয়ে যেতে পারে। বিশেষ করে, চুলের রং হালকা করার সঙ্গে যদি অন্য কোনো রাসায়নিক প্রক্রিয়া যুক্ত থাকে, তাহলে চুলের ওপর প্রভাব বেশি হতে পারে।
রং করা চুলের যত্নে কয়েকটি বিষয় মনে রাখতে পারেন:
সূর্যের আলো দীর্ঘ সময় চুলে পড়লে রং করা চুল শুষ্ক, রুক্ষ ও বিবর্ণ হয়ে যেতে পারে। তাই, বাইরে বেশি সময় কাটালে চুলের যত্ন নেওয়া ভালো।
হেয়ার কালার ব্যবহার করলেই সবার চুল নষ্ট হবে-এমন কথা বলা ঠিক নয়। তবে, কিছু রঙে থাকা উপাদান কারও কারও ত্বক বা মাথার ত্বকে জ্বালাপোড়া কিংবা অ্যালার্জির কারণ হতে পারে।
তাই “আগে ব্যবহার করে কোনো সমস্যা হয়নি” ভেবে প্রতিবার সতর্কতা বাদ দেওয়া ঠিক নয়।
হেয়ার কালার ব্যবহারের আগে প্যাকেটের নির্দেশনা মেনে প্যাচ টেস্ট করুন। কোনো অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে ব্যবহার বন্ধ করুন।
চুলে রং করার পর যদি ত্বকে অতিরিক্ত জ্বালাপোড়া, ফুসকুড়ি, ফুলে যাওয়া বা অন্য কোনো অস্বাভাবিক সমস্যা দেখা দেয়, তাহলে প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
প্রথমবার হেয়ার কালার কিনতে গেলে অনেকগুলো শেড দেখে দ্বিধায় পড়া স্বাভাবিক। তবে, কয়েকটি সহজ প্রশ্নের উত্তর আগে ঠিক করে নিলে সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হয়।
পাকা চুল ঢাকার জন্য, নাকি শুধু চেহারায় পরিবর্তন আনার জন্য?
স্বাভাবিক কালো, গাঢ় বাদামি নাকি আগে থেকেই রং করা?
স্বাভাবিক চেহারার কাছাকাছি রং চান, নাকি একটু আলাদা ও চোখে পড়ার মতো শেড চান?
ক্রিম, কালার শ্যাম্পু, অস্থায়ী রং নাকি দীর্ঘস্থায়ী কোনো রং-আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী বেছে নিন।
প্যাকেটের রং দেখে সিদ্ধান্ত না নিয়ে শেডের নাম ও নম্বর ভালোভাবে দেখে নিন।
কতক্ষণ রাখতে হবে, কীভাবে ব্যবহার করতে হবে এবং কী কী সতর্কতা রয়েছে-এসব তথ্য আগে পড়ে নিন।
এই বিষয়গুলো আগে ঠিক করে নিলে নিজের জন্য উপযুক্ত হেয়ার কালার বেছে নেওয়া অনেক সহজ হয়ে যাবে।
বাংলাদেশের বাজারে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিভিন্ন ধরনের হেয়ার কালার পাওয়া যায়। তাই, শুধু দাম দেখে কোনো পণ্য বেছে না নিয়ে কয়েকটি বিষয় যাচাই করা ভালো।
পণ্য কেনার সময় দেখে নিতে পারেন:
বিশেষ করে শেডের নম্বরটি খেয়াল করুন। একই রকম “কালো” বা “বাদামি” নামের মধ্যেও একাধিক আলাদা শেড থাকতে পারে।
আপনি যদি নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী হেয়ার কালার খুঁজে থাকেন, Cosec Mart-এর হেয়ার কালার সংগ্রহে বিভিন্ন ধরনের পণ্য ও শেড দেখতে পারেন।
এখানে Bigen Hair Color, Garnier Color Naturals এবং অন্যান্য হেয়ার কালারের বিভিন্ন পণ্য ও শেড সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যাবে।
কোনো পণ্য কেনার আগে আপনার প্রয়োজন, পছন্দের শেড এবং পণ্যের নির্দেশনা দেখে নেওয়া ভালো। বিশেষ করে, পাকা চুল ঢাকার জন্য রং কিনলে আপনার চুলের বর্তমান রং এবং কাঙ্ক্ষিত ফলাফল-দুটিই বিবেচনা করুন।
প্রথমবার চুলে রং করার ক্ষেত্রে তাড়াহুড়া না করে পণ্যের শেড, ব্যবহারবিধি এবং সতর্কতাগুলো ভালোভাবে দেখে নিন। হেয়ার ডাই ব্যবহারের আগে প্যাচ টেস্ট করাও গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক শেড বেছে নিতে পারলে চুলের রংয়ে সুন্দর একটি পরিবর্তন আনা সম্ভব। সেটা হতে পারে স্বাভাবিক কালো, গাঢ় বাদামি, ব্রাউন ব্ল্যাক, Burgundy কিংবা আপনার পছন্দের অন্য কোনো শেড। এজন্যেই সকলের জন্যে হেয়ার কালার গাইড দরকার।
এটি আপনার চুলের বর্তমান রং এবং আপনি কেমন ফলাফল চান তার ওপর নির্ভর করে। ন্যাচারাল ব্ল্যাক, ব্রাউন ব্ল্যাক, ডার্ক ব্রাউন বা বারগান্ডির মতো শেড বিবেচনা করা যেতে পারে। তবে কেনার আগে প্যাকেটের শেডের তথ্য দেখে নেওয়া ভালো।
স্বাভাবিক চেহারা চাইলে কালো বা বাদামি রঙের কাছাকাছি শেড বেছে নিতে পারেন। আপনার চুলে পাকা চুলের পরিমাণ এবং আপনি কেমন ফলাফল চান, সেটিও বিবেচনা করা প্রয়োজন।
সব হেয়ার কালার একই সময় থাকে না। স্থায়ী, আধা-স্থায়ী ও অস্থায়ী রঙের স্থায়িত্ব আলাদা। পণ্যের ধরন, চুলের অবস্থা এবং কত ঘন ঘন চুল ধোয়া হচ্ছে-এসব বিষয়ও রং কতদিন থাকবে তার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
কিছু ধরনের রং বা রাসায়নিক প্রক্রিয়ার কারণে চুল শুষ্ক বা ভঙ্গুর হয়ে যেতে পারে। তাই, চুলে রং করার পর নিয়মিত যত্ন নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
কিছু হেয়ার ডাইয়ের উপাদান সংবেদনশীল মানুষের ক্ষেত্রে অ্যালার্জি বা ত্বকে জ্বালাপোড়ার কারণ হতে পারে। তাই, পণ্য ব্যবহারের আগে নির্দেশনা মেনে প্যাচ টেস্ট করা ভালো।
না। সাধারণ হেয়ার ডাই ভ্রু বা চোখের পাপড়িতে ব্যবহার করা উচিত নয়। চোখের আশপাশে হেয়ার ডাই ব্যবহার করলে গুরুতর সমস্যা হতে পারে।
প্রথমে ঠিক করুন আপনি কেন চুলে রং করতে চাইছেন এবং কেমন ফলাফল চান। এরপর আপনার বর্তমান চুলের রং, শেড, পণ্যের ধরন, ব্যবহারবিধি ও সতর্কতার তথ্য দেখে হেয়ার কালার বেছে নিন।

আমি একজন টেক গেইনার, টেকনোলোজি বিষয়ক এই ওয়েবসাইটটি দেখা-শুনার দায়িত্বে রয়েছি। মেইনলি, এই ওয়েবসাইটের ইংরেজী ভার্সণের কন্টেন্ট, কোয়ালিটি ও টেকনিক্যাল সাইড নিয়ে কাজ করছি।
