Cart
No products in the cart.

সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট পেজে (SERPs) একটা ওয়েবসাইটের র্যাংক বা অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এমনকি, যে কোনও ওয়েবপেজের র্যাংক অনেকটাই এটির উপর নির্ভর করে। গুগল অ্যালগোরিদমের ভাষায় এটিকে পেজ র্যাংক বলা হয়।
যদিও ডোমেইন অথরিটি নতুন কোনও বিষয় নয়, তবু এখনো অনেক ব্লগার রয়েছেন যারা এটি সম্পর্কে খুব একটা সচেতন নয়। প্রত্যেক ব্লগার এবং ওয়েবসাইট মালিকের অবশ্যই ডোমেইন অথরিটি সম্পর্কে ভাল করে জানা উচিৎ। আসুন, ডোমেইন অথরিটির আদ্যাপান্ত সম্পর্কে জানা যাক।
এক নজরে দেখে নিন যা আছে এই লেখায়-
একটা ওয়েবসাইট সার্চ ইঞ্জিনে কতটা ভাল অবস্থানে আছে বা অবস্থান করে নেবে তা ডিফাইন করার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপায় হচ্ছে ডোমেইন অথরিটি। এটি মূলত একটি স্কোর ক্যালকুলেশন যা ১ থেকে ১০০ পর্যন্ত হয়ে থাকে। এই স্কোর যত বেশি হবে, ওয়েবসাইটের র্যাংকও তত বেশি হবে।
তবে, ডোমেইন অথরিটি স্কোর নানা বিষয়ের উপর (multiple factors) নির্ভর করে ক্যালকুলেট করা হয়। এর মাঝে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে রুট ডোমেইন লিংক এবং মোট লিংকের সংখ্যা। আর, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই দুইয়ের উপর ভিত্তি করে প্রাপ্ত স্কোর দিয়ে ওয়েবসাইটের র্যাংক ট্র্যাকিং করা হয়।
অর্থাৎ, একটা ওয়েবসাইটে কতগুলো ব্যাক লিংক আছে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তার উপর নির্ভর করেই ডোমেইন অথরিটি মেজারমেন্ট করা হয়। যারা জানেন যে, ব্যাকলিংক কি ও কিভাবে কাজ করে, তাদের জন্যে বিষয়টি বোঝা বেশ সহজ।

যত বেশি হবে, তত ভাল। সাধারণভাবে বলতে গেলে অনেক এক্সটার্নাল লিংক থাকা একটি ওয়েবসাইট ডোমেইন অথরিটি স্কেলে উপরের দিকে অবস্থান করে থাকে। বিশেষ করে, গুগল এবং উইকিপিডিয়ার মতো এক্সটারনাল লিংক সম্পন্ন ওয়েবসাইট SERPs এ বেশ উন্নত অবস্থানে থাকে। অন্যদিকে, কম লিংক থাকা একটা ছোট কিংবা ব্যবসায়িক ওয়েবসাইটের DA স্কোর স্বাভাবিকভাবেই কম হয়।
উল্লেখ্য, একটা ব্র্যান্ড নিউ ওয়েবসাইট সবসময় ডোমেইন অথরিটি স্কোর ১ দিয়ে শুরু হয়।
ডোমেইন অথরিটি একটা সম্পূর্ণ ওয়েবসাইটের ডোমেইন বা সাব-ডোমেইনের র্যাংকিং সম্পর্কে ধারণা দেয়। আর পেজ অথরিটি ভিন্ন ভিন্ন পেজের র্যাংক মেজারমেন্ট করে পেজগুলোর অবস্থান সম্পর্কে জানান দেয়। পেজ র্যাংক চেক করার কিছু টুল দিয়ে আপনি অনায়াসেই আপনার ওয়েবসাইটের পেজগুলোর র্যাংক চেক করে নিতে পারেন।
না, ডোমেইন অথরিটি র্যাংকিং ফ্যাক্টর নয়; এটি বরং একটা ওয়েবসাইটের র্যাংকিং অনুমান করার একটা প্রক্রিয়া মাত্র।
ডোমেইন অথরিটির ক্ষেত্রে অত্যন্ত মজার ব্যাপার হচ্ছে, গুগল এটি ইউজ করে না। এমনকি, বিং কিংবা ডাক ডাক গো বা অন্য কোনও সার্চ ইঞ্জিনও এটি ইউজ করে না।
ডোমেইন অথরিটি মূলত Moz এর একটা মেট্রিকস্ যা বিশ্বব্যাপী সব ওয়েবসাইট মালিকদের কাছেই সুপরিচিত।
তবে, গুগলসহ অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিনগুলো ডোমেইন অথরিটি ব্যবহার না করলেও এর সম্পর্কে সতর্ক। কাজেই বিষয়টিকে আপনি অবহেলা করতে পারেন না। এমনকি, আপনার ওয়েবসাইটের র্যাংক ট্র্যাক করার জন্যে আপনাকে অবশ্যই এ উপর গুরুত্ব দিতে হবে।
যেহেতু ডোমেইন অথরিটি আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটের র্যাংকে রিপ্রেজেন্ট করে, অর্থাৎ সার্চ ইঞ্জিনে সাইটের অবস্থান পর্যালোচনা করে, সেহেতু আপনার জন্যে আপনার জন্যে এটি অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। সার্চ ইঞ্জিনের চোখে নিজের ওয়েবসাইটকে দেখার জন্যে, সাইটের ক্রেডিবিলিটি জানার জন্যে এবং কম্পিটিটরদের সাথে নিজের ওয়েবসাইটে কম্পেয়ার করার জন্যে ডোমেইন অথরিটি আপনাকে সাহায্য করে থাকে।
আপনি যদি আপনার কম্পিটিশন লেবেলকে কম্পেয়ার করতে পারেন, তবে আপনি র্যাংক পাওয়ার জন্যে পারফেক্ট স্ট্র্যঅটেজি সাজাতে পারবেন। বিশেষ করে, ব্যাংকলিংক বিল্ড আপের ক্ষেত্রে এটি আপনাকে দারুণভাবে সাহায্য করবে।
উদাহরণ স্বরূপ, হাই অথরিটির একটি ওয়েবসাইট থেকে আসা একটি ব্যাক লিংক অবশ্যই অনেক বেশি গুরুত্ব রাখে লো বা লেস অথরিটির লিংক থেকে। কাজেই, হাই অথরিটির ওয়েবসাইট থেকে ব্যাংক নিতে হলে আপনাকে ওই সব ওয়েবসাইটের DA জানতে হবে।
আশা করি, ডোমেইন অথরিটি সম্পর্কে আপনার ধারণা বেশ পরিস্কার হয়েছে। যদি এখনো কোনও কিছু অষ্পষ্ট মনে হয়, কিংবা ডোমেইন অথরিটি সম্পর্কে আরো নতুন কিছু জানতে ইচ্ছে হয়, তবে কমেন্ট বক্সে লিখে জানান।

আমি নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং-এ অধ্যায়নরত। হৈচৈ বাংলা ওয়েবসাইটে মাঝে মধ্যে শখের বশে লিখি; যদিও টেকনোলোজি আমার পড়াশুনার সঙ্গে সম্পৃক্ত, তবু যে কোন বিষয়েই লিখতে ভাল লাগে।

বেশী ডিএ যুও লিংক কী পার্মালিঙ্কে লাগান উচিত.