Cart
No products in the cart.

আপনাদের সবাইকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা যারা আমাদের ওয়েবসাইটে লিখছেন নিয়মিত বা অনিয়মিত। এই নোটিশ বোর্ডটি আপনাদের এবং আমাদের, উভয় পক্ষের সুবিধা-অসুবিধা নিয়ে পারস্পরিক বোঝা-পড়ার জন্য।
বেশ কিছু বিষয় হাজির হয়েছে যেগুলো আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করবো বলে অনেক দিন ধরেই ভাবছিলাম এবং কিছু কিছু বিষয়ে আপনাদের মতামতও প্রয়োজন। লেখাটি সব লেখকদের গুরুত্বের সঙ্গে পড়া এবং নিচের কমেন্ট বক্সে নিজেদের মতামত দেয়ার জন্য অনুরোধ থাকল।
এক নজরে দেখে নিন যা আছে এই লেখায়-
আপনাদের লেখা এডিট করতে গিয়ে আমাদের প্রচুর সময় নষ্ট হয়ে যায়। যারফলে, আমরা বেশি লেখা পাবলিশ করতে পারি না। নতুনদের ক্ষেত্রে নানা রকম ভুল থাকতে পারে, আমরা সেটা মেনে নেই। কিন্তু পুরনোদের ক্ষেত্রে মেনে নেয়াটা বেশ কষ্টকর। যাইহোক, নিচে আপনাদের কিছু কমন ভুল তুলে ধরলাম যে ভুলগুলো কম-বেশি সবাই করে থাকেন। আশা করি, এরপর থেকে কেউ আর এ ভুলগুলো করবেন না।
শব্দের মাঝে বাড়তি স্পেস: একটা শব্দকে ভেঙ্গে আপনারা অনেকেই দুই শব্দে লিখছেন, বাম পাশে আপনাদের ভুল আর ডান পাশে সঠিক শব্দটি দেয়া হল-
দুই শব্দকে এক শব্দে লেখা: অনেকেই আবার দুই শব্দকে একত্র করে এক শব্দে লিখছেন, বামে ভুল আর ডান সঠিকটি দেয়া হল-
সাধু ও চলিত ভাষার মিশ্রণ: সব কথা চলতি ভাষায় লিখলেও কিছু শব্দের ক্ষেত্রে নিজের অজান্তেই কেউ কেউ সাধু ভাষার মিশ্রণ ঘটাচ্ছেন। বামে ভুল আর ডানে সঠিক শব্দটি দেখে নিন-
ছোট ছোট বানান ভুল: কিছু শব্দের বানান প্রায় সবাই ভুল করে যাচ্ছেন, এগুলো ঠিক করতে গিয়ে প্রচুর সময় নষ্ট হচ্ছে-
চন্দ্রবিন্দু সংক্রান্ত সমস্যা: কিছু শব্দে ভুল করে অনেকেই চন্দ্রবিন্দু দেন না। এখন থেকে দেবেন।
দুইটাই সঠিক, যেটা লিখবেন: এমন কিছু শব্দ রয়েছে যেগুলোর বানান দুইভাবে লেখা যায়। সেক্ষেত্রে গুরুত্ব দিতে হবে অধিক ব্যবহৃত বানানটিকে। বামপাশেরটি আমরা গ্রহণ করবো না, কাজেই সব সময় ডান পাশেরটি লিখবেন।
আশা করি, উপরে উল্লেখিত ভুলগুলো আর করবেন না, এতে আমাদের এডিট করায় কম সময় লাগবে, আমরা আরো বেশি লেখা পাবলিশ করতে পারবো। আর আপনাদের সব ভুল এখন মনে আসছে না বলে আরো কিছু বাকি রয়ে গিয়েছে। যখনই আরো কোন ভুল পাবো, তখনই এখানে আফডেট দিয়ে রাখবো। কাজেই, এই নোটিশ বোর্ডটি মাঝে মাঝেই দেখবেন।
নোট: এখানে শুধরে দেয়ার পরও, আপনারা যদি এই ধরণের ভুলগুলো করতে থাকেন, তবে আপনাদের জরিমানা করা হবে। যে লেখায় উল্লেখিত ভুলগুলো পাওয়া যাবে, সে লেখার সন্মানি ৫০% কেটে নেয়া হবে। অর্থাৎ, আপনি ওই লেখার পুরো সন্মানি পাবেন না। আর এ নিয়ম কার্য্যকর হবে মে মাসের ১ তারিখ থেকে। তার মানে এ মাসের বাকি দিনগুলো হাতে পেলেন। এর মাঝেই এগুলো ঠিক করে নিন। কি, মন খারাপ হয়ে গেলো? আসুন তাহলে মন ভাল করে দেই-
আপনাদের সবার লেখা থেকে যদি প্রতি মাসে একটা লেখাকে সেরা লেখা হিসেবে নির্বাচন করি আর নির্বাচিত লেখককে পুরস্কৃত করি, তাহলে কেমন হয়? হুম, আপনাদের মন ভাল রাখতেই আমাদের এই আয়োজন। মে মাস থেকে শুরু করে আমরা প্রতি মাসেই একটা লেখা সেরা লেখা হিসেবে মনোনীত করবো আর ওই লেখার জন্য পুরস্কারের ব্যবস্থা রাখবো।
আচ্ছা, কি পুরস্কার দেয়া যায়? আমার কাছে তো পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ্য পুরস্কার বই, বই এবং বই। কিন্তু বই কিনবো কখন, এত সময় কই? আর পাঠাবোইবা কিভাবে? কুরিয়ারে! আরো সময় ব্যয়! সবচেয়ে সহজ উপায় হতে পারে ক্যাশ, কি বলেন। হ্যাঁ, নির্বাচিত লেখাটার জন্য আমরা ৫০০ টাকা পেমেন্ট দেবো, তাহলে বিকাশের মাধ্যমে সহজেই পাঠানো যাবে। কেমন হবে বলুন তো?
আশা করি, আপনাদের মন ভালো হয়ে গিয়েছে। এবার জেনে নিন, লেখা নির্বাচনের প্রক্রিয়া-
১. প্রতি মাসের প্রথম দিন থেকে শুরু করে শেষ দিন পর্যন্ত আপনাদের প্রকাশিত সবগুলো লেখা থেকে একটি লেখা বাছাই করা হবে।
২. যে লেখায় উপরোল্লেখিত কোন ভুল থাকবে, সে লেখাটিকে মনোনয়নের আওতায় রাখা হবে না।
৩. লেখা মনোনয়ন করা হবে নাম্বারিং পদ্ধতিতে। নির্বাচনের জন্য টোটাল ১০০ মার্ক হিসেব করা হবে। এর মাঝে যে লেখাটি সবচেয়ে বেশি মার্ক পাবে, সেটিই হবে মাসের সেরা লেখা। এখন দেখুন, কোন বিষয়ের জন্য কত নাম্বার কাউন্ট করা হবে-
প্রথমটি বুঝতেই পারছেন, আপনার লেখাটি মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় হতে হবে।
দ্বিতীয়টি আরো সহজে বুঝতে পারছেন যে আপনার লেখাটিকে মান-সন্মত হতে হবে, সেই সাথে আপনার লেখার স্টাইলটাও সুন্দর হতে হবে।
তৃতীয়টি বোঝাও সহজ, আমরা দেখবো যে আপনার লেখাটি কতজন মানুষ শেয়ার করেছেন। পাঠক আপনার লেখাটি কতটা গ্রহণ করেছে, ফেসবুক শেয়ার আমাদেরকে সে আইডিয়া দেবে। আর এটি আপনাদের ‘ট্রিপিক্যাল বাঙালী মানসিকতা’ পরিবর্তণেও ভূমিকা রাখবে। আমরা খেয়াল করেছি যে, আপনাদের প্রায় সবাই কেবল নিজের লেখাটিই শেয়ার করছেন। অন্যরা যে ভাল লিখছে, সেটা মানতে চাইছেন না; অন্যদের লেখাও যে আপনার ফেন্ড লিস্টে থাকা মানুষের প্রয়োজন হতে পারে, সেটা বুঝতে চাইছেন না; তাই অন্যদের লেখা শেয়ার করছেন না। ভাবছেন, আমি ওর লেখা শেয়ার করবো কেন! ওকে পরিচিত করে আমার কি লাভ!
আমরা জানি, বাংলাদেশে জন্মে, এই দেশের মাটিতে মিশে থাকা এই মানসিকতা থাকাটা মোটেই অস্বাভাবিক নয়। তবে, আমরা যেহেতু লেখা-লেখি করি, আমাদের মন থেকে এই সব হীণ চিন্তা বের করে দিতে হবে, মনটাকে সবার জন্যই আকাশের মতো মেলে দিতে হবে, যাতে সেখানে যে কোন পাখিই মনের আনন্দে উড়ে বেড়াতে পারে।
সুতরাং, নিজের লেখার পাশা-পাশি অন্যদের লেখাও শেয়ার করুন। এতে, আপনার নিজের লেখা ঢাকা পড়ে যাবে না। বরং আরো প্রস্ফুটিত হবে।
যাইহোক, এবার আসি চতুর্থটি অর্থাৎ কমেন্টের ব্যাপারে। কমেন্টের জন্য আমরা ২০ মার্ক রেখেছি এই জন্যে যে, পাঠক কমেন্ট করে আপনার লেখাটির ভাল-মন্দ নিয়ে কী বলে তা দেখার জন্যে। এখান থেকেও আমরা আইডিয়া পাবো, আপনার লেখাটি মানুষের কতটা কাজে লেগেছে বা লেখাটি মানুষ কতটা পছন্দ করেছে।
তবে, আমাদের দেশের অধিকাংশ পাঠক এখনো কমেন্ট বলতে ফেসবুক কমেন্ট বোঝে। এর বাইরের কমেন্ট প্লাটফর্মের সঙ্গে অতটা পরিচিত নয়। আমরা যে কমেন্ট প্লাটফর্ম ইউজ করছি, সেটি ওয়ার্ডপ্রেস কমেন্ট প্লাটফর্ম। প্রত্যেকটা লেখার নিচেই দেখবেন কমেন্ট বক্স রয়েছে। যেখানে প্রথম ঘরে কমেন্ট, ২য় ঘরে নাম, তৃতীয় ঘরে ইমেল অ্যাড্রেস এবং ৪র্থ ঘরে ওয়েবসাইট লিংক দিয়ে নিচের Post Comment লেখা বাটনে ক্লিক করতে হয়।
ওয়েবসাইট লিংকের ঘরে কিছু দেয়া মোটেও অপরিহার্য্য নয়। অর্থাৎ এ ঘরটিতে কিছুই না দিয়ে ফাঁকা রাখলে কোন সমস্যা নেই। আর এখানেই আমাদের দেশের বেশিরভাগ মানুষ কনফিউড্ হয়। ভাবে, আমার তো ওয়েবসাইট নেই, কী দেবো! এক পর্যায়ে কমেন্ট না দিয়েই বেরিয়ে যায়।
মানুষকে ওয়ার্ডপ্রেস কমেন্ট প্লাটফর্মের সঙ্গে পরিচিত করানো এবং কমেন্টে অভ্যস্থ করার জন্য আপনারা কিছু ভূমিকা পালন করতে পারেন। সেটা হচ্ছে আপনারা নিজেরা একে অপরের লেখায় কমেন্ট করে লেখাটির ভাল-মন্দ জানান। আপনি যখন আরেকজনের লেখায় কন্টিনিউ কমেন্ট করতে থাকবেন, একদিন সে’ও নিশ্চয়ই আপনার লেখায় কমেন্ট করে লেখাটি নিয়ে কথা বলবে। এতে আপনাদের মাঝে একটা ইন্টারন্যাল সম্পর্কও তৈরি হবে।
আসুন, গতকাল প্রকাশিত আমাদের দু’জন নতুন লেখকের দু’টি লেখায় আমরা সবাই কমেন্ট করে একে অন্যের লেখায় কমেন্ট করাটা উদ্বোধন করি। একই সাথে এ দুজন নতুন লেখককে উৎসাহ দেই এবং কি করলে লেখাটি আরো ভাল হতো, সে ব্যাপারে পরামর্শ দেই।
১. স্ন্যাপচ্যাটের নতুন ট্রিকস যা আপনার জানা প্রয়োজন – লেখক: আফিয়া ইসলাম প্রমি
২. পিটিসি সাইট ওজো থেকে আয় করুন মাসে ৩০০ ডলার – লেখক: শাহরিয়ার আহমেদ
যে কোন একটিতে কিংবা উভয়টিতেই কমেন্ট করুন। আপনারা যারাই আমাদের সাইটে লিখছেন কিংবা লিখবেন, নতুন-পুরাতন সবাইকে এ দু’টি লেখায় কমেন্ট করার অনুরোধ করছি। আবার, এর মানে এই নয় যে, আপনারা অন্য লেখায় কমেন্ট করবেন না। যে কোন লেখায় যে কারো লেখায় নিয়মিত কমেন্ট করবেন। আমরা চাই, একটা লেখা পাবলিশ হলেই সে লেখায় আপনারা সব লেখক কমেন্ট করে লেখাটা সম্পর্কে মতামত দিন। এতে করে আপনাদের সবারই সবার লেখা সম্পর্কে ধারণা হবে, নিজেদের মধ্যে একটা কো-রিলেশন গড়ে উঠবে।
আগের নোটিশ বোর্ডেও আমরা উল্লেখ করেছি, এটাতেও করছি, আমরা চাই আপনারা যারা আমাদের ওয়েবসাইটে লিখছেন, তাদের সবাইকে সবাই চিনুক। সবার সঙ্গে সবার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে উঠুক। সবাই সবাইকে লেখা-লেখিতে উৎসাহ উদ্দীপনা যোগাক। তাই, আপনাদের জন্য আমরা টেক ট্রেইনি ফোরাম নামে একটি ফেসবুক গ্রুপ খুলে দিয়েছি। আপনাদের সবার উচিৎ এ গ্রুপে জয়েন করা। এরপর, গ্রুপ থেকে খুঁজে নিয়েই একজন আরেকজনকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠাতে পারেন। যে কোন লেখার ব্যাপারে সাহায্য চাইতে পারেন কিংবা সাহায্য করতে পারেন।
যাইহোক, আশা করি পুরস্কারের বিষয়টি পুরোপুরি বুঝে নিয়েছেন। না, বুঝলে আরেকবার পড়ুন। আর কে পুরস্কার পেলেন, কোন লেখার জন্য পুরস্কার পেলেন তা জানার জন্যে আমাদের ওয়েবসাইটে পুরস্কার নামে আরেকটি পেজ পোস্ট করা হবে, যেটি নোটিশ বোর্ডের পরেই থাকবে। এটি আপনারা দেখতে পাবেন জুন মাসের ১ম সপ্তায়। আর ওখানে ক্লিক করেই আপনারা জানতে পারবেন, কার লেখাটি পুরস্কৃত হয়েছে এবং কী কী বিশেষত্বের জন্য পুরস্কৃত হয়েছে।
আমাদের পরিবারে যোগ দিয়েছেন বেশ কিছু নতুন লেখক, তাদেরকে অভিনন্দন। একই সঙ্গে নিন্দা জানাচ্ছি নকলকারীদের। কিছু মেধাহীন, মগজহীন, ঘিলুহীন, চিরকাল নকল করে পাস করা লোক বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে লেখা নিয়ে আমাদের এখানে পাবলিশ করে লেখক বনে যেতে চাইছে! ছি! ছি!! ছি!!! এই যুগেও, যখন কোন কিছুই গোপণ রাখা সম্ভব নয়, এরা কিভাবে অন্যের লেখা চুরি করার সাহস পায়!!!!
তাদেরটা না হয় মানা গেল, কিন্তু যখন কোন পুরনো লেখক এই কাজ করে বসেন, তখন কেমন লাগে! হ্যাঁ, কিছুদিন আগে এমনই ঘটনা ঘটেছে। আমাদের একজন পুরনো এবং নিয়মিত লেখক ২টি ডুপ্লিকেট লেখা পোস্ট করেছেন। খুব দু:খ পেলেও আমরা উনার অ্যাকাউন্টি ব্যানড্ করিনি, কারণ উনি ক্ষমা চেয়েছেন। তবে, আমরা এখন আর উনার কোন লেখা পাবলিশ করছি না।
এখন আমরা একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, যদি সামনে কখনো কোন লেখকের বেলায় এ রকমটি ঘটে, তবে আমরা ওই লেখকের ছবিসহ আমাদের ওয়েবসাইটে একটা পোস্ট দিয়ে রাখবো, যাতে করে এই ওয়েবসাইটে যত মানুষ আসবে সবাই যেন ও লেখকটিকে একজন নকলবাজ, জোচ্ছোর হিসেবে আজীবনের জন্য চিনে রাখে। এ সিদ্ধান্ত সম্পর্কে নিচের কমেন্ট বক্সে আপনাদের মতামত দিন।
আর আপনারাও সাবধান হোন, ভুলেও এ ধরণের চিন্তা মাথায় আনবেন না। আমরা আগেও বলেছি, এখনও বলছি, লেখার জন্য কখনোই কোন বাংলা সোর্স দেখবেন না। যত ইনফর্মেশন দরকার, সব নেবেন ইংরেজী থেকে, তাহলে নিজের অজান্তেও ডুপ্লিকেট হওয়ার সম্ভাবণা থাকবে না।
আপনাদের অনেকের আর্টিকেলেই অনিচ্ছাকৃত ডুপ্লিকেট লেখা ঢুকে যাচ্ছে যা আপনারা বুঝতেও পারছেন না। আসুন, বিষয়টা একটু পরিস্কার করি-
আপনি হয়তো কোন লেখা শুরু করলেন এভাবে- ‘বর্তমানে মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে না’ কিংবা লিখলেন- ‘বর্তমান সময়ে কম্পিউটার নেই, এমন মানুষ খুব কমই আছে’ অথবা লিখলেন- ‘অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস্ সম্পর্কে জানেন না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দায়’। এ ধরণের লাইন অসংখ্য বাংলা ওয়েবসাইটে রয়েছে যা আপনার লেখার সঙ্গে মিলে গিয়ে আপনার লাইনটি ডুপ্লিকেট হিসেবে গণ্য হচ্ছে।
আমাদের দেশের অনলাইনগুলোর লেখার স্টাইলটাই এমন। একজন হয়তো এভাবে কোন একটি লেখা লিখেছে, তার দেখাদেখি একটু এদিক-ওদিক করে আরেকজনও তাই লিখলো, তার দেখাদেখি আরেকজন… এভাবে এ ধরণের লাইন দিয়ে ওয়েবসাইটগুলো ভরে আছে।
সুতরাং, আপনাকে যেটা করতে হবে, সেটা হচ্ছে এ ধরণের কথা লেখা থেকে বিরত থাকতে হবে। আপনার দরকার কি এ ধরণের বাড়তি কথার! আপনি সরাসরি আপনার মূল টপিকে চলে যান।
যেমন, আপনার কি-ওয়ার্ড যদি হয়- অ্যান্ড্রয়েড কার রেসিং গেম, তাহলে ‘গেম খেলেন না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে না’ – এ ধরণের বাক্য দিয়ে শুরু না করে আপনি সরাসরি কার রেসিং নিয়ে বলুন। যেমন, হতে পারে- অ্যান্ড্রয়েড কার রেসিং গেম অনেকের জন্যেই দারুণ উপভোগ্য। বিশেষ করে যারা অ্যান্ড্রয়েড ফোনে নিয়মিত গেম খেলেন, তাদের কাছে কার রেসিং গেমগুলো খুবই প্রিয়। বাস্তবে কার ড্রাইভ করতে পারেন আর না পারেন, ভার্সুয়াল জগতে আপনি শুধু ড্রাইভিংই নয়, রীতিমত কার রেসিং এ অংশ নিতে পারেন—- এভাবে মূল টপিক দিয়ে শুরু করতে পারেন। তাহলে, অনিচ্ছাকৃত ডুপ্লিকেট থেকে আপনি বেঁচে যাবেন, আর আমরা বেঁচে যাবো, আপনার লেখা ফেলে দিয়ে নতুন করে লেখার যন্ত্রণা থেকে।
অ্যান্ড্রয়েড কার রেসিং গেম এই কি-ওয়ার্ড নিয়ে লিখলে আপনাদের অনেকেই মেটা ডেসক্রিপশন এভাবে দেবেন- ‘এই পোস্টে রয়েছে অ্যান্ড্রয়েডের জন্য ১০টি সেরা কার রেসিং গেম…. ‘ কিংবা হয়তো এভাবে দেবেন- এই পোস্টে আমি লিখেছি ১০টি কার রেসিং গেম সম্পর্কে……
আপনাদের মাঝে অনেকেই এভাবে মেটা ডেসক্রিপশন লিখছেন যা মোটেও সুন্দর হচ্ছে না এবং আমাদেরকে এডিট করতে হচ্ছে, বেশিরভাগ সময় ফেলে দিয়ে নতুন করে লিখতে হচ্ছে। এ কথাগুলোই যেভাবে লেখা উচিৎ-
সেরা ১০টি অ্যান্ড্রয়েড কার রেসিং গেম সম্পর্কে জেনে রাখুন। গেম খেলার আগে এ লেখাটি পড়লে, কোন গেমটি খেলবেন তা ঠিক করা আপনার জন্য সহজ হয়ে যাবে। কারণ, প্রতিটা গেমেরই যাবতীয় ফিচার নিয়ে বিস্তারিত বর্ণনা রয়েছে, সেই সাথে রয়েছে ডাউনলোড লিংক।
ব্যস্, হয়ে গেল, মেটা ডেসক্রিপশন। প্রথমত, এই পোস্টে পাবেন বা এই পোস্টে আমি লিখেছি জাতীয় কথাগুলো অ্যাভয়েড করা গিয়েছে, দ্বিতীয়ত কি-ওয়ার্ডটি হুবহু প্লেস করা হয়েছে। আশা করি, এখন আর মেটা ডেসক্রিপশন লেখায় কারো কোন সমস্যা হবে না। আমাদেরও এডিট করা বা নতুন করে লেখা লাগবে না।
আমরা আমাদের ওয়েবসাইটের জন্য সর্বনিম্ন শব্দ সংখ্যা নির্ধারণ করেছিলাম ৭০০। এরপরও অনেকে (বিশেষ করে যারা নতুন যুক্ত হয়েছেন) এমন অনেক আর্টিকেল সাবমিট করছেন যেগুলোর শব্দ সংখ্যা ৭০০ থেকে কম। এমনকি, আমরা এমন কিছু আর্টিকেল পেয়েছি যেগুলোর শব্দ সংখ্যা ৩০০ থেকে ৪০০ এর ভেতরে শেষ করে দেয়া হয়েছে।
আমাদের নির্ধারিত শব্দের ভেতর না লেখায় এ-সব আর্টিকেল আমরা পাবলিশ করতে পারছি না। এতে আমরা যেমন একটি নতুন আর্টিকেল থেকে বঞ্চিত হচ্ছি, তেমনি যিনি লিখেছেন তার শ্রম ও সময় দুইটাই বৃথা যাচ্ছে।
আসলে এমন কিছু টপিক এসে পড়ে যেগুলো বড় করার উপায় থাকে না। টেনে-টুনে বড় করতে গেলে অপ্রাসঙ্গিক কথা এসে পড়ে যা আরো ক্ষতিকর। তাই, উভয়ের লাভের কথা বিবেচনায় রেখে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, এখন থেকে ছোট আর্টিকেলও আমরা পাবলিশ করবো।
এক্ষেত্রে সন্মানি নির্ধারণে একটু ঝামেলা হচ্ছে। ছোট লেখার ক্ষেত্রে যদি সন্মানিটা প্রতি ১০০ ওয়ার্ডের জন্য ১৫ টাকা হয়, তাহলে মনে হয় আগের নির্ধারিত সন্মানি থেকে আর কম-বেশি হয় না। যেমন-
তাহলে দেখুন আমাদের ৭০০ থেকে ১০০০ ওয়ার্ডের লেখার জন্যে যে ১০০টাকা নিধারিত রয়েছে, তার সঙ্গে মিলে যাচ্ছে। আপনারা কি বলেন? নিচে কমেন্ট বক্সে আপনাদের মতামত দিন।
তাহলে, এই নোটিশ বোর্ড আজকের মত এখানেই শেষ। তবে, আপনারা মাঝে মাঝেই এটি দেখবেন। কারণ, এটাকে আমরা নিয়মিত আফডেট করবো। অর্থাৎ অনেকগুলো ইস্যু একত্রিত হওয়ার আগ পর্যন্ত নতুন নোটিশ বোর্ড আসবে না। ছোট ছোট ইস্যুগুলো এটাতেই আফডেট করে দেয়া হবে। সবাই ভাল থাকুন, ভাল ভাল আর্টিকেল লিখুন, নিজেদের এবং অন্যদের লেখা শেয়ার করুন।
বি: দ্র: ২/১টা লেখার পেমেন্ট অর্থাৎ ১০০/২০০ টাকা বিকাশ করার ঝামেলা এড়াতে আমরা কমপক্ষে ৫টা লেখার পেমেন্ট এক সঙ্গে নেয়ার প্রস্তাবণা দিয়েছিলাম আগের নোটিশ বোর্ডে। আপনাদের অধিকাংশেরই মতামতের ভিত্তিতে সেটাই আমরা ফাইনাল করলাম। অর্থাৎ এখন থেকে কমপক্ষে ৫টা লেখা পাবলিশ হওয়ার আগে কেউ পেমেন্ট চাইবেন না। আগের নোটিশ বোর্ডটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

আমি একজন টেক গেইনার, টেকনোলোজি বিষয়ক এই ওয়েবসাইটটি দেখা-শুনার দায়িত্বে রয়েছি। মেইনলি, এই ওয়েবসাইটের ইংরেজী ভার্সণের কন্টেন্ট, কোয়ালিটি ও টেকনিক্যাল সাইড নিয়ে কাজ করছি।

মনোযোগ দিয়ে পড়লাম। তবে ভাই প্রচলিত বা অপ্রচলিত বানান বাদ দিয়ে সবাইকে বাংলা একাডেমির বানানে লিখতে বলুন। তাহলে আর ঝামেলা হবে না। নতুন নিয়ম গুলো উৎসাহব্যঞ্জক। ধন্যবাদ। আপনার সাফল্য কামনা করছি।
অসংখ্য ধন্যবাদ, মতামতের জন্য। দারুণ একটি পরামর্শ দিয়েছেন, আফডেট দেয়ার চিন্তা থাকলো মাথায়।
শাওমি নিয়ে আসলো ৮ জিবি র্যামের স্মার্টফোন-মি মিক্স ২এস – এই পোস্টটিতে অনেক বানানে ভুল পেয়েছিলাম। আপনাদের পোস্ট পড়ার পরে বানানগুলো শুধরে নিয়েছি। যদি কোনো ভুল থাকে এখন তাহলে জানাবেন প্লিজ।
অনেক ধন্যবাদ শাহরিয়ার,
আপনাদের এই সচেতণতা খুব ভাল লাগছে। সবাই যদি বিষয়টাতে মনোযোগ দেয়, আমাদের কষ্ট অনেক কমে যাবে, আমরা অনেক বেশি পোস্ট পাবলিশ করতে পারবো।
এমন একটি লেখা-লেখির সুযোগ করে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ আপনাদেরকেও।
খুব ভালো লাগলো পোষ্টটি পড়ে। যে ভুল গুলোর কথা বলা হয়েছে তার মধ্যে অনেকগুলো ভুল আমি নিজেই করে থাকি। সামনে থেকে এ ব্যাপারে খেয়াল রাখবো। তাছাড়া লেখকদের জন্য পুরষ্কারের ব্যপারটি আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। টেক ট্রেইনির সাথে যুক্ত সকলকে এরকম সিদ্ধান্তের জন্য অভিনন্দন জানাই।
আগামীতে ভুল গুলো শুধরে নিয়ে আপনাদের নতুন ও মানসম্মত পোষ্ট উপহার দেওয়ার চেষ্টা করবো।
অনেক ধন্যবাদ, পাভেল। তবে, একটা ব্যাপার ভুল বলেছেন, আপনার অতো বেশি ভুল হয় না, সত্যিকার অর্থে সবচেয়ে কম ভুল আপনার লেখাতেই পাই। এমনকি, আপনার লেখাই সবচেয়ে কম সময়ে পাবলিশ করতে পারি। তবে, এই কমেন্টেই উল্লেখিত ভুলগুলোর একটি করে ফেলেছেন, শেষ লাইনটায়। ‘আগামীতে ভুল গুলো….’ এটি হবে আগামীতে ভুলগুলো। যাইহোক, তাড়াহুড়ো করে লিখেছেন মনে হয়। একটু সচেতন হলে, আর লেখার পর ২/১ বার রিভিশন দিলে কারো লেখাতেই আর এ ধরণের ভুল থাকবে না।
খুবই ভালো লাগলো সবগুলো পয়েন্ট। বানান বা অহেতুক কথা বলে আসলেই লেখার মান উন্নয়ন হওয়া সম্ভব না। এতদিন না বুঝে এসব ভুল করেছি। এখন থেকে এসব ব্যাপারে সতর্ক হওয়া যাবে। কমেন্ট আর নিজেদের মধ্য একটা সম্পর্ক তৈরী করার আইডিয়াটাও দারুণ। সেই সাথে পুরষ্কারের ব্যবস্থাটাও! ^_^
ছোট লেখার ক্ষেত্রে সম্মানিটা কেমন হবে তা নিয়ে দুর্ভাবনা মনে হয়, সবার মধ্যই একটু কাজ করত। ইনশাআল্লাহ এখন থেকে নিয়মিতো লেখা আরও সহজ হবে। 🙂
ধন্যবাদ, মাকসুদ।
আপডেট হবে না কি আফডেট?
আপডেট হবে।
আমি অ্যাডমিনকে একটি অনুরোধ করতে চাই। সেটি হলো। পুরষ্কারের জন্য যে নম্বর বরাদ্দ করা হয়েছে সেখানে প্রকাশিত পোষ্টগুলোতে কমেন্ট করার উপরেও কিছু নম্বর বরাদ্দ দেওয়া হোক। কারণ লক্ষ্য করলাম নোটিশ প্রকাশিত হওয়ার পরেও ২/১ জন ছাড়া অন্যান্যরা পোষ্টে কমেন্ট করছে না। তাই এধরনের একটি পদক্ষেপ নিলে ভালো হতো বলে আমার মনে হয়। এ ব্যপারে অ্যাডমিনের বিবেচনা ও মতামত আশা করছি।
দেয়া আছে তো, পাভেল। খেয়াল করেননি, হয়তো। কমেন্টের জন্য ২০ মার্ক, শেয়ারের জন্য ৩০ মার্ক। আস্তে আস্তে সবাই সবার পোস্টে কমেন্ট করবে, সবাই সবার লেখা শেয়ার করবে। আমরা তাই আশা করি এবং আমরা ধৈর্য্য ধরে দেখিছ, কে কি করছে, সবার অ্যাক্টিভিটিই খেয়াল করছি আমরা। যাইহোক, আপনাকে ধন্যবাদ। আশা করি, সবাই আপনার মত অ্যাক্টিভ হবে।