Cart
No products in the cart.

আপনারা যারা আমাদের ওয়েবসাইটে লিখছেন, তাদের সবাইকে অভিনন্দন!
এ যাবৎ অনেকের আর্টিকেল আমরা পাবলিশ করেছি, আবার অনেকের আর্টিকেল পাবলিশ করতে পারিনি। যাদের আর্টিকেলে কোন সমস্যা নেই কিংবা খুব সামান্য সমস্যা রয়েছে, তাদের আর্টিকেলগুলোই আমরা আগে পাবলিশ করছি। যেগুলোতে একাধিক সমস্যা খুঁজে পাচ্ছি সেগুলো আমরা পরবর্তীতে যাছাই বাছাইয়ের জন্য রেখে দিচ্ছি।
যাদের আর্টিকেল এখনো পাবলিশ হয়নি, তাদের আর্টিকেলে নানা রকম সমস্যা রয়েছে। যে-সব সমস্যার কারণে আপনাদের আর্টিকেল পাবলিশ করা হচ্ছে না সেগুলোর মধ্যে অন্যতম-
এক নজরে দেখে নিন যা আছে এই লেখায়-
আপনার লেখায় যদি উপরোক্ত ৫টি সমস্যার কোনটি থেকে থাকে, তাহলে আপনার লেখা পাবলিশ হবে না। সুতরাং, লেখার আগে ভিডিও টিউটোরিয়ালগুলো দেখে সম্পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে নিন আর মান-সন্মত আর্টিকেল লিখুন।
আমরা বেশ কিছু আর্টিকেল Draft আকারে পড়ে থাকতে দেখছি। Draft হিসেবে থাকা মানে আপনি এটিকে এখনো ফাইনাল করেননি, আরো এডিট করবেন, তারপর সাবমিট করবেন। আর আপনি যখন Submit for Review তে ক্লিক করেন, তখন সেটি আমাদের ওয়েবসাইটের ব্যাক-এন্ডে Pending হিসেবে থাকে যা আমরা রিভিউ করে পাবলিশ করে দেবো। যে লেখা আপনি ড্রাফট্ হিসেবে রাখেন, সেটিতে আমরা সাধারণত হাত দেই না, আপনি ফাইনাল করে সাবমিট করবেন বলে। কিন্তু কিছু লেখা দেখছি দীর্ঘদিন ধরেই ড্রাফট্ হিসেবে পড়ে আছে। তাই, আমরা কনফিউজড্ হয়ে আছি এই ভেবে যে লেখাটি কি আপনি ফাইনাল করেছেন, না করেননি! এখন মনে হচ্ছে কেউ কেউ ভুল বশত: সাবমিট না করে ড্রাফট্ হিসেবে রেখে দিয়েছে। আপনাদের যার ক্ষেত্রে এমন হয়েছে, দয়া করে লেখাটি আরেকবার ভাল করে চেক করুন এবং রিভিউর জন্য সাবমিট করে দিন।
আপনারা জানেন, আমরা আর্টিকেলের লেংথ দিয়েছিলাম ৭০০ থেকে ১০০০, ১০০০ থেকে ১৩০০ আর ১৩০০ থেকে ১৬০০ ওয়ার্ড। কিন্তু বড় আর্টিকেলের ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয় কথা এসে পড়ায় এবং সেটি পাঠকের বিরক্তি সৃষ্টি করায় আমরা তৃতীয় অপশনটি বন্ধ করে দেয়ার ঘোষণা দিচ্ছি। অর্থাৎ এখন থেকে আর্টিকেলের লেংথ্ থাকবে ৭০০ থেকে ১০০০ এবং ১০০০ থেকে ১৩০০ ওয়ার্ড। আর প্রথমটিকেই অর্থাৎ ৭০০ থেকে ১০০০ ওয়ার্ডের আর্টিকেলকেই আমরা বেশি গুরুত্ব দেবো। তুলনামূলক ছোট লেখাগুলোই পাঠককে বেশি আকৃষ্ট করে। আসলে মানুষের বড় লেখা পড়ার মত ধৈর্য্য থাকে না। তাই আপনারাও চেষ্টা করবেন আপনাদের আর্টিকেল ৭০০ থেকে ১০০০ ওয়ার্ডের ভেতর রাখতে। যেটি কোনভাবেই ৭০০-১০০০ ওয়ার্ডে শেষ করা সম্ভব নয়, সেটি ১৩০০ পর্যন্ত নিয়ে যান, সেক্ষেত্রে সমস্যা নেই। কিন্তু আবারও বলছি, ৭০০ থেকে ১০০০ ওয়ার্ডের আর্টিকেলকেই আমরা পাবলিশ করার ক্ষেত্রে অধিকতর গুরুত্ব দেবো।
এ যাবৎ যাদের লেখা পাবলিশ হয়েছে, তাদের প্রতি অনুরোধ আমাদের ফেসবুক পেজের ম্যাসেঞ্জারে আপনাদের মোবাইল নাম্বার দিয়ে রাখুন। আপনাদের সঙ্গে প্রায়ই ফোনে যোগাযোগের প্রয়োজন পড়ছে। কারো কারো নাম্বার আমাদের কাছে রয়েছে এবং তাদের সঙ্গে প্রয়োজনের মুহূর্তে যোগাযোগ হচ্ছে। যাদের সঙ্গে এখন পর্যন্ত ফোনে যোগাযোগ হয়নি, তাদের সবাইকে মোবাইল নাম্বার দিয়ে রাখার জন্য আবারও অনুরোধ রইলো।
আপনাদের লেখা যদি কেউ না পড়ে কিংবা উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষের কাছে না পৌঁছায়, তাহলে টাকা পেলেও আপনারা আপনাদের লেখার সার্থকতা পাবেন না। লিখতে পারা একটা মানুষের বাড়তি যোগ্যতা, এ যোগ্যতা লুকোনোর কিছু নেই বরং ছড়িয়ে দেয়াই ভালো। সুতরাং, আপনাদের একটা লেখা পাবলিশ হলেই সেটি ফেসবুকে শেয়ার করে দিন। প্রতিটি আর্টিকেলের উপরে এবং নিচে দেখবেন ফেসবুক, টুইটার, গুগল প্লাসের শেয়ার বাটন রয়েছে। ফেসবুকের বাটনে ক্লিক করে লেখাটি আপনার প্রোপাইলে শেয়ার করে দিন। এতে আমরা ১/২জন বাড়তি ভিজিটর পাবো আর আপনি ১/২জন বাড়তি পাঠক পাবেন।
যাদের লেখা পাবলিশ হয়েছে তাদের অনেককেই পেমেন্ট দেয়া হয়েছে। কেউ কেউ একটা লেখা লিখেই পেমেন্ট চেয়েছেন, আমরাও দিয়ে দিয়েছি। এ জায়গাটায় আমরা পুরোপুরি ক্লিন থাকতে চাই। তবু, একটা লেখার জন্য পেমেন্ট দেয়া আমাদের জন্য একটু ঝামেলাই হচ্ছে। যদি প্রতি ৫টা লেখার পর একবার পেমেন্ট দেয়ার অপশন করি, তাহলে কেমন হয়! আপনাদের মতামত চাইছি। নিচে কমেন্ট বক্সে লিখে মতামত দিতে পারেন। আপনাদের মতামত পেলে সিদ্ধান্ত নেবো।
এছাড়াও, কমেন্ট বক্সে লিখে ওয়েবসাইটির ভাল-মন্দ নিয়ে যে কোন পরামর্শ দিতে পারেন। আমরা সেগুলো গুরুত্বের সঙ্গে নেবো। কারণ, আপনারাও এখন আমাদের ওয়েবসাইটের একটা অংশ, আমাদের পরিবারের সদস্য।
এই ওয়েবসাইটটি আমাদের মূল ওয়েবসাইটের বাংলা ভার্সণ। মূল ওয়েবসাইটি রয়েছে ইংরেজীতে। আপনার যদি ইংরেজীতে আর্টিকেল লেখার যোগ্যতা থাকে, তাহলে আপনি আমাদের মূল ওয়েবসাইটের জন্য ইংরেজীতে আর্টিকেল লিখতে পারেন। কী ধরণের আর্টিকেল লিখতে পারবেন তা জানার জন্য ওয়েবসাইটি ভিজিট করুন। খেয়াল করে দেখুন, প্রত্যেকটি ক্যাটেগরির প্রত্যেকটি লেখাই লিস্টিং বেইজড্। এ রকম লিস্টিং আর্টিকেল লিখতে যদি আপনার কোন আপত্তি না থাকে বা আপনি নিজেকে সক্ষম বলে মনে করেন, তবে [admin@techtrainee.com] এই অ্যাড্রেসে মেইল করে আপনার আগ্রহের কথা জানান।
বাড়তি সুবিধা-
আপনাদের মাঝে কেউ আগ্রহী হয়ে থাকলে, উপরে উল্লেখিত ইমেল অ্যাড্রেসে যোগাযোগ করুন, সাথে আপনার মোবাইল নাম্বারটিও দিয়ে রাখুন।

আমি একজন টেক গেইনার, টেকনোলোজি বিষয়ক এই ওয়েবসাইটটি দেখা-শুনার দায়িত্বে রয়েছি। মেইনলি, এই ওয়েবসাইটের ইংরেজী ভার্সণের কন্টেন্ট, কোয়ালিটি ও টেকনিক্যাল সাইড নিয়ে কাজ করছি।

পাঁচটি আর্টিকেল লেখার পর পেমেন্ট করলে আপনাদের হয়তো সুবিধা হবে কিন্তু যারা রাইটার তাদের দিক থেকে বিবেচনা করলে সুবিধার না। কারণ পাঁচটা আর্টিকেল লিখা অনেক সময়ের ব্যাপার। তাই ভালো হয় প্রতি আর্টিকেল পোস্ট হওয়ার পর যার যার পেমেন্ট দিয়ে দেয়া।
আপনার মতামতের জন্য ধন্যবাদ।
আমার মতে প্রতি ৫টা আর্টিকেল এর পর পর পেমেন্ট নেয়াটা ভাল হবে। কারণ বার বার পেমেন্ট নেয়াটা যেমনি ঝামেলার তেমনি আমার মনে হয় পেমেন্ট এর দিকে ফোকাস করতে যেয়ে অ্যাডমিনের আর্টিকেল পাবলিশ করতে দেরি হতে পারে। এই ওয়েবসাইটটা পেমেন্ট করার দিক থেকে বাংলাদেশের যে কোন ওয়েবসাইট থেকে ভাল। আমি নিয়মিত এখানে লিখছি আর ৫/১০ টা আর্টিকেল পর পর পেমেন্ট নিচ্ছি। আমি বিল সাবমিট করে ২৪ ঘন্টার আগেই পেমেন্ট পাই। তাই যারা আর্টিকেল লিখছেন তাদেরকে আমি বলবো আপনারা পেমেন্ট নিয়ে না ভেবে এই পোস্টে লেখার মান, ইমেজ প্রসেসিং, আর্টিকেল সাবমিট করা নিয়ে যে সমস্যার কথা বলা হয়েছে সেদিকে খেয়াল করুন। আপনার আরর্টিকেল পাবলিশ হলে আপনি পেমেন্ট পাবেন এতে কোন সন্দেহ নেই।
ধন্যবাদ পাভেল,
আপনার কথাটি সত্যি। আসলেই বারবার পেমেন্ট দেয়ার দিকে মনোযোগ দিতে গিয়ে আমাদের বেশ সময় ব্যয় হয়। এ সময়টা আমরা আর্টিকেল পোস্ট করার দিকে ব্যয় করতে পারি যদি সবাই ৫/১০টা পোস্টের পর পেমেন্ট নিতে রাজী হয়।
আপনার শেষ কথাটা খুবই ভাল লেগেছে –
বিশ্বাস করবেন কিনা জানি না, একটু আগে একজনের একটা লেখা পোস্ট করেছি যেটি রেডি করতে আমাদের প্রায় ৩ ঘন্টা সময় নষ্ট হয়েছে। লেখাটিতে ৮টি ইমেজ ব্যবহার করা হয়েছে যার একটিও অপটিমাইজ করা হয়নি। অথচ অনেকেই ইনবক্সে খুব ঝাঁঝের সঙ্গে জানতে চাইছেন, তাদের লেখা পাবলিশ হচ্ছে না কেন! আরে ভাই, আপনারা যদি ঠিক মত নিয়ম-কানুন না মেনে সাবমিট করেন তো আমরা কিভাবে পাবলিশ করবো!!!
ভাই আমি চেষ্টা করছি ভুল না করতে। একটা পাবলিশ হয়েছে। যে ভুল গুলো জানানো হয়েছে চেষ্টা করেছি উত্তরণের। আমি তো ওয়ার্ডে অভ্রতে লিখি আর সরাসরি পেস্ট করি। কিন্তু এইচ টি এম এল কেন তৈরী হয় সেটাতো আমার অজানা। যেসব কারণ বলছেন সেগুলার একটাও আমি করি না। জাস্ট লিখি আর কপি করে পেস্ট করি। ওয়ার্ডে লেখার সময় নির্দিষ্ট কোন ফন্টে লিখব কি না? ইমেজ অপ্টিমাইজেশন ও অন্যান্য ব্যাপারগুলো প্রায় বুঝে উঠেছি। আর আমিও ঠিক করেছি পাঁচটা লেখা পাবলিশ না করে পেমেন্ট নেব না।
আপনার চেষ্টার জন্যে ধন্যবাদ। আসলে ইনস্ট্রাকশনগুলো মেনে সাবমিট করলে কোন সমস্যাই হয় না। নিজেদের কারণেই নিজেদের লেখা পাবলিশ হতে দেরী হচ্ছে। যাইহোক, যদিও ফন্টের জন্য কোন সমস্যা হওয়ার কথা না, তবু আপনি Nirmala UI ব্যবহার করে দেখতে পারেন। ৫টার পর পেমেন্ট নেয়ার ক্ষেত্রে এখন পর্যন্ত ২ জনের মতামত পেয়েছি। দেখি, আরো কয়েকজনের মতামত আসুক, তারপর সিদ্ধান্ত নেবো।
পাঁচটা লেখা পাবলিশ হওয়ার পর পেমেন্ট দেয়া একটা ভালো সিদ্ধান্ত। এতে উভয় পক্ষেরই ঝামেলা কমবে, সেই সাথে লেখকদেরও নির্দিষ্ট পরিমান লেখার অনুপ্রেরনা থাকবে। তবে প্রথম কিছুদিন ঝামেলা হলেও পেমেন্ট চাইলেই দিয়ে দেয়ার চেষ্টা করুন। দুই একবার পেমেন্ট নেয়ার পর মনে হয় না কারো অভিযোগ থাকবে। আর ১৬০০ ওয়ার্ড ক্যাটাগরীটা নিয়ে আবার ভাবার চেষ্টা করবেন। কিছু কিছু টপিক নিয়ে চাইলেও ছোট করে লেখা সম্ভব হয় না।
সবশেষে, আপনাদের প্লাটফর্মটি আমার মত অনেকেই আশার আলো হিসেবে দেখছেন। আশা করি আপনারাও তাদের প্রতি যত্নবান হবেন।
সুন্দর মতামতের জন্য ধন্যবাদ। এ যাবৎ পেমেন্ট চেয়ে পাননি এমন রেকর্ড কেউ দিতে পারবেন না। এমনকি, ৫টা লেখার পর পর পেমেন্ট নিচ্ছেন এমন একজনের মতামতও রয়েছে এখানে, যিনি নিয়মিতই পেমেন্ট গ্রহণ করছেন। যাইহোক, পেমেন্টের ব্যাপারে আমরা শতভাগ গ্যারান্টি দিচ্ছি। আর ১৬০০ ওয়ার্ডের আর্টিকেল নিয়ে ভাল করে ভাবার প্রয়োজন রয়েছে, বিবেচনায় থাকলো।
আমি একটা আর্টিকেল সাবমিট করেছিলাম সেটা পাবলিশ হয়েছে। কিন্তু কোন মেল পাইনি ইন্সট্রাকশনের যদিও বলেছিলেন মেল দিয়েছেন। এখন আরো একটা আর্টিকেল সাবমিট করতে চাইছি কিন্তু বুঝতে পারছি না কোথাও কোন কারেকশনের দরকার আছে কিনা।
স্প্যাম ফোল্ডার চেক করুন, আপনাকে মেইল করা হয়েছিল। নোটিশ বোর্ডে উল্লেখ করা ভুলগুলো না হলে কোন সমস্যা নেই, আপনার পরবর্তী লেখার অপেক্ষায় আছি।
পরবর্তী আর্টিকেল সাবমিট করেছি। চেষ্টা করেছি গতবারের দেয়া সব ইন্সট্রাকশন ফলো করতে। ইমেজ অপটিমাইজেশন শিখতে কিছুটা সময় লেগে গেল।
আপনার ২য় আর্টিকেল হুয়াওয়ে পি স্মার্ট হতে পারে আপনারও স্মার্ট চয়েস পাবলিশ হয়েছে। আপনার ইমেজ অপটিমাউজেশন এখনো পুরোপুরি ঠিক হয়নি। আমরা যে ব্যাকগ্রাউন্ড ইমেজটি দিয়েছিলাম সেটির পাশের সাইজ ৭২৫ পিক্সেল আর আমাদের ওয়েবসাইটের ইমেজ সাউজও ঠিক এইটাই। সুতরাং, আপনার নেয়া ইমেজটি যদি ব্যাকগ্রাউন্ডের উপর ঠিক মত বসান, তাহলে পাশের থেকে আপনাকে আর কাটতে হবে না। পাশ থেকে কাটলেই ইমেজটির সৌন্দর্য্য পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যায়। আপনাকে কাটতে হবে উপর নিচে। আর আপনি যে ইমেজটি দেবেন, সেটি একটু বড় সাইজ থেকে নামাবেন। এরপর ফটোশপে ইমেজটি খুলে প্রথমেই সাইজ বদল করে নেবেন। Width রাখবেন ৭০৫ কিংবা ৭১০, height যা আছে তাই থাকবে। এরপর ইমেজটিকে ব্যাকগ্রাউন্ডের উপর, ঠিক শ্যাডো দাগটির একটু উপরে বসিয়ে দেখেন, সম্পূর্ণভাবে মিলে যাবে। দেখতে মনে হবে ইমেজটি যেন পেজের উপর ভেসে আছে। আরেকটা বিষয়ে খেয়াল রাখবেন, যে ইমেজটি ব্যবহার করবেন সেটির যেন ব্যাকগ্রাউন্ডে কোন না কোন কালার থাকে, মানে হোয়াইট ব্যাকগ্রাউন্ডের ইমেজ না হলে ভাল হয়। কারণ, হোয়াইট ব্যাকগ্রাউন্ডের ইমেজ শ্যাডোটিকে ফুটিয়ে তুলতে পারে না। তবে ফিচার ইমেজের ক্ষেত্রে হোয়াইট হলে সমস্যা নেই, যেহেতু সেটিতে আমরা ব্যাকগ্রাউন্ড ইমেজটি ইউজ করছি না। যাইহোক, আশা করি, আপনার পরবর্তী আর্টিকেলের ইমেজগুলো সুন্দর দেখাবে।