Cart
No products in the cart.

ল্যাপটপের সাথে বিল্ট-ইন কিবোর্ড দেয়া থাকে যেটাকে আমরা ইন্টারনাল কিবোর্ড বলে থাকি। দীর্ঘ দিন ব্যবহারের ফলে এটি পুরনো হয়ে গেলে কিংবা নষ্ট হওয়ার উপক্রম হলে নতুন কিবোর্ড কেনার প্রয়োজন হতে পারে। কাজেই, সকল কম্পিউটার ইউজারেরই কিছু না কিছু ল্যাপটপ কিবোর্ডের দাম জেনে রাখা ভাল।
যে কোনও সময়ই যে কারো কিবোর্ড কেনার দরকার হয়ে পড়তে পারে। অনেক সময় পানি পানি পড়ে ল্যাপটপের কিবোর্ড নষ্ট হয়ে যায়। মাঝে মাঝে পিঁপড়া ঢুকেও কিবোর্ডের ক্ষতি করে ফেলে। যে কারণেই কিবোর্ডে সমস্যা দেখা দিক না কেন, ল্যাপটপের জন্যে আপনার হয়তো ইন্টারনাল কিবোর্ড কেনার প্রয়োজন হতে পারে।
কিনতে যাওয়ার আগে কিবোর্ডের দাম সম্পর্কে কিছুটা আইডিয়া নিয়ে রাখলে আপনার জন্যে ভাল হবে। তাই, আমরা এখানে কিছু ল্যাপটপ কিবোর্ডের মডেল, স্পেসিফিকেশন এবং দাম সম্পর্কে আলোচনা করছি।
এক নজরে দেখে নিন যা আছে এই লেখায়-
আমাদের আগের পোস্টটিতে আপনারা কম দামে ৫টি বিখ্যাত ব্র্যান্ডের ল্যাপটপ সম্পর্কে জেনেছেন। আজ জেনে নিন এমন ৫টি ল্যাপটপ কিবোর্ড সম্পর্কে যেগুলোর দাম তুলনামূলকভাবে অনেক কম।
দাম: ৭৫০
দাম: ৫৯০ টাকা
Dell কোম্পানীর এন সিরিজের দুই মডেলের জন্যেই এই কিবোর্ডটি ব্যবহার করা যাবে। আপনার ল্যাপটপের মডেল যদি N4110 অথবা N4050 হয়, তবে এই কিবোর্ডটি কিনতে পারেন।
দাম: ৬৫০ টাকা
দাম: ৯৫০
দাম: ১১৯০ টাকা
দাম: ১০০০ টাকা
দাম: ১০৫০
দাম: ১৪০০
পরিশেষ: আশা করা যায়, যে কয়টি ল্যাপটপ কিবোর্ডের দাম জেনেছেন, সেগুলো থেকে আপনার প্রয়োজনীয়টি খুঁজে পাবেন। ল্যাপটপের জন্যে আপনি ঠিক যে কিবোর্ডটি খুঁজছেন, যদি এই তালিকায় সেটি না পান, তবে কমেন্টের মাধ্যমে আমাদেরকে সেই কিবোর্ড সম্পর্কে জানান। আমরা অবশ্যই আপনার কাংখিত কিবোর্ডটি এই তালিকায় অ্যাড করে দেবো। আর সবশেষে ল্যাপটপের জন্যে পাওয়ারফুল কিছু পাওয়ার ব্যাংক দেখে নিতে পারেন।

আমি টঙ্গী সরকারি কলেজে ইংরেজী সাহিত্যে অনার্স পড়ছি। বইয়ের পোকা হিসেবে বন্ধু-বান্ধবের কাছে ব্যাপক দূর্ণাম রয়েছে। একজন নির্ভেজাল মানুষ হিসেবে নিজেকেই নিজের চারিত্রিক সদনপত্র দিয়ে রেখেছি।
