Cart
No products in the cart.

প্রাণীদের মধ্যে কুকুরই মানুষের শ্রেষ্ঠ বন্ধু। কিন্তু, এই বন্ধুই হয়ে উঠতে পারে আচমকা শক্র। কারণ, প্রাণী তো প্রাণীই। তার মাঝে মানুষের মতো মানবিকতা যদিও থাকে, তবু এর পশুত্ব জেগে উঠাটা অস্বাভাবিক নয়। তাই, কুকুর কামড় দিলে কি করা উচিৎ আর কি করা উচিৎ নয়, তা জেনে রাখা সব কুকুরপ্রেমিরই প্রয়োজন।
কুকুরপ্রেম সবচেয়ে বেশি দেখা যায় ছোটদের মধ্যে। বড়রাও কুকুর পালতে ভালবাসেন বটে, তবে ছোটদের আগ্রহই বেশি থাকে এই পোষাপ্রাণীটির প্রতি। ছোটদের কাছে কুকুর খেলার সাথী। আর বড়দের কাছে প্রভুভক্ত হিসেবে রয়েছে কুকুরের দারুণ সুনাম। কিন্তু, যতই প্রভুভক্ত হোক না কেন, এই প্রাণীটি প্রায়ই মানুষকে কামড় দিয়ে বসে।
কুকুরের কামড় কোনও সাধারণ বিষয় নয়। কারণ, কুকুরের কামড় থেকে অনেক বড় ধরণের সমস্যা তৈরি হতে পারে। তাই, এই বিষয়টিকে বেমালুম ভুলে থাকা বা অহেতুক অবহেলা করা মোটেই উচিৎ নয়। তাই, জেনে নিন কুকুর সম্পর্কে যাবতীয় সকল তথ্য।
এক নজরে দেখে নিন যা আছে এই লেখায়-
নানা কারণেই কুকুর মানুষকে, এমনকি তার মণিবকেও কামড় দিয়ে থাকে। তবে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কুকুর যখন মানুষের কাছ থেকে কোন প্রকারের হুমকি (sudden threat) বোধ করে, তখনই সে কামড় দেয়ার জন্যে উদ্যত হয়। এটা অনেকটা নিজেকে মানুষের কাছ থেকে রক্ষা করার জন্যে। সেই সাথে এটা একটা প্রাকৃতিক প্রবৃত্তি (natural instinct) যা গৃহপালিত কুকুরসহ প্রায় সব ধরণের কুকুরের মধ্যেই বিদ্যমান।
এই কারণেই যারা কুকুর পালেন বা কুকুরের সাথে খেলতে বা মজা করতে ভালবাসেন, তাদের সকলেরই জেনে রাখা প্রয়োজন যে কী কী কারণে এটি কুকুর উদ্যত হয়ে উঠতে পারে। এমনকি, কামড় দিয়ে বসতে পারে। উল্লেখযোগ্য কিছু কারণ নিচে দেয়া হলো-
কুকুরের কামড় থেকে রক্ষা পাওয়ার টিপস্: কুকুরের বডি ল্যাংগুয়েজ বোঝার চেষ্টা করুন। দেখবেন যে, কামড় দেয়ার আগে সে সতর্কতামূলক কিছু শারীরিক অঙ্গভঙ্গি করে থাকে। ভাল করে খেয়াল করলে দেখবেন যে, তার চোখে-মুখে কিছু সতর্কতার চিহ্ণ ফুটে উঠেছে। যেমন, ঘেউ ঘেউ বা তর্জন গর্জন করা, অনমনীয় অঙ্গ-ভঙ্গি করা, বারবার এবং অতি দ্রুত লেজ নাড়ানো, ইত্যাদি। সুতরাং, ওই সময় সাবধান হয়ে যাবেন। তাকে বেশি ঘাঁটাতে যাবেন না।
আপনি হয়তো মানতে চাইবেন না যে, কুকুরের কামড়ের সর্বোচ্চ শক্তি ২ হাজার পাউন্ড, কিন্তু এটাই সত্যি। তবে, সব কুকুরের কামড়ে এত শক্তি থাকে না। আর সবসময় এত শক্তি তারা ব্যয়ও করে না। আসলে, কুকুরের কামড়ে কতটা শক্তি থাকে, তা নির্ভর করে সে কতটা রাগের সাথে, কতটা ফোর্সের সাথে কামড় দিচ্ছে, ঠিক তার উপর।
যেমন, কুকুর যদি খেলাচ্ছ্বলে কামড় দেয়, তবে তার শক্তি খুবই সামান্য থাকবে। যদি সাধারণ রাগ থেকে কামড় দেয়, তবে আরেকটু বেশি শক্তি থাকবে। কিন্তু যদি প্রচন্ড রাগ থেকে কামড় দেয়, তবে তার কামড়ে অনেক শক্তি থাকবে, এটাই স্বাভাবিক। অন্যদিকে, কুকুরের কামড়ের শক্তি অনেকটা তার চোয়াল ও তার মুখের সাইজের উপরও নির্ভর করে। এমনকি, কুকুরের শারীরিক গঠনের উপর কামড়ের শক্তির পরিমাণ অনেকাংশেই নির্ভরশীল।
কুকুর ও বিড়াল উভয়টিই পোষা প্রাণী এবং দু’টোকেই মানুষ পালতে পছন্দ করে আর কোনটাই মানুষকে কামড় দিতে দ্বিধা বোধ করে না। তবে, বিড়াল কামড় দিলে করণীয় বিষয় খুব একটা জটিল নয়, যদি শুরুতেই ব্যবস্থা নেয়া হয়। কারণ, বিড়ালের কামড় সাধারণত কুকুরের কামড়ের চেয়ে কম বিপদজনক হয়ে থাকে।
তবে, অবস্থাভেদে কুকুরের কামড়ের চেয়েও বিড়ালের কামড় বেশি ক্ষতিকারক হতে পারে। এটা অনেকটাই নির্ভর করছে কামড়ের ধরণ এবং শরীরের কোথায় কামড় দিয়েছে সেই অবস্থানের উপর।
পশুদের কামড় বিষয়ে বিভিন্ন গবেষণা থেকে দেখা গিয়েছে যে, বিড়ালের চেয়ে কুকুরের কামড়ই মানুষ বেশি খেয়ে থাকে। বিড়াল খুব কমই কামড়ায়। কিন্তু, কুকুরের কামড় খুবই কমোন একটা ব্যাপার। উভয়ের কামড়ের মধ্যে কিছু পার্থক্য তুলে ধরা হলো-

কুকুরের কামড় থেকে নানা রকম কমপ্লিকেশ তৈরি হতে পারে, যার মধ্যে ইনফেকশন, নার্ভ ও মাংশপেসী ড্যামেজ হওয়াসহ আরো কিছু ক্ষতিকর দিক রয়েছে।
ইনফেকশন
যে কোনও ধরণের ইনফেকশন হয় মূলত ব্যাকটেরিয়া থেকে। কুকুরের মুখে ব্যাকটেরিয়া বাস করে যা কুকুরের জন্যে ক্ষতিকর না হলেও মানুষের জন্যে ভয়াবহ। এসব ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে রয়েছে-
এছাড়াও, কুকুরের কামড় থেকে MRSA (Methicillin-resistant Staphylococcus aureus) ইনফেকশন হতে পারে। এই ইনফেকশনটা হয় স্ট্যাফাইলোকক্কাস নামক ব্যাকটেরিয়া বা জীবাণু থেকে।
সাধারণত যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, তাদের ক্ষেত্রে কুকুরের কামড় থেকে ইনফেকশন হওয়ার চান্স বেশি। সুতরাং, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর উপায় জেনে নিন এবং সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। এছাড়া, যাদের ডায়াবেটিস আছে, তাদের ক্ষেত্রেও ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাবণা প্রবল। সুতরাং, কুকুর কামড়ে দিলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করুন।
নার্ভ ও মাংসপেশী ড্যামেজ
কুকুরের কামড় যদি ত্বক বা চামড়া ভেদ করে অনেক ভেতরে প্রবেশ করে, তবে তা থেকে নার্ভ, মাংসপেশী এবং রক্তনালী (blood vessels) ড্যামেজ হওয়ার সম্ভাবণা থাকে। এমনকি, ছোট পর্যায়ের ক্ষত থেকেও এই ক্ষতি হতে পারে।
কুকুরের কামড় থেকে কমোনলি যে সমস্যাটা হয়, সেটা হচ্ছে ইনফেকশন। তবে, সবময়ই এবং সবার ক্ষেত্রেই যে ইনফেকশন হবে, তা নয়। কিন্তু, একবার যদি ইনফেকশন হয়ে যায়, তবে তা থেকে নানা রকম রোগ হতে পারে। তার মাঝে ৩টি কমোন এবং বড় ধরণের রোগ রয়েছে, যথা-
সেপসিস সম্পর্কে বিস্তারিত
সাধারণভাবে সব কুকুরের কামড় থেকেই সেপসিস হতে পারে। তবে, যেসব পোষা কুকুরকে আগে থেকেই ট্রিটমেন্ট করা হয়, বিশেষ করে টিকা দেয়া হয়, তাদের ক্ষেত্রে সেপসিস হওয়ার সম্ভাবণা কম। সেপসিস হচ্ছে মূলত ইনফেকশনের রিঅ্যাকশন, যা কোনও কোনও ক্ষেত্রে জীবননাশের কারণ হতে পারে। সেপসিসের লক্ষণগুলো হলো-
সেপসিসের চিকিৎসা: কুকুরের কামড় খাওয়ার পর উপরোক্ত লক্ষণগুলো যদি কারো মাঝে দেখা দেয়, তবে ধরে নেয়া যেতে পারে যে আক্রান্ত ব্যক্তি সেপসিসে ভুগছেন। এক্ষেত্রে, ডাক্তার দেখানো জরুরী। চিকিৎসা হিসেবে ডাক্তাররা সাধারণত অ্যান্টিবায়োটিক এবং intravenous fluids দিয়ে থাকেন।
জলাতঙ্ক বা র্যাবিস সম্পর্কে বিস্তারিত
জলাতঙ্ক একটি গুরুতর ভাইরাল অবস্থা যা শরীরের সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেমকে আক্রান্ত করে। সঠিক চিকিৎসা করা না হলে আক্রান্ত ব্যক্তি অল্প কিছু দিনের মধ্যেই মারা যেতে পারে। জলাতঙ্কের লক্ষণসমূহ-
জলাতঙ্কের চিকিৎসা: জলাতঙ্ক হলে জলদি জলদি ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া উচিৎ। জলাতঙ্কের চিকিৎসায় ডাক্তার সাধারণত যা দিয়ে থাকেন তা হচ্ছে series of rabies vaccines। এরপর রয়েছে rabies immune globulin।
টিটেনাস সম্পর্কে বিস্তারিত
টিটেনাস একটি ব্যাকটেরিয়া যা কুকুরের কামড় থেকে মানুষের শরীরে প্রবেশ করে থাকে এবং ইনফেকশনের সৃষ্টি করে। এটি একটি সিরিয়াস টাইপের ইনফেকশন, যার লক্ষণগুলো নিম্নরূপ-
টিটেনাসের চিকিৎসা: টিটেনাসে আক্রান্ত রোগীকে সর্ব প্রথম যা দেয়া হয়, তা হচ্ছে টিটেনাস ভ্যাকসিন। এরপর, টিটেনাস বুষ্টার শট। কিংবা, অ্যান্টিবায়োটিক দেয়া হয়ে থাকে।
কুকুর কামড় দিলেই যে ইনফেকশন হবে বিষয়টা এমন নয়। তবে, সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা করা না হলে ইনফেকশন হয়ে যেতে পারে। বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে চিকিৎসা নেয়ার পরও ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাবণা থাকে। নিম্নোক্ত লক্ষণগুলো দ্বারা ধরে নেয়া যেতে পারে যে ইনফেকশন হয়েছে।
কুকুরের কামড় খেলে করণীয় অনেক কাজ রয়েছে। যদি সেগুলো ঠিক মতো না করা হয়, তবে প্রথমে ইনফেকশন, পরে উপরে বর্ণিত রোগগুলোসহ আরো অনেক শারীরিক সমস্যা হতে পারে। কাজেই, কামড়ের পর করণীয় বিষয়গুলোকে অবশ্যই গুরুত্ব সহকারে নিতে হবে। সুতরাং, আসুন জানা যাক কী কী করণীয় রয়েছে-
এটা কি একটা সিঙ্গেল কামড়? নাকি মাল্টিপল? কামড়টা কি ছোট? নাকি বড় বা বিস্তৃত? কামড়টা মাংসতেই সীমাবদ্ধ নাকি হাঁড় পর্যন্ত লেগেছে? এসব কিছু আগে ইভালুয়েট করে নিতে হবে, এরপর সিদ্ধান্ত। সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে-
কামড় যদি সিঙ্গেল হয়, ছোট হয় এবং মাংসতেই সীমাবদ্ধ হয়, তবে আগে কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি অবলম্বণ করতে পারেন। পরে ধীরে সুস্থ্যে প্রয়োজন মাফিক ডাক্তারের কাছে যেতে পারেন। কিন্তু, কামড় যদি হয় মাল্টিপল, বিস্তৃত এবং হাঁড় পর্যন্ত, তবে দ্রুত গতিতে ডাক্তার দেখাতে হবে। যে কোনও হাসপাতাল বা ডাক্তারের চেম্বার থেকে আগে ইমার্জেন্সী ট্রিটমেন্ট নিতে হবে।
কুকুরের কামড় যদি চামড়া বা ত্বক ভেদ করে, তবে রক্ত পড়া খুবই স্বাভাবিক। এতে বোঝা যায় যে, আক্রান্ত স্থানের রক্তনালি (blood vessel) ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। যদিও রক্ত পড়া একদিক থেকে ভাল, এটি জীবাণু বের করে দেয়, তবু এটি বন্ধ করাও জরুরী। নৈলে ক্রিটিক্যাল মেডিকেল কন্ডিশন তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে, যদি অতি মাত্রায় রক্তক্ষরণ হয়, তবে অবশ্যই সেটা বন্ধ করার স্টেপ নিতে হবে।
সুতরাং, যদি দেখেন যে আক্রান্ত স্থান থেকে রক্ত বের হচ্ছে, তবে আপনার প্রথম কাজ হচ্ছে রক্ত পড়া বন্ধ করা। পরিস্কার একটি কাপড় বা গজ দিয়ে রক্তাক্রান্ত স্থানে হালকা করে প্রেশার দিতে থাকুন, যতক্ষণ না রক্ত পড়া বন্ধ হয়। সাধারণত, ২ থেকে ৫ মিনিটের মাথায় রক্ত বন্ধ হয়ে যায়। মোদ্দা কথা হলো, রক্ত পড়া না বন্ধ পর্যন্ত ঠিক যেখান দিয়ে রক্ত বের হচ্ছে সেখানে গজ বা কাপড় দিয়ে একটু জোরে প্রেশার দিতে থাকুন।
কুকুরের কামড় যদি সাধারণ ও ছোট আকারের হয়, বিশেষ করে আক্রান্ত স্থান যদি রক্তাক্ত না হয়, তবে তো বেশ ভাল ব্যাপার। কিন্তু, আক্রান্ত স্থানে যদি কুকুরের দাঁত চামড়া ভেদ করে ভেতর পর্যন্ত গিয়ে থাকে এবং স্থানটি থেকে রক্ত নির্গত হয়, তবে অবশ্যই সেটি ভালভাবে পরিস্কার করে নিতে হবে।
পরিস্কার করতে গরম পানি এবং সাবান ব্যবহার করতে পারেন। এক্ষেত্রে, এন্টিসেফটিক সাবান (যেমন, ডেটল সাবান বা সেভলন সাবান) ব্যবহার করাটাই ভাল হবে। প্রথমে গরম পানি দিয়ে আলতো করে পরিস্কার করে নিন। ফার্মেসী থেকে সার্জিকেল তুলা কিনে নিয়ে ব্যবহার করতে পারেন।
যেসব স্থানে রক্ত দেখা যাচ্ছে, সেসব স্থানে হালকা একটু চাপ দিয়ে রক্ত বের করে দিন। এতে করে রক্তের সাথে জীবাণুগুলো বেরিয়ে যাবে। ভাল করে পরিস্কার হয়ে গেলে ব্যান্ডেজ করে নিন। সেই সাথে, একজন ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া শুরু করুন, যাতে করে ভেতরে থাকা জীবাণুগুলো ধ্বংশ হয়ে যায় এবং বংশ বিস্তার করতে না পারে।
যদি আক্রান্ত স্থান এবং ক্ষতটি বড় ও গভীর হয়, তবে আগে পরিস্কার করে নিয়ে ডাক্তারের কাছে চলে যান। ডাক্তার বা হাসপাতাল যদি কাছাকাছি হয়, তবে পরিস্কার না করেই যেতে পারেন। এতে সুবিধা হবে যে, ডাক্তার আরো ভাল করে পরিস্কার করতে পারবেন। ফলে, আপনার ক্ষত স্থানটি পুরোপুরি জীবাণুমুক্ত হওয়ার সম্ভাবণা থাকবে বেশি। ডাক্তার আপনাকে জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন বা ইনজেকশন দেবেন। সাদরে গ্রহণ করুন।
আসলে কুকুর কামড় দিলে সাধারণ মানুষের তৎক্ষণাতই ডাক্তার দেখনো উচিৎ। কারণ, সাধারণ লোকের মধ্যে অধিকাংশই ঠিক মতো করণীয় কাজগুলো করতে পারেন না। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায়, পরিবারের সদস্যরা পেরেশান হয়ে যায়। যারফলে, সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারে না এবং সঠিক ব্যবস্থাও গ্রহণ করতে পারে না। ফলে, সঠিক ব্যবস্থাপনার জন্যে ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়াই ভাল। তবে, যারা একটু সচেতন আছেন, তাদের ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিকভাবে ডাক্তারের কাছে না গেলেও চলে। কিন্তু, আপনাকে অবশ্যই তখন ডাক্তারের কাছে যেতে হবে-
পরিবারের কাউকে কুকুর কামড়ে দিলে অন্যরা তড়িঘড়ি করে নানা রকম কাজ করে বসেন। আর এতে করে অনেক কিছু ভুল হয়ে যাওয়ার সম্ভাবণা থাকে। তাই, আগে থেকে যদি জেনে রাখা যায় যে, কী করা যাবে না, তবে আর ভুল হওয়ার সম্ভাবণা থাকে না। সুতরাং, নিম্নোক্ত বিষয়গুলো আগে থেকেই মনে রাখুন। যদি কুকুর কামড় দেয়, তবে-
কুকুর কামড় দিলে কি হয়, কি করতে হয় এবং কিভাবে কুকুরের কামড় প্রতিহত করতে হয়, তার সবই বিস্তারিত জানলেন। সুতরাং, কখনোই কুকুরের কামড়কে অবহেলা করবেন না। যদি ভাবেন যে, আমি তো কুকুর পালি না, কাজেই আমার সমস্যা নেই; তাহলে ভুল করবেন। কারণ, কুকুরের কামড় কুকুর পালনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। যে কোনও সময় যে কোনও স্থানেই কুকুর কামড় দিতে পারে। খোদ ঢাকা শহরে প্রতি বছর ৬৬ হাজার মানুষ কুকুর কামড়ের শিকার হয়। আর কুকুরের কামড় থেকে সৃষ্ট জলাতঙ্গ রোগ প্রতি মিনিটে একজনের প্রাণ কেড়ে নেয়। এবার আপনি ভাবুন যে, আপনার কতোটা সচেতন হওয়া উচিৎ।

আমি পেশায় একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, আমার ব্যবসাটি টেকনোলোজির সঙ্গে সম্পৃক্ত। এক বন্ধুর মাধ্যমে এ ওয়েবসাইটের সঙ্গে পরিচয়। ওয়েবসাইটটি ভাল লাগায় নিজেও এই ওয়েবসাইটের সঙ্গে বন্ধুত্ব করে নিলাম।

কুকুর কামড় দেয় কেনো?