Cart
No products in the cart.

যারা ফ্যাশন ডিজাইন নিয়ে কাজ করেন কিংবা ফ্যাশন ডিজাইনের উপর পড়াশুনা করছেন, তাদের সবারই ফ্যাশন ডিজাইন সফটওয়্যার প্রয়োজন। এ ধরণের সফটওয়্যার সব ধরণের ফ্যাশন ডিজাইনিং প্রবলেম সলিউশন করে থাকে। ব্যক্তিগত ডিজাইনিং কিংবা স্টার্ট-আপ অথবা ফ্যাশন অ্যাজেন্সি, সবার জন্যেই ডিজাইন সফটওয়্যার দরকার।
ফ্যাশন একটি ট্রেন্ড, আর্ট, সময়ের এক্সপ্রেশন। এটি নিয়ে বিশ্বে মাতামাতির শেষ নেই। বিশ্ব সেরা কিছু ফ্যাশন ম্যাগাজিন গড়ে উঠেছে মেইনলি ফ্যাশনকে ঘিরেই। মূলত, ফ্যাশনই কাপড়কে পরিধাণযোগ্য হিসেবে তৈরি করতে সাহায্য করে। নতুন মার্কেট তৈরি, নতুন ট্রেন্ড নিয়ে আসা, নতুন টেকনোলোজির সাহায্যে নতুন কিছু সৃষ্টি করার জন্যে ফ্যাশন ডিজাইনাররা মূখ্য ভূমিকা রাখেন। আর ফ্যাশন সফটওয়্যার তাদের কাজকে সহজ করে তোলে।
ডিজিটালাইজেশনের জন্যে রিয়েল টাইম ওয়ার্কফ্লো কন্ট্রোল করাসহ ফ্যাশন ডিজাইন রিলেটেড সফটওয়্যারের অনেক উপকারি দিক রয়েছে। প্রায় প্রতিটি সফটওয়্যারেরই রেডি-টু-ইউজ টেমপ্লেট রয়েছে যা নতুনদেরকে ডিজাইনে সহযোগীতা করে থাকে।
এক নজরে দেখে নিন যা আছে এই লেখায়-

এই সফটওয়্যারগুলো দিয়ে একজন ডিজাইনার একসঙ্গে একাধিক ডিজাইন নিয়ে কাজ করতে পারবেন এবং নিজের ডিজাইনকে বারবার ভিউ করে দেখতে পারবেন। কিছু কিছু সফটওয়্যার একেবারে ব্যতিক্রমী ফিচার নিয়ে হাজির হয়েছে যা ডিজাইনারকে সৃষ্টিশীল ডিজাইন তৈরিতে সম্পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়ে থাকে। প্যাটার্ন গ্র্যাডিং করা, টিল ম্যাটেরিয়াল ডেভেলপ করাসহ আরো বহু করা যাবে এই সফটওয়্যারগুলো দিয়ে।
প্যাটার্ন ড্রাফটিং সলিউশনের জন্যে Valentina একটি অসাধারণ সফটওয়্যার যা ফ্রি এবং ওপেন-সোর্স। একজন সাধারণ ডিজাইনার থেকে শুরু করে ছোট ও মাঝারি মানের টেক্সটাইল এবং গার্মেন্টস্ ইন্ডাস্ট্রির এই সফটওয়্যারটি তুমুল জনপ্রিয়।
ইজি টু ইউজ ফিচার এবং শক্তিশালী অটোমেটেড ওয়ার্কফ্লো থাকার কারণে Valentina সফটওয়্যার দিয়ে রি-শ্যাপিং করা যায় এবং গার্মেন্টস্ প্রোডাক্টস্ ম্যানুফ্যাকচারিং করা যায়। কালার বোঝা, স্টাইল তৈরি, প্যাটার্ন রেডি করাসহ আরো প্রচুর ফিচার রয়েছে Valentina সফটওয়্যারে।
এক নজরে Valentina সফটওয়্যারের কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফিচার-
Tailornova দিয়ে খুব সহজে এবং দ্রুততার সঙ্গে আনলিমিটেড ডিজাইন করা যায়। থ্রিডি সিমুলেশন ফ্যাসিলিটি থাকার কারণে এটি দিয়ে কাস্টোমাইজেশন ফিট করা যায়। আবার, বিল্ট-ইন ইন্টারমিক্সেবল টেমপ্লেট ব্যবহার করে একজন সাধারণ ডিজাইনারও ক্রিয়েটিভ হয়ে উঠতে পারেন। এটি সম্পূর্ণ ওয়েব বেজড্ সফটওয়্যার এবং ব্যবহার করাও সহজ।
এক নজরে Pattern Design সফটওয়্যারের কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফিচার-
ইএফআই অপটিটেক্সের একটি ওপেন সোর্স সফটওয়্যার হচ্ছে Pattern Design। ফ্যাশন ডিজাইন রিলেটেড ইন্ড টু ইন্ড সলিউশন পাওয়া যাবে এই সফটওয়্যারে। একজন ডিজাইনার কিংবা ইউজারকে ডিজাইন থেকে শুরু করে, ডেভেলপ করা ও প্রডিউসিং পর্যন্ত চূড়ান্ত সহযোগীতা করে থাকে Pattern Design Software।
এক নজরে Pattern Design সফটওয়্যারের কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফিচার-
প্রি-ডিজাইনের জন্যে প্রচুর পাওয়ার ফিচার ও ফাংশনালিটি নিয়ে Browzwear অনেকে ডিজাইনারেরই মন কেড়েছে। বিশেষ করে, থ্রিডি ফ্যাশন ডিজাইনারদের কাছে এটি অত্যন্ত জনপ্রিয়। এর ট্রু টু লাইফ থ্রিডি ডিজাইন অপশন একজন ডিজাইনারকে আরো দক্ষ ও ক্রিয়েটিভ করে তোলে।
এক নজরে Browzwear সফটওয়্যারের কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফিচার-
ফ্যাশন ডিজাইনের জন্যে অ্যাফোর্ডেবল, ইজি টু ইউজ এবং সর্বাধিক সুবিধা সম্বলিত সফটওয়্যার এটি। এটি শুধু ফ্যাশন ডিজাইনিং স্টুডেন্টদের জন্যেই সুবিধাজনক নয়, বরং এক্সপার্টদের জন্যেও এটি অত্যন্ত কার্যকর সফটওয়্যার। হাজার হাজার প্রি-ডিজাইন টেমপ্লেট ও স্কেচিং ফিচার নিয়ে এই সফটওয়্যারটি ইতিমধ্যেই বহু ডিজাইনারের মন কেড়ে নিয়েছে।
এক নজরে SnapFashun সফটওয়্যারের কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফিচার-
আশা করি, উপরে দেয়া ৫টি ফ্যাশন ডিজাইন সফটওয়্যার থেকে সবগুলোই চেক করে দেখেছেন। এবার, যেটি সবচেয়ে বেশি পছন্দ হয়েছে, সেটি রেখে দিয়ে ইউজ করুন আর বাকীগুলো ফেলে দিন কিংবা ভবিষ্যতের জন্যে তুলে রাখুন।

আমি নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং-এ অধ্যায়নরত। হৈচৈ বাংলা ওয়েবসাইটে মাঝে মধ্যে শখের বশে লিখি; যদিও টেকনোলোজি আমার পড়াশুনার সঙ্গে সম্পৃক্ত, তবু যে কোন বিষয়েই লিখতে ভাল লাগে।

স্যার, কালারিং এর জন্যে ভাল কোন সফটওয়্যার সাজেস্ট করুন, প্লিজ।
ধন্যবাদ, সাদিয়া আরফিন। প্রায় সকল ডিজাইন সফটওয়্যারই কালারের জন্যে ভাল। তবু, আপনি কিছু ব্যতিক্রমী কালার পিকার সফটওয়্যার দেখে নিতে পারেন।