Cart
No products in the cart.

আপনি একটি নতুন ল্যাপটপ বা ট্যাবলেট পেয়েছেন বা কিনেছেন? অসাধারণ! এটি একটি নম্র ধাতুর বক্স, সমগ্র বিশ্বের চাবি, আপনার স্বপ্নের জগৎ। এটি আপনার প্রয়োজনীয় কাজ সারার পাশাপাশি পরিবার, বন্ধু-বান্ধব এমনকি সারা বিশ্বের সাথে যোগাযোগ রাখতে সাহায্য করতে পারে। তবে, তার আগে আপনার প্রয়োজন এই নতুন ট্যাবলেট বা ল্যাপটপ সেট আপ করে নেয়া।
আপনি জানেন কেন আপনার একটি ল্যাপটপ থাকা প্রয়োজন। তাই, হয়তো আপনি একটি নতুন ল্যাপটপ কিনেছেন। এখন আপনার প্রয়োজন ল্যাপটপটিকে সুন্দরভাবে সেট-আপ করে নেয়া। যদি, নতুন ল্যাপটপকে সুচারুরূপে সেট আপ না করেন, তবে আপনার জন্যে ল্যাপটপে কাজ করা কিছুটা জটিল হয়ে উঠতে পারে।
একটি নতুন ল্যাপটপ বা ট্যাবলেট একটি নতুন গাড়ির মত নয় যা আপনি শুধু একটি চাবি দিয়ে চালু করতে পারবেন। আপনি যখন প্রথমবার আগুন জ্বালান তখন কয়েকটি সাধারণ কাজ সম্পাদন করলে এটি ভবিষ্যতের জন্য নিরাপদ, দ্রুততর, এবং আরও ভালভাবে প্রস্তুত হতে পারে।
কিন্তু ট্যাবলেট বা ল্যাপটপ সঠিকভাবে সেটআপ করা চাবি দিয়ে গাড়ি চালানো কিংবা একটি কাঠি দিয়ে আগুন জ্বালানোর মত সহজ নয়। আবার এতটাই জটিল নয় যে, আপনাকে আগে ড্রাইভিং শেখার মত জটিলতায় যেতে হবে। মাত্র ৫টি ধাপে আপনি আপনার নতুন ল্যাপটপ বা ট্যাবলেট সেট আপ দিয়ে মনের মত করে নিতে পারেন।
এক নজরে দেখে নিন যা আছে এই লেখায়-
আপনি একটি নতুন ল্যাপটপ বা ট্যাবলেট বাসায় নিয়ে আসলেন এবং এটির মোড়ক খুললেন। তারপর আপনি এটি প্রথমবারের মতো বিদ্যুৎ সংযোগ দিলেন। উইন্ডোজ সেটআপের মাধ্যমে নতুন ল্যাপটপ বা ট্যাবলেট খুললেন, আপনার সবকিছু ঠিক আছে?
না, আপনার ল্যাপটপ বা ট্যাবলেট সত্যিই সম্পূর্ণ প্রস্তুত নয়। এখানে কীভাবে একটি নতুন ল্যাপটপ বা ডেস্কটপ কম্পিউটার সেটআপ করতে হয় তা সঠিক ভাবে, ধাপে ধাপে আলোচনা করা হল যা আপনার জন্য দারুণ সহায়ক হবে।
নতুন ল্যাপটপ বা ট্যাবলেট বক্স থেকে বের করার পর দেখে নিন এটাতে চার্জ আছে কিনা বা এটার প্লাগ লাগানো আছে কিনা। এরপর এটাকে অন করুন। এখন আপনার নতুন ল্যাপটপ বা ট্যাবলেট সেটআপ করার জন্য কি করা প্রয়োজন এর প্রাথমিক ধাপগুলো খেয়াল করুন-
এবার চলুন, এই ৫টি কাজ কিভাবে সুন্দরভাবে সম্পন্ন করবেন তার বিস্তারিত আলোচনায় যাই-
প্রথমবারের মতো আপনার নতুন ল্যাপটপ বা ট্যাবলেট চালু করার পর আপনাকে কয়েকটি সেটিংস কনফিগার করতে অনুরোধ করা হবে। আপনাকে জিজ্ঞেস করা হবে আপনি কোন ভাষা ব্যবহার করবেন, আপনি কোন নেটওয়ার্ক সংযোগ দিতে চান, আপনি আপনার লোকেশন চালু করতে চান কিনা ইত্যাদি নানা বিষয়।
প্রক্রিয়া চলাকালীন আপনাকে একটি অ্যাকাউন্ট দিয়ে লগ ইন করতে হবে (অথবা একটি একাউন্ট তৈরী করতে হবে)।
উইন্ডোজ ভিত্তিক ল্যাপটপ এবং ট্যাবলেট আপনাকে স্থানীয় অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে লগ ইন করার অনুমতি দিবে। আপনি যদি আপনার ডিভাইস থেকে বেশি সুবিধা পেতে চান তবে একটি মাইক্রোসফ্ট অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে লগ ইন করুন। যদি আপনার কোনটি না থাকে তবে, সেটআপ প্রক্রিয়া চলাকালীন আপনাকে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে অনুরোধ করা হবে। অন্যান্য অপারেটিং সিস্টেমেও অনুরূপ অ্যাকাউন্টের প্রয়োজনীয়তা আছে। Android- ভিত্তিক ডিভাইসগুলির জন্য আপনার একটি Google অ্যাকাউন্টের প্রয়োজন হবে। অ্যাপল ল্যাপটপ এবং ট্যাবলেটগুলির জন্য একটি অ্যাপল আইডি।
লগ ইন করার পরে, আপনি নতুন ডিভাইসকে আপনার বিদ্যমান ডেটা এবং সেটিংস দিয়ে sync করতে পারবেন বা আপনি sync করা ছাড়াই ডিভাইস সেট আপ করতে পারেন।

সেটআপ প্রক্রিয়ার সময় আপনার কাছাকাছি wireless network গুলির একটি তালিকা আসবে এবং একটি নির্বাচন করতে বলা হবে। নেটওয়ার্কের সাথে সংযোগ করা গুরুত্বপূর্ণ, যাতে আপনি অপারেটিং সিস্টেম আপডেটগুলি পেতে পারেন। একই সাথে অ্যাপ্লিকেশানগুলি ইনস্টল করতে পারেন এবং ক্লাউড থেকে সংরক্ষণ করা ডেটা ডাউনলোড করতে পারেন (যদি বিদ্যমান থাকে) এবং এটি করা খুবই ভালো। উইন্ডোজ অ্যাক্টিভেট করতেও আপনার ইন্টারনেট সংযোগের প্রয়োজন হবে। কাজেই, ওয়াই-ফাই রাউটারের বেসিক অপারেশন জেনে নিতে পারেন।
আপনি যে নেটওয়ার্কে সংযোগ করবেন, (অন্ততপক্ষে এই প্রক্রিয়ার সময়) তা আপনার বাড়িতে অথবা অফিসে থাকা নেটওয়ার্কের মত আপনার বিশ্বস্ত হওয়া উচিত। আপনাকে সংযোগ করতে পাসওয়ার্ড টাইপ করতে হবে, তাই আপনাকে তা আগে থেকেই জানতে হবে। এটি আপনার ওয়্যারলেস রাউটারে থাকতে পারে।
আপনি উইন্ডোজ-ভিত্তিক ডিভাইস সেটআপ করার সময় কোনও নেটওয়ার্কে সংযোগ করতে না পারলে:

নতুন কম্পিউটার, ল্যাপটপ এবং ট্যাবলেটগুলিতে সব ধরণের অ্যাপ্লিকেশন এবং প্রোগ্রামগুলো আগে থেকেই ইনস্টল করা থাকে। এরপরও, কম্পিউটার বা ল্যাপটপের জন্য ১০টি দরকারি সফট্ওয়্যার দেখে নিতে পারেন।
ইনস্টল করা সফটওয়্যারগুলোর ক্ষেত্রে শুধু কনফিগার করে নিতে হয় আর এই কনফিগারেশন আপনার প্রয়োজন অনুসারে হতে পারে। একটি নতুন ল্যাপটপে কি ডাউনলোড করা উচিত? অপ্রয়োজনীয় কি? এটি ঠিক করার জন্য কিছু টিপস মেনে চলুন-
দ্রষ্টব্য: যে আইটেমটি আপনি চিনেন না তা Uninstall করবেন না। কিছু প্রোগ্রাম কম্পিউটার বা ট্যাবলেটে সঠিকভাবে কাজ করার জন্য দরকার। যেমন .Net Framework এবং device drivers. এ রকম কোন দরকারি প্রোগ্রাম না বুঝে আনইনস্টল করে দিলে আপনার অপারেটিং সিস্টেমে ঝামেলা শুরু হয়ে যাবে।

ব্যক্তিগত তথ্যগুলি documents, pictures, music, videos, presentations এবং আরো অনেক কিছু হতে পারে। বেশিরভাগ সময় আপনি আপনার নতুন কম্পিউটার বা ট্যাবলেট এ যে ডেটা সংরক্ষন করেছেন তা সহজেই পেতে চাইবেন। সেক্ষেত্রে আপনাকে ডেটাগুলো নিচের পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করতে হবে-

একটি ল্যাপটপ বা ট্যাবলেটকে সুরক্ষিত না করলে, আপনি নানা ধরণের ঝামেলায় পড়তে পারেন। কাজেই ডিভাইসকে নিরাপদ রাখার জন্য আপনাকে নিম্নে উল্লেখিত কাজগুলো করে নিতে হবে-

পরিশেষে, উপরের পদ্ধতিগুলো মেনে চললে আপনি আপনার নতুন ট্যাবলেট, ল্যাপটপ সেট আপ করে সেটাকে সুরক্ষিত ও সুন্দরভাবে ব্যবহার করতে পারবেন। এই পোস্ট কেমন লাগল তা কমেন্টে জানান। এটাই আমার প্রথম আর্টিকেল, কাজেই ভুলগুলো ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন এবং ভুলগুলো ধরিয়ে দিলে কৃতজ্ঞ থাকব। আজ এ পর্যন্তই…….

আমি কাজ প্রিয় একজন মানুষ। যে কোন কাজ করতে পছন্দ করি। একসময় খেলাধুলা করতে, বই পড়তে, ঘুরতে খুব ভালবাসতাম। এখন কাজ আর ঘুমাতে ভালবাসি।

নতুন ল্যাপটপ সেট আপ করার প্রক্রিয়াগুলো অনেক সুন্দরভাবে উপস্থাপন করার জন্য ধন্যবাদ।
Thanks for your advice regarding the setting up of a new laptop I have just bought.