Cart
No products in the cart.

কল ডাইভার্ট শব্দটির সাথে হয়তো অনেকে অপরিচিত। মজার ব্যাপার হল কল ডাইভার্ট সুবিধা পাওয়ার জন্য স্মার্টফোন থাকা জরুরি নয়। তো আপনি যদি ফিচার ফোন ব্যবহার করে থাকেন, তাহলেও এই লেখাটি এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। কেননা আপনার জীবনে হয়তো এমন কিছু পরিস্থিতি আসবে যখন এই কল ডাইভার্ট সেবাটির প্রয়োজন হবে।
লেখাটি খুব বেশী বড় হবে না, তাই লেখাটির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়লে আশা করি কল ডাইভার্ট সম্পর্কে অনেক কিছু জানবেন। কল ডাইভার্ট কি, এর সুবিধা ও অসুবিধা কি কি কিংবা চালু বা বন্ধ করার উপায় ইত্যাদি।
এক নজরে দেখে নিন যা আছে এই লেখায়-
স্মার্টফোন আমাদেরকে বহু সুবিধা দিয়ে যাচ্ছে, যেমন স্মার্টফোনে এখন হাতে না লিখেও টাইপ করা যায়, আপনি মুখে বাংলায় বলবেন আর সেটা আপনার স্মার্টফোনে টাইপ হয়ে যাবে। স্মার্টফোন থেকে এখন কম্পিউটারের মত প্রিন্ট করা যায়। এরকম আরো বহু সুবিধা রয়েছে স্মার্টফোনে। ছোট হলেও স্মার্টফোনের একটি দরকারি ফিচার হল কল ডাইভার্ট। আসুন, জানি এটি কি, এর সুবিধা কি এবং কিভাবে ব্যবহার করা যায়।

আভিধানিকভাবে যদি অর্থ করি, তবে এর অর্থ দাঁড়ায় কল স্থানান্তর বা পৃথক করা। আসলে এর আভিধানিক অর্থের মতোই এর কাজ। অর্থ্যৎ আপনার ফোনে যত কল আসবে তা অন্য নাম্বারে ট্রান্সফার করে দেওয়ার নাম কল ডাইভার্ট।
এটা আপনি ফোনের সেটিংস অথবা নির্দিষ্ট সিমের নির্দিষ্ট নাম্বার ডায়াল করে চালু করতে পারেন। তবে অনেক ফোনে এটা কল ফরোয়ার্ড নামে আছে, যদিও দুটির কাজ একই রকম।
আপনার যদি একাধিক সিম থাকে কিন্তু আপনি একটি মাত্র সিম ব্যবহার করতে যাচ্ছেন, সেক্ষেত্রে বন্ধ করে রাখা সিম গুলো ডাইভার্ট অপশন চালু রাখলে আপনি চালু রাখা নাম্বারে কল রিসিভ করার সুবিধা পাবেন।
ফোন বন্ধ থাকলেও কাঙ্ক্ষিত নাম্বারে কল যাবে।
ফোন বিজি থাকলে কাঙ্ক্ষিত নাম্বারে কল চলে যাবে।
এছাড়া শুধুমাত্র ফোন বন্ধ থাকলে কাঙ্ক্ষিত নাম্বারে কল চলে যাবে এরকমভাবেও চালু করা যায়।
আর কল ডাইভার্ট করার অসুবিধা হল, কিছু সিম কোম্পানি আছে যারা কল ডাইভার্টের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা চার্জ করে।
মোবাইল থেকে কল ডাইভার্ট চালু করার জন্য যেকোন ফোন থেকে সেটিংসে গিয়ে Call Forward অথবা Call Divert অপশনটি খুঁজে বের করুন। তারপর সেখানে ৪টি অপশন পাবেন যেমন:
উপরের অপশনগুলোতে ক্লিক করে আপনার কাঙ্ক্ষিত নাম্বার দিন অর্থ্যৎ যে নাম্বারটিতে আপনার কল যাবে। তারপর দেখবেন কল ডাইভার্ট চালু হয়ে গেছে।
কল ডাইভার্ট বন্ধ করার জন্য আগে যে অপশনগুলো চালু করেছিলেন, সেখানে গিয়ে Disable করে দিন।
যদিও প্রায় সব স্মার্টফোন, এমনকি যে কোন সাধারণ ফোনেই কল ডাইভার্ট করার অপশন থাকে, তথাপি আপনি চাইলে আপনার অপারেটর কোম্পানীর মাধ্যমেও এটি চালু এবং বন্ধ করতে পারবেন। অর্থাৎ, আপনি যে কোম্পানীর সিম ব্যবহার করেন, সে কোম্পানীর সিমের ফাংশন থেকেও এই সেবাটি নিতে পারেন। নিচে বিভিন্ন অপারেটর কোম্পানীর কল ডাইভার্ট করার অপশনগুলো দেয়া হল-
গ্রামীনফোন
বাংলালিংক
রবি
রবির কল ডাইভার্ট করার পদ্ধতি
পূর্বে বলা হয়েছে কল ডাইভার্ট সেবাটি ব্যবহারের ক্ষেত্রে বেশ কিছু সিম কোম্পানি চার্জ ধার্য করে থাকে। তাই সেবাটি ব্যবহারের পূর্বে অবশ্যই চার্জের ব্যাপারে চিন্তা করে নিবেন।

আমি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত তবে আমি ওয়েব এবং গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসাবে কাজ করি। হৈচৈ বাংলাতে পোষ্ট পড়ার পাশাপাশি লিখার সুবর্ণ সুযোগ পেয়ে ভালোই লাগছে।

গ্রামীন সিম এখন আর আগের মত ভালো সেবা দিচ্ছে না 😔😔😔