Cart
No products in the cart.

কেমন মজা হবে যদি বন্ধু-বান্ধব কিংবা পরিচিত কারো নাকের উপর একটি বিড়ালের পশমওয়ালা নাক বসিয়ে দেন আর পাঠিয়ে দেন তার কাছে! কিংবা মাথার দুই পাশে বসিয়ে দেন দুইটা শিং! অথবা মুখে লাগিয়ে দেন ইয়া লম্বা একটি জিহ্বা আর পোস্ট করে দেন ফেসবুকে! হুম, আপনার যদি একটি অ্যান্ড্রয়েড ফোন থাকে আর ডাউনলোড করে নেন কিছু ফেস সোয়্যাপ অ্যাপ, তাহলে এইসব থেকেও আরো মজার মজার কাজ করতে পারবেন বন্ধুদের ফটোর উপর। চমকে দিতে পারবেন তাদের চেহারা পাল্টে দিয়ে।
এক নজরে দেখে নিন যা আছে এই লেখায়-
ফেসবুকসহ অন্যান্য সোশাল মিডিয়াগুলোতে মানুষ সাধারণত যে কাজটি সবচেয়ে বেশি করে সেটি হচ্ছে ফটো শেয়ার। তার মাঝে সেলফিটাই সবচেয়ে বেশি চান্স পায়। নিজের সেলফি হোক আর বন্ধুদের আড্ডা হোক, সব ছবিই এখন একঘেঁয়ে লাগে।
অন্যান্য দেশের লোকজন এই একঘেঁয়েমি থেকে বেরিয়ে গেছে অনেক আগেই, বিশেষ করে যখন ফটো সোয়্যাপ অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট শুরু হয়েছে। ফেস সোয়্যাপ অ্যাপের ব্যবহার শুরু হয় ২০১৫ এর শেষের দিকে। আর এই সব অ্যাপ দিয়ে এডিট করা ফটো শেয়ারিং এর জোয়ার ওঠে এ বছরের শুরুর দিকে। বছরটি শেষ, কিন্তু শেষ হয়নি ফেস সোয়্যাপের দিন। নতুন বছরকে স্বাগত জানান নিচের ফটো সোয়্যাপ অ্যাপগুলো দিয়ে নিজের ছবি কিংবা অন্যদের ছবিতে মজার মজার কারুকার্য্য যুক্ত করে।
আরো পড়ুন:
ফেস সোয়্যাপ আপনাকে শুধু বন্ধু-বান্ধব আর ফ্যামিলির সঙ্গে ফেস বদল করার মজাই দেবে না, এটি একই সঙ্গে বিশ্ব-বিখ্যাত সুপার ষ্টারদের সঙ্গেও মজা করার সুযোগ দেবে। এমনকি, কিউট কেটসহ নানা রকম পাখি এবং পোষা প্রাণীর সঙ্গেও আপনি ফেস বদল করতে পারবেন।
সুন্দর সুন্দর স্টিকার বসিয়ে আপনার চেহারায় ফানি লুক আনতে এই অ্যাপটি আপনাকে দারুণ সাহায্য করবে। অ্যাপটির বিভিন্ন ফিচারের মধ্যে রয়েচে স্ন্যাপ ভিডিও, মোশন সোয়্যাপ, স্ন্যাপ স্টিকার, স্টিকার সেট, স্নেপ ফটো, ফটো সোয়্যাপ, স্ন্যাপ ফেস, ক্লাসিক কোলাজ ইত্যাদি।

রিয়েল টাইমে বন্ধু-বান্ধব কিংবা যে কোন সেলিব্রেটির সঙ্গে চেহারা পাল্টানোর জন্য একটি অন্যতম সেরা ফেস সোয়্যাপ অ্যাপ এটি। ধরা যাক, মেরিলিন মনরো আপনার প্রিয় নায়িকা আর আপনি চাইছেন তার সাথে নিজের ছবি তুলতে কিংবা ভিডিও করতে। মেরিলিন মনরো যদিও বেঁচে নেই, কিন্তু এই অ্যাপটি আপনাকে সুযোগ করে দিচ্ছে মেরিলিন মনরোর সঙ্গে জীবন্ত ছবি তুলতে কিংবা ভিডিও করতে। তাহলে, আর দেরি কেন, তাড়াতাড়ি ডাউনলোড করে নিন, আর বিভিন্ন সেলিব্রেটির সঙ্গে লাইভ ভিডিও করে বন্ধুদের চমকে দিন।

এই অ্যাপটি আপনাকে একই সঙ্গে অনেক ফটোতে সোয়্যাপ করার অপশন দিচ্ছে। আবার একই ছবির অনেক ইফেক্ট ব্যবহার করার অপশনও রয়েছে অ্যাপটিতে। আপনি যদি আজীবনের জন্য আপনার ছবিগুলো স্টোর করে রাখতে চান, তাও করতে পারবেন এই ফেস সোয়্যাপ অ্যাপ দিয়ে। সবচেয়ে মজার পার্ট হচ্ছে, যে কোন ছবিতে ম্যানুয়্যালি কাজ করা যায়, আবার অটোমেটিক সোয়্যাপের ভারটি আপনি ছেড়ে দিতে পারেন অ্যাপটির উপর।

আরো অনেক ফেস সোয়্যাপ অ্যাপ রয়েছে অনলাইন জুড়ে। তবে বেশিরভাগ অ্যাপের ফিচারগুলো এখানে দেয়া এই ৩টি অ্যাপের মতই। তারওপর, অধিকাংশ অ্যাপই কিনতে হবে বলে সেগুলো আর লিস্ট করা হল না। আশা করি, চেহারা বদলে বন্ধুদের সঙ্গে মজা করার জন্য এই ৩টি অ্যাপই যথেষ্ট্য। আর এগুলোই সেরা। আপনার বন্ধুদের এই মজার ফটো এডিটিংয়ে ইনভল্ব করতে পোস্টটি আপনার ফেসবুকে শেয়ার করে দিন।

আমি নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং-এ অধ্যায়নরত। হৈচৈ বাংলা ওয়েবসাইটে মাঝে মধ্যে শখের বশে লিখি; যদিও টেকনোলোজি আমার পড়াশুনার সঙ্গে সম্পৃক্ত, তবু যে কোন বিষয়েই লিখতে ভাল লাগে।
