Cart
No products in the cart.

যে কাজটি সহজে করা যায় সেটি স্বাভাবিক কেউই অপেক্ষাকৃত জটিল পন্থায় করতে চাইবে না। সবাই চায় সহজে, অল্প সময়ে নিখুঁতভাবে একটি কাজ করতে। কম্পিউটারের ক্ষেত্রে যার ফলাফল হিসেবে তৈরী হয়েছে কী-বোর্ড শর্টকাট। আজকে আমরা গুগল ডকস এর শর্টকাট দেখবো যার সাহায্য কাজ যেমন সহজ হবে, তেমনি কাজের গতিও বেড়ে যাবে বহুগুণে।
গুগল ডকস গুগলের ১৮ টি ফ্রি সার্ভিসের একটি। এটি একটি ক্লাউড ভিত্তিক ওয়ার্ড প্রসেসিং অ্যাপ্লিকেশন। ইন্টারনেট সংযোগ আছে এমন একটি কম্পিউটার থেকে শুধুমাত্র একটি ব্রাউজার এবং একটি গুগল একাউন্ট থাকলেই এটি ব্যবহার করা যায়। পারসোনাল কাজের ক্ষেত্রে এটি মাইক্রোসফট ওয়ার্ড এর বিকল্পও বটে।
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের ৩০টি শর্টকাট অনেকেই জানেন। গুগল ডকস্ মাইক্রোসফট্ ওয়ার্ডের মতোই একটি ওয়ার্ড প্রসেসিং টুলস। পারসোনাল ইউজের জন্য এটি একদম ফ্রি হওয়ায় এর জনপ্রিয়তা বেড়েই চলেছে। আজকে এখানে আমি এর ৩২টি শর্টকাট নিয়ে কথা বলবো, যেগুলো আমার কাছে সবচেয়ে বেশি কাজের বলে মনে হয়েছে। চলুন কথা না বাড়িয়ে ঝটপট দেখে গুগল ডকস এর কীবোর্ড শর্টকাটগুলো।
এক নজরে দেখে নিন যা আছে এই লেখায়-

মূল লেখায় যাওয়ার আগে বলে নিই, গুগল ডকস থেকেই এর সবগুলো কীবোর্ড শর্টকাট এর তালিকা দেখে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। তাই আমি এখানে আমার কাছে কাজের মনে হয়েছে এমন ৩২ টি কীবোর্ড শর্টকাট নিয়ে আলোচনা করেছি, যেন প্রয়োজনের সময় সহজেই এখান থেকে দেখে নিতে পারেন।
কেউ যদি গুগল ডকস এর পূর্ণাঙ্গ শর্টকাট কী এর তালিকা দেখতে চান তাহলে এখানে ক্লিক করুন। অথবা গুগল ডকস এ গিয়ে উইন্ডোজ বা ক্রোম অপারেটিং সিস্টেমের ব্যবহারকারী হলে Crtl+/ চাপুন এবং ম্যাক অপারেটিং সিস্টেমের ব্যবহারকারী হলে Cmd+/ চাপুন।
এই শর্টকাট কী গুলো আসলে গুগল ডকস এর জন্য স্পেসেফিক না। দৈনন্দিন কম্পিউটার ব্যবহারের প্রায় সকল ক্ষেত্রে কাট, কপি, পেস্টের এই শর্টকাটগুলো কাজে লাগে। গুগল ডকসেও রয়েছে এসব প্রয়োজনীয় শর্টকাটের ব্যবহার।
ক্যারেক্টারকে বোল্ড, ইটালিক অন্য কোনভাবে ফরম্যাটিং করার জন্য রয়েছে প্রচলিত কিছু শর্টকাট। এছাড়াও যে কোন টেক্সটের ফরম্যাট কপি করে পেস্ট অর্থাৎ মাইক্রোসফট ওয়ার্ড এর ফরম্যাট পেইন্টিং অপশনটিও ব্যবহার করা যাবে এসব শর্টকাট ব্যবহার করে।
গুগল ডকে শর্টকাট ব্যবহার করে একটি ক্যারেক্টার থেকে শুরু করে পুরো ডকুমেন্ট ইচ্ছে মতো সিলেক্ট করতে পারবেন; কীভাবে চলুন দেখে নিই।
ডিকশনারী, ভয়েস টাইপিং এর মতো বেশকিছু দারুণ ফিচার আছে গুগল ডকে। এসব ফিচার ব্যবহার করা যাবে নিচের শর্টকাটগুলোর মাধ্যমে।
আজকের মতো এই ছিলো গুগল ডকস এর শর্টকাট। আপনি যদি ইতিমধ্য গুগল ডকস এর ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন, তাহলে আশা করি, আপনার দরকারী কীবোর্ড শর্টকাটগুলো কাজে লাগবে। গুগল ডকস সম্পর্কে আরও কিছু জানতে কিংবা কোন প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করে আমাদের জানান।

মূলত, পাঠক। পড়তেই ভালো লাগে। সেটা কাগজের বই কিংবা স্ক্রিনে ইবুক, যাইহোক না কেন। পাঠ্যবই না হলেই আমি খুশি।
পড়াশোনা করছি পদার্থবিজ্ঞানে।
প্রযুক্তির বিষয়ক লেখা পড়তে সবসময়ই একটু বেশি ভালো লাগে। আর নতুন কিছু জেনে কাউকে সেটা জানাতে পারলে আনন্দটা একশগুণ হয়ে যায়। অবসরে টুকিটাকি লেখার চেষ্টা করার পিছনে সেই লোভটুকু ভালোভাবেই কাজ করে! 🙂
