Cart
No products in the cart.

বাজারে যেসব শ্যাম্পু পাওয়া যায়, সেগুলোর কোনোটি তৈলাক্ত মাথার ত্বকের জন্য, কোনোটি শুষ্ক চুলের জন্য, আবার কোনোটি খুশকি, চুলের ক্ষতি, রুক্ষতা বা চুলের রং ধরে রাখার মতো নির্দিষ্ট প্রয়োজনের কথা মাথায় রেখে তৈরি করা হয়। আপনাকে জানতে হবে কোন চুলে কোন ধরনের শ্যাম্পু ব্যবহার করবেন।
কারণ, বিভিন্ন কোম্পানী, ব্র্যান্ড আর বিভিন্ন ধরনের শ্যাম্পুর মধ্যে কোনটি নিজের জন্য বেছে নেওয়া উচিত, তা অনেক সময় সহজ হয় না। শুধু পরিচিত ব্র্যান্ড বা আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপন দেখে শ্যাম্পু কিনলে সেটি আপনার চুলের বর্তমান প্রয়োজনের সঙ্গে নাও মিলতে পারে।
তাই শ্যাম্পু কেনার আগে একটি বিষয় বোঝা গুরুত্বপূর্ণ- আপনার চুলের ধরণ কি আর সেটার সাথে ধরণের শ্যাম্পু সবচেয়ে মানানসই এবং উপকারি।
মাথার ত্বকে অতিরিক্ত তেল জমছে কি না, চুল শুষ্ক বা রুক্ষ কি না, খুশকি আছে কি না, চুলে রং করা হয়েছে কি না এবং চুল পড়ার মতো সমস্যা হচ্ছে কি না-এসব বিষয়ও বিবেচনা করতে হয়।
এই লেখায় বিভিন্ন ধরনের চুল ও চুলের সমস্যার ক্ষেত্রে কী ধরনের শ্যাম্পু বিবেচনা করা যেতে পারে, তা সহজভাবে আলোচনা করা হলো।
এক নজরে দেখে নিন যা আছে এই লেখায়-
শ্যাম্পু মূলত মাথার ত্বক পরিষ্কার করার জন্য ব্যবহার করা হয়। মাথার ত্বকে জমে থাকা অতিরিক্ত তেল, ঘাম, মৃত কোষ এবং বিভিন্ন চুলের যত্নের পণ্যের অবশিষ্টাংশ পরিষ্কার করতে এটি সাহায্য করে।
তাই, শ্যাম্পু বাছাইয়ের সময় শুধু চুলের আগা বা চুল দেখতে কেমন, সেটি বিবেচনা করা যথেষ্ট নয়। মাথার ত্বক এবং চুলের দৈর্ঘ্যের অবস্থা আলাদা হতে পারে।
আমেরিকান একাডেমি অব ডার্মাটোলজি চুলের ধরন অনুযায়ী চুলের যত্নের পণ্য বেছে নেওয়ার পাশাপাশি মাথার ত্বকের অবস্থা বিবেচনা করার পরামর্শ দেয়। শ্যাম্পু সাধারণত মাথার ত্বকে ব্যবহার করাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ; সারা মাথা জুড়ে কিংবা সম্পূর্ণ চুলের আগা থেকে গোড়া পর্যন্ত শ্যাম্পু করলে সাধারণত চুল উসকো খুসকো বা শুস্ক হয়ে যায়।
আগে জানুন আপনার চুলের ধরণ কি। এরপর, নিচের লেখা দেখে আপনার ধরণের সঙ্গে যেটি মিলে যায় সেটিকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিন।
যাদের মাথার ত্বকে দ্রুত তেল জমে যায়, তাদের চুল অল্প সময়ের মধ্যেই চিটচিটে বা ভারী মনে হতে পারে। এ ক্ষেত্রে এমন শ্যাম্পু বেছে নেওয়া যেতে পারে, যা অতিরিক্ত তেল ও জমে থাকা ময়লা পরিষ্কার করতে উপযোগী।
শ্যাম্পুর বোতলে “Oily Hair”, “Oil Control”, “Clarifying” বা “Deep Cleansing”-এর মতো শব্দ থাকলে সেটি তৈলাক্ত চুল বা মাথার ত্বকের জন্য তৈরি কি না, তা বোঝার একটি সূত্র পাওয়া যায়।
তবে, অতিরিক্ত পরিষ্কার করার ক্ষমতাসম্পন্ন শ্যাম্পু প্রতিবার পুরো চুলের দৈর্ঘ্যে ব্যবহার করার প্রয়োজন নেই। বিশেষ করে চুলের আগা যদি শুষ্ক হয়, তাহলে মাথার ত্বকে পরিষ্কার করার দিকে বেশি মনোযোগ দেওয়া এবং চুলের দৈর্ঘ্যে কন্ডিশনার ব্যবহার করা যেতে পারে।
মাথার ত্বক কত দ্রুত তৈলাক্ত বা নোংরা হচ্ছে, তার ওপর শ্যাম্পু করার প্রয়োজনীয়তাও নির্ভর করে। তৈলাক্ত মাথার ত্বক বা সোজা চুলের ক্ষেত্রে তুলনামূলক ঘন ঘন শ্যাম্পু করার প্রয়োজন হতে পারে।
চুল যদি বারবার খসখসে, শক্ত, প্রাণহীন বা সহজে জট পাকানো মনে হয়, তাহলে খুব বেশি পরিষ্কার করার ক্ষমতাসম্পন্ন শ্যাম্পু ব্যবহারে সতর্ক থাকা ভালো।
এ ধরনের চুলের জন্য শ্যাম্পুর বোতলে “Moisturizing”, “Hydrating”, “Nourishing”, “Dryness Care”, “Smoothing” বা “Repair”-এর মতো শব্দ দেখতে পারেন। এগুলো সাধারণত চুলের শুষ্কতা, রুক্ষতা, মসৃণতা বা ক্ষতিগ্রস্ত চুলের যত্নের দিকে ইঙ্গিত করে।
অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পণ্যের নামের মাঝে চুলের মসৃণতা, শুষ্কতা বা আর্দ্রতার যত্নের ইঙ্গিত পাওয়া যায়। তাই, শ্যাম্পু কেনার সময় শুধু “Dry Hair” লেখা খোঁজার পরিবর্তে এই ধরনের শব্দও খেয়াল করতে পারেন।
তবে কোনো একটি শব্দ দেখেই শ্যাম্পুটিকে আপনার চুলের জন্য উপযুক্ত ধরে নেওয়া উচিত নয়। আপনার মাথার ত্বক তৈলাক্ত নাকি শুষ্ক, চুলে রং করা হয়েছে কি না এবং চুল কতটা রুক্ষ-এসব বিষয়ও বিবেচনা করুন।
শুষ্ক চুলের ক্ষেত্রে শ্যাম্পুর পাশাপাশি কন্ডিশনার ব্যবহার করাও গুরুত্বপূর্ণ। কন্ডিশনার চুলকে নরম করতে এবং আঁচড়ানোর সময় চুলে টান কমাতে সাহায্য করতে পারে।
খুশকি থাকলে সাধারণ পরিষ্কার করার শ্যাম্পুর পাশাপাশি খুশকির জন্য তৈরি বিশেষ শ্যাম্পু বিবেচনা করা যেতে পারে।
খুশকির শ্যাম্পুতে জিঙ্ক পাইরিথিয়ন, স্যালিসাইলিক অ্যাসিড, সালফার, সেলেনিয়াম সালফাইড, কেটোকোনাজল বা কয়ল টার-এর মতো সক্রিয় উপাদান থাকতে পারে। কোন উপাদান আপনার জন্য উপযোগী এবং পণ্যটি কতবার ব্যবহার করতে হবে, তা পণ্যের নির্দেশনা অনুযায়ী মেনে চলা উচিত।
খুশকির শ্যাম্পু ব্যবহার করার সময় শুধু চুলে লাগানোর পরিবর্তে মাথার ত্বকে ভালোভাবে পৌঁছানো গুরুত্বপূর্ণ। কিছু পণ্য ধুয়ে ফেলার আগে কয়েক মিনিট মাথার ত্বকে রেখে দিতে বলা হয়। তবে, প্রতিটি পণ্যের নির্দেশনা আলাদা হতে পারে।
খুশকি দীর্ঘদিন থাকলে বা অতিরিক্ত চুলকানি, লালভাব কিংবা অন্য কোনো সমস্যা দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো। কারণ মাথার ত্বকের খোসা ওঠার পেছনে খুশকি ছাড়াও অন্য সমস্যা থাকতে পারে।
চুলে রং করার পর অনেকেই এমন শ্যাম্পু খোঁজেন, যা চুল পরিষ্কার করার পাশাপাশি রঙ করা চুলের যত্নের জন্যও উপযোগী।
এ ক্ষেত্রে বোতলে “Color Protect”, “Color Care”, “Color-Safe” বা “For Color-Treated Hair”-এর মতো শব্দ খুঁজে দেখতে পারেন। এগুলো সাধারণত রঙ করা চুলের জন্য তৈরি পণ্যের পরিচিতি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
শুধু শ্যাম্পুর নামের ওপর নির্ভর না করে পণ্যের লেবেলে সেটি রঙ করা চুলের জন্য উপযোগী কি না, তা দেখে নেওয়া ভালো।
রঙ করা চুল যদি একই সঙ্গে শুষ্ক বা রুক্ষ হয়ে থাকে, তাহলে শুধু “Color Care” নয়, Moisturizing বা Nourishing ধরনের বৈশিষ্ট্যও বিবেচনা করা যেতে পারে।
পাতলা চুলের জন্য এমন শ্যাম্পু বেছে নিন যা চুল পরিষ্কার করবে কিন্তু ভারী করবে না।
কী খুঁজবেন
যা এড়িয়ে চলবেন
ব্যবহারের টিপস
ঘন বা মোটা চুলে মাথার ত্বক পরিষ্কার করার পাশাপাশি চুলের দৈর্ঘ্যে আর্দ্রতা ধরে রাখার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
এ ধরনের চুলের ক্ষেত্রে “Moisturizing”, “Hydrating”, “Nourishing”, “Smoothing” বা “Frizz Control”-এর মতো বৈশিষ্ট্যযুক্ত শ্যাম্পু বিবেচনা করা যেতে পারে-বিশেষ করে চুল যদি রুক্ষ বা সহজে জট পাকায়।
ঘন ও কোঁকড়া চুলের ক্ষেত্রে শ্যাম্পু করার সময়ও কিছুটা আলাদা যত্ন প্রয়োজন হতে পারে। আমেরিকান একাডেমি অব ডার্মাটোলজি বলছে, ঘন বা কোঁকড়া চুলের ক্ষেত্রে প্রয়োজন অনুযায়ী শ্যাম্পু করা এবং চুলের ধরন অনুযায়ী কন্ডিশনার ব্যবহার করা গুরুত্বপূর্ণ।
কোঁকড়া বা ঢেউ খেলানো চুল অনেক সময় সহজে শুষ্ক, রুক্ষ ও জট পাকানো হয়ে যেতে পারে। তাই, এ ধরনের চুলের ক্ষেত্রে খুব বেশি শুষ্ক করে দিতে পারে এমন শ্যাম্পু ব্যবহারে সতর্ক থাকা ভালো।
শ্যাম্পুর বোতলে “Curly Hair”, “Moisturizing”, “Hydrating”, “Curl Care” বা “Frizz Control”-এর মতো শব্দ থাকলে সেটি আপনার চুলের প্রয়োজনের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা যেতে পারে।
কোঁকড়া চুলে কন্ডিশনারের ব্যবহারও গুরুত্বপূর্ণ। আমেরিকান একাডেমি অব ডার্মাটোলজি শুষ্ক বা কোঁকড়া চুলের ক্ষেত্রে চুলের পুরো দৈর্ঘ্যে কন্ডিশনার ব্যবহারের পরামর্শ দেয়।
চুল পড়া শুরু হলে অনেকেই প্রথমেই “Hair Fall” বা “Anti-Hair Fall” লেখা শ্যাম্পু খোঁজেন। বাজারে এ ধরনের অনেক পণ্য পাওয়া যায়।
তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখা দরকার-চুল পড়ার কারণ সব সময় শ্যাম্পু দিয়ে সমাধান করা যায় না। চুল পড়ার পেছনে বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে এবং শুধু শ্যাম্পু পরিবর্তন করলেই মূল কারণ দূর হবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। আমেরিকান একাডেমি অব ডার্মাটোলজি চুল পড়ার ক্ষেত্রে কারণ নির্ণয়ের জন্য চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়ার কথা বলে।
চুল পড়ার সঙ্গে যদি চুল ভেঙে যাওয়া, শুষ্কতা বা দুর্বলতার সমস্যাও থাকে, তাহলে কোমল শ্যাম্পু ব্যবহার করা এবং প্রতিবার শ্যাম্পুর পর কন্ডিশনার ব্যবহার করা যেতে পারে। চুল পড়ার সমস্যায় চুল তুলনামূলক ভঙ্গুর হতে পারে, তাই অতিরিক্ত ঘষাঘষি বা রুক্ষভাবে চুল পরিষ্কার না করাও গুরুত্বপূর্ণ।
অর্থাৎ, “Anti-Hair Fall” লেখা আছে বলেই শ্যাম্পুটি চুল পড়ার মূল কারণের চিকিৎসা করবে-এমন ধারণা করা ঠিক নয়।
শ্যাম্পু কেনার সময় শুধু ব্র্যান্ডের নাম বা বিজ্ঞাপনের দাবি না দেখে বোতলের লেবেল পড়ার অভ্যাস করা ভালো।
প্রথমে দেখুন, শ্যাম্পুটি কোন ধরনের চুল বা মাথার ত্বকের জন্য তৈরি। এরপর আপনার প্রয়োজনের সঙ্গে মিল আছে এমন শব্দ খুঁজুন।
যেমন-
| শ্যাম্পুর লেবেলে যে শব্দ থাকে | সাধারণত কোন ধরনের চুলের জন্য |
| Oily Hair / Oil Control | তৈলাক্ত চুল বা মাথার ত্বকের জন্য |
| Moisturizing / Hydrating | শুষ্ক বা পানিশূন্য চুলের জন্য |
| Nourishing | শুষ্ক বা রুক্ষ চুলের যত্নের জন্য |
| Smoothing / Frizz Control | রুক্ষ বা এলোমেলো চুলের জন্য |
| Volumizing | পাতলা বা চ্যাপ্টা দেখানো চুলের জন্য |
| Color Care / Color Protect | রঙ করা চুলের জন্য |
| Anti-Dandruff | খুশকির সমস্যার জন্য |
| Repair / Damage Care | ক্ষতিগ্রস্ত বা দুর্বল চুলের যত্নের জন্য |
তবে এগুলো কোনো কঠোর শ্রেণিবিভাগ নয়। একই শ্যাম্পুতে একাধিক বৈশিষ্ট্যের উল্লেখ থাকতে পারে। যেমন কোনো শ্যাম্পু একই সঙ্গে Hydrating এবং Smoothing হতে পারে।
খুশকির শ্যাম্পুর ক্ষেত্রে আরও সতর্কভাবে লেবেল পড়া উচিত, কারণ সক্রিয় উপাদান এবং ব্যবহারের নিয়ম পণ্যভেদে আলাদা হতে পারে।
আগের একটি লেখায় আপনি ফেস ওয়াশ বাছাই সম্পর্কে বিস্তারিত জেনেছেন। আজকে জানুন শ্যাম্পু বাছাই সম্পর্কে।
শ্যাম্পু বাছাইয়ের সবচেয়ে সহজ উপায় হলো প্রথমে আপনার প্রধান সমস্যাটি নির্ধারণ করা। তারপর সেই সমস্যার সঙ্গে সম্পর্কিত শ্যাম্পুর বৈশিষ্ট্য খুঁজে দেখা।
যেমন-
| চুল বা মাথার ত্বকের অবস্থা | যে ধরনের শ্যাম্পু বিবেচনা করতে পারেন |
| মাথার ত্বক দ্রুত তৈলাক্ত হয় | Oil Control, Oily Hair বা Clarifying |
| চুল শুষ্ক ও রুক্ষ | Moisturizing, Hydrating, Nourishing বা Dryness Care |
| খুশকি আছে | Anti-Dandruff |
| চুলে রং করা হয়েছে | Color Care বা Color Protect |
| চুল পাতলা বা চ্যাপ্টা | Volumizing বা Lightweight |
| চুল ঘন ও রুক্ষ | Moisturizing, Hydrating, Nourishing বা Smoothing |
| চুল কোঁকড়া বা ঢেউ খেলানো | Hydrating, Moisturizing, Curl Care বা Frizz Control |
চুল পড়ছে ? কোমল শ্যাম্পু বেছে নিন এবং চুল পড়ার কারণ বোঝার দিকে গুরুত্ব দিন। শুধু “Anti-Hair Fall” লেখা দেখে সিদ্ধান্ত নেবেন না।
শেষ পর্যন্ত কোন চুলে কোন ধরনের শ্যাম্পু ব্যবহার করবেন, তার উত্তর সবার জন্য এক নয়। আপনার মাথার ত্বকের অবস্থা, চুলের গঠন এবং বর্তমানে চুলের কী ধরনের যত্ন প্রয়োজন-এই তিনটি বিষয় একসঙ্গে বিবেচনা করলেই শ্যাম্পু বেছে নেওয়া সহজ হবে।
আর একটি বিষয় মনে রাখা ভালো: শ্যাম্পু মূলত মাথার ত্বক পরিষ্কার করার জন্য, আর চুলের দৈর্ঘ্যের যত্নে কন্ডিশনার ও অন্যান্য উপযুক্ত পণ্যও গুরুত্বপূর্ণ। তাই শুধু শ্যাম্পুর নামের দিকে না তাকিয়ে পুরো চুলের যত্নের রুটিনটিও বিবেচনা করুন।

আমি একজন টেক গেইনার, টেকনোলোজি বিষয়ক এই ওয়েবসাইটটি দেখা-শুনার দায়িত্বে রয়েছি। মেইনলি, এই ওয়েবসাইটের ইংরেজী ভার্সণের কন্টেন্ট, কোয়ালিটি ও টেকনিক্যাল সাইড নিয়ে কাজ করছি।
