Cart
No products in the cart.

f
জ্বর হলে যেসব টেস্ট করাতে হয়, সেগুলো অনেক রোগীরই অজানা।
জ্বর আমাদের শরীরের একটি প্রাকৃতিক সুরক্ষা ব্যবস্থা। এটি কোনও সংক্রমণ, প্রদাহ বা অসুস্থতার ইঙ্গিত দেয়। অনেক সময় জ্বর হালকা ও স্বল্পস্থায়ী হয়, আবার কখনও তা দীর্ঘস্থায়ী ও জটিল রোগের লক্ষণও হতে পারে। তবে সব সময়ই জ্বরের কারণ অনুধাবন করা জরুরি, বিশেষ করে যখন জ্বরের সঙ্গে কাশি, মাথাব্যথা, গা ব্যথা, র্যাশ বা দুর্বলতা দেখা দেয়।
জ্বর আসলে কি?
জ্বর হচ্ছে শরীরের একটি স্বাভাবিক প্রতিরক্ষা প্রতিক্রিয়া, যা বিভিন্ন সংক্রমণ বা শারীরিক সমস্যা থেকে আমাদের রক্ষা করার জন্য দেখা দেয়।
সঠিক সময়ে প্রয়োজনীয় মেডিকেল টেস্ট না করালে সমস্যার প্রকৃতি আরও জটিল হতে পারে। কিন্তু কী টেস্ট?
এক নজরে দেখে নিন যা আছে এই লেখায়-
এই ব্লগে আমরা আলোচনা করব — জ্বরে আক্রান্ত হলে কোন কোন পরীক্ষা করা উচিত, কোন পরীক্ষাটি কবে প্রয়োজন হয় এবং সেগুলো থেকে কী কী তথ্য পাওয়া যায়।
১০টি গুরুত্বপূর্ণ রক্ত পরীক্ষার মধ্যে সিবিসি অন্যতম। CBC (Complete Blood Count) হলো একটি মৌলিক রক্ত পরীক্ষা যা রক্তের বিভিন্ন উপাদানের সংখ্যা ও অবস্থা বিশ্লেষণ করে। এটি চিকিৎসকরা প্রায় সব ধরনের জ্বর বা অসুস্থতার প্রাথমিক ধাপেই নির্ধারণ করে থাকেন। এই পরীক্ষাটি খুব সাধারণ হলেও এতে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়, যা রোগ নির্ণয়ে সহায়ক।
এই পরীক্ষায় মূলত যা পরিমাপ করা হয়:
WBC (White Blood Cell Count) – সাদা রক্ত কণিকা
RBC (Red Blood Cell Count) – লোহিত রক্ত কণিকা
হিমোগ্লোবিন (Hemoglobin – Hb)
হেমাটোক্রিট (HCT)
প্লেটলেট কাউন্ট (Platelet Count)
MCV, MCH, MCHC
জ্বরে আক্রান্ত হলে CBC কেন জরুরি?
টেস্ট করার পদ্ধতি:
জ্বর হলে যেসব টেস্ট প্রয়োজন, তার মাঝে সিবিসি অন্যতম। এটি যেমন সহজ ও দ্রুত করা যায়, তেমনই এটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ রোগ শনাক্তের ভিত্তি হিসেবেও কাজ করে। তাই জ্বরের প্রকৃতি বুঝতে হলে সিবিসি টেস্ট প্রায় অপরিহার্য।
ম্যালেরিয়া হলো একটি মশাবাহিত রোগ, যা Plasmodium নামক এক ধরনের পরজীবীর কারণে হয়। এটি Anopheles প্রজাতির স্ত্রী মশার কামড়ে মানুষের শরীরে ছড়ায়। বাংলাদেশসহ বিশ্বের অনেক উন্নয়নশীল দেশে বর্ষাকাল ও বন্যার সময় ম্যালেরিয়ার প্রাদুর্ভাব বেড়ে যায়।
সঠিক সময়ে সনাক্ত না করলে ম্যালেরিয়া জ্বর মারাত্মক পর্যায়ে যেতে পারে এবং মৃত্যুর ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তাই জ্বর হলে ম্যালেরিয়া টেস্ট করানো খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
ম্যালেরিয়া টেস্টের ধরনসমূহ:
Peripheral Blood Smear (PBS) Test
এটি সবচেয়ে প্রচলিত ও নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি। রক্তের স্লাইডে রঞ্জক দিয়ে রং করে মাইক্রোস্কোপের নিচে Plasmodium পরজীবী দেখা হয়।
Rapid Diagnostic Test (RDT)
এই টেস্টটি খুব দ্রুত হয় — ১৫–২০ মিনিটেই ফলাফল পাওয়া যায়।
PCR (Polymerase Chain Reaction) Test
এটি জিনগত পরীক্ষার মাধ্যমে Plasmodium-এর ডিএনএ শনাক্ত করে।
কখন ম্যালেরিয়া টেস্ট করাবেন?
রিপোর্টে কী থাকে?
চিকিৎসা:
যদি ম্যালেরিয়া টেস্ট পজিটিভ হয়, তবে রোগীর প্রজাতি অনুযায়ী ওষুধ নির্ধারণ করা হয়।
উদাহরণ:
চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ গ্রহণ একেবারেই উচিত নয়।
প্রতিরোধ:
জ্বর হলে যেসব টেস্ট সাধারণত ডাক্তার সাজেস্ট করেন, তার মাঝে ম্যালেরিয়া থাকেই। ম্যালেরিয়া ধরা পড়লে কিন্তু ভয়ের কারণ নেই, সঠিক চিকিৎসা নিলে এই রোগ সম্পূর্ণভাবে নিরাময়যোগ্য।
টাইফয়েড বা enteric fever হলো একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ, যা Salmonella typhi (বা Salmonella paratyphi) নামক জীবাণুর কারণে হয়। এটি সাধারণত দূষিত পানি ও খাদ্যের মাধ্যমে ছড়ায়। বাংলাদেশের মতো দেশে বর্ষাকালে বা খাবারের স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ না করলে এই রোগ হবার ঝুঁকি বেশি থাকে।
টাইফয়েডের লক্ষণ অনেক সময় সাধারণ জ্বরের মতো হওয়ায় পরীক্ষার মাধ্যমে সঠিক রোগ নির্ণয় করা জরুরি হয়।
টাইফয়েডের সাধারণ লক্ষণসমূহ:
দীর্ঘস্থায়ী জ্বর (১০১-১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট)
টাইফয়েড নির্ণয়ে দুটি প্রধান পরীক্ষা:
১. Widal Test
কী পরীক্ষা করে?
কী দেখে?
(এছাড়াও Paratyphi A ও B অ্যান্টিজেনও দেখা যেতে পারে)
ফলাফল কেমন হয়?
সীমাবদ্ধতা:
কখন করা ভালো?
২. Typhidot Test
কী পরীক্ষা করে?
কবে কার্যকর?
ফলাফল:
কেন জনপ্রিয়?
অন্য সহায়ক টেস্টসমূহ:
কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
টাইফয়েড এমন একটি টেস্ট, যা জ্বর হলে যেসব টেস্ট করা লাগে, সেগুলোর মাঝে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
ডেঙ্গু জ্বর হলো একটি ভাইরাসজনিত রোগ যা Aedes aegypti মশার মাধ্যমে ছড়ায়। তাই ডেঙ্গু মশার ডিম ধ্বংশ করার পদ্ধতি জানা প্রয়োজন।
ডেঙ্গুর সঠিক শনাক্তকরণের জন্য নির্দিষ্ট কিছু রক্ত পরীক্ষা (blood tests) করা হয়, যার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো NS1 Antigen Test, IgM, ও IgG Antibody Test।
ডেঙ্গু টেস্টের ধরনসমূহ
১. NS1 Antigen Test (Non-structural Protein 1)
এটি কী?
ডেঙ্গু ভাইরাসের একটি প্রোটিন হলো NS1, যা সংক্রমণের প্রথম দিকে রক্তে পাওয়া যায়।
কখন করা হয়?
জ্বরের প্রথম ১-৫ দিনের মধ্যে এই টেস্ট সবচেয়ে কার্যকর।
ফলাফল:
উপকারিতা:
২. IgM Antibody Test
এটি কী?
কখন করা হয়?
ফলাফল:
৩. IgG Antibody Test
এটি কী?
কখন করা হয়?
ফলাফল:
কখন কোন টেস্ট করবেন?
জেনে রাখুন-
অনেক সময় ডাক্তার একসঙ্গে তিনটি টেস্ট-ই নির্ধারণ করতে পারেন নিশ্চিত হবার জন্য।
অন্য সহায়ক টেস্টসমূহ:
১. CBC (Complete Blood Count)
২. LFT (Liver Function Test)
রিপোর্ট ব্যাখ্যা উদাহরণ:
সতর্কতা:
প্রতিরোধ:
জ্বর হলে যেসব টেস্ট করতে বলা হয়, তার মাঝে ডেঙ্গু খুবই কমোন। সঠিক সময়ে NS1, IgM ও IgG টেস্টের মাধ্যমে রোগ শনাক্ত হলে চিকিৎসা সহজ এবং কার্যকর হয়।
COVID-19 (করোনা ভাইরাস ডিজিজ ২০১৯) হলো SARS-CoV-2 ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট একটি ছোঁয়াচে রোগ, যার প্রাদুর্ভাব ২০১৯ সালের শেষের দিকে শুরু হয়ে বৈশ্বিক মহামারিতে রূপ নেয়।
জ্বর, কাশি, গলা ব্যথা বা শ্বাসকষ্ট হলেই এখনো সন্দেহ করা হয় COVID-19 হয়েছে কি না। আর এই ভাইরাস সনাক্ত করতে দুটি প্রধান টেস্ট ব্যবহার করা হয়:
১. RT-PCR Test (Reverse Transcription Polymerase Chain Reaction)
এটি কী?
RT-PCR হচ্ছে COVID-19 শনাক্ত করার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ও সুনির্দিষ্ট ল্যাব টেস্ট। এটি ভাইরাসের জিনগত উপাদান (RNA) বিশ্লেষণ করে।
কখন করা উচিত?
কীভাবে করা হয়?
ফলাফল পেতে সময়:
ফলাফল ব্যাখ্যা:
কেন করা ভালো?
সীমাবদ্ধতা:
২. Rapid Antigen Test
এটি কী?
এই টেস্ট শরীরে থাকা ভাইরাসের প্রোটিন (antigen) শনাক্ত করে। এটি অনেক দ্রুত হয়, তাই “র্যাপিড টেস্ট” বলা হয়।
কখন করা ভালো?
কীভাবে করা হয়?
ফলাফল ব্যাখ্যা:
উপকারিতা:
সীমাবদ্ধতা:
COVID-19 টেস্টের উদ্দেশ্য কী?
বর্তমান সময়ে জ্বর হলে যেসব টেস্ট করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, সেসবের মাঝে COVID-19 টেস্ট আছেই। দ্রুত ফলাফল দরকার হলে Antigen Test। নিশ্চিত এবং নির্ভরযোগ্য ফলাফল চাইলে RT-PCR Test
ইউরিন টেস্ট (Urine Routine Examination) হলো প্রস্রাবের একটি সাধারণ ও গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা, যা শরীরের বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ সমস্যার ইঙ্গিত দিতে পারে। বিশেষ করে জ্বর, মূত্র সংক্রমণ (UTI), কিডনির সমস্যা, ডায়াবেটিস, কিংবা জন্ডিস ইত্যাদি ক্ষেত্রে এই পরীক্ষাটি বেশ সহায়ক।
ইউরিন R/E টেস্টে কী কী দেখা হয়?
১. রঙ (Colour) ও স্বচ্ছতা (Appearance):
২. pH (অম্লতা/ক্ষারত্ব):
৩. Specific Gravity (ঘনত্ব):
ইউরিনে পানির পরিমাণ কেমন তা বোঝায়।
৪. প্রোটিন (Protein):
৫. গ্লুকোজ (Sugar):
৬. কেটোন (Ketone bodies):
৭. বিলিরুবিন ও ইউরোবিলিনোজেন:
৮. Pus Cells (Pus বা পুঁজ কণিকা):
৯. RBC (Red Blood Cells):
১০. Epithelial Cells:
১১. Crystals:
১২. Bacteria / Yeast:
ইউরিন টেস্ট কখন করা উচিত?
ইউরিন টেস্ট রিপোর্টের সাধারণ উদাহরণ:
ইউরিন R/E টেস্ট একটি সহজ, ব্যথাহীন ও সাশ্রয়ী পরীক্ষা হলেও এটি অনেক রোগ সম্পর্কে পূর্বাভাস দিতে পারে। জ্বর, ইউরিনারি সমস্যার শুরুতেই এই টেস্টটি করানো উচিত। জ্বর হলে যেসব টেস্ট ডাক্তাররা দিয়ে থাকেন, তার মাঝে ইউরিন টেস্টও থাকে।
ব্লাড কালচার একটি বিশেষ ধরণের রক্ত পরীক্ষা, যার মাধ্যমে রক্তে জীবাণু (ব্যাকটেরিয়া বা ফাঙ্গাস) আছে কিনা তা নির্ণয় করা হয়। এটি মূলত সিরিয়াস সংক্রমণ বা সেপসিস শনাক্ত করার জন্য ব্যবহৃত হয় এবং জ্বরের প্রকৃত কারণ নির্ণয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
ব্লাড কালচার কী?
এই পরীক্ষায় রক্তকে বিশেষ পুষ্টিকর মাধ্যমের (culture media) মধ্যে রেখে দেখা হয় — সেখানে কোনও ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ছত্রাক বা জীবাণু বাড়ে কি না। যদি জীবাণু জন্মায়, তবে সেটির ধরণ ও সংবেদনশীলতা (sensitivity) নির্ধারণ করা হয়।
কখন ব্লাড কালচার করা হয়?
নিম্নলিখিত উপসর্গ দেখা দিলে ব্লাড কালচার টেস্ট করা হয়:
কিভাবে ব্লাড কালচার করা হয়?
বিশেষ জীবাণুমুক্ত পদ্ধতিতে রক্ত সংগ্রহ করা হয় (সাধারণত বাহুর শিরা থেকে)।
রক্ত একটি Culture Bottle-এ রাখা হয়, যা জীবাণু বৃদ্ধির জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে।
নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় রেখে ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণ করা হয়।
জীবাণু বেড়ে উঠলে তার উপর Antibiotic Sensitivity Test (AST) করা হয় – কোন অ্যান্টিবায়োটিক কাজে লাগবে তা নির্ধারণ করতে।
ফলাফল ব্যাখ্যা:
ব্লাড কালচার রিপোর্টে যা থাকে:
কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
ব্লাড কালচার কেন গুরুত্বপূর্ণ?
মনে রাখবেন:
ব্লাড কালচার টেস্ট যতটা সাধারণ মনে হয়, এটি ততটাই গুরুত্বপূর্ণ ও জীবনরক্ষাকারী হতে পারে। জ্বরের কারণ অজানা হলে বা সংক্রমণ রক্তে ছড়িয়ে পড়েছে বলে সন্দেহ হলে এটি করানো জরুরি। সঠিক সময়ে ব্লাড কালচার টেস্ট করলে রোগ নির্ণয় যেমন সহজ হয়, তেমনি চিকিৎসাও আরও কার্যকর হয়।
চেস্ট এক্স-রে হলো এক ধরনের ইমেজিং টেস্ট, যার মাধ্যমে ফুসফুস, হৃদপিণ্ড, শ্বাসনালী, হাড় এবং বক্ষপিঞ্জরের অন্যান্য অংশের ছবি তোলা হয়। এটি জ্বরসহ অনেক রোগের কারণ অনুসন্ধানে চিকিৎসকরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন।
চেস্ট এক্স-রে কেন করা হয়?
জ্বরের পাশাপাশি নিচের লক্ষণ বা সন্দেহজনক অবস্থা দেখা দিলে চেস্ট এক্স-রে করানো হয়:
চেস্ট এক্স-রে দিয়ে যা যা দেখা যায়:
চেস্ট এক্স-রে করার পদ্ধতি:
কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক:
চেস্ট এক্স-রে রিপোর্ট কেমন হয়?
এক্স-রে রিপোর্টে সাধারণত নিচের মতো শব্দ দেখা যায়:
চেস্ট এক্স-রে ও জ্বরের সম্পর্ক:
চেস্ট এক্স-রে হলো সহজ, দ্রুত, ও কার্যকর একটি ডায়াগনস্টিক টেস্ট — যা জ্বর হলে যেসব টেস্ট প্রয়োজন হতে পারে, সেগুলোর শেষের দিকে থাকে। জ্বর দীর্ঘস্থায়ী হলে কিংবা শ্বাসকষ্ট থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শে এটি অবশ্যই করানো উচিত।
লিভার ফাংশন টেস্ট হলো রক্ত পরীক্ষার একটি সিরিজ, যা লিভারের (যকৃতের) স্বাস্থ্য ও কার্যক্ষমতা মূল্যায়ন করে। যকৃত শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ, যা খাদ্যপচন, বিষাক্ত পদার্থ দূরীকরণ, প্রোটিন উৎপাদন ইত্যাদি কাজ করে থাকে।
LFT করার প্রয়োজন কেন?
কিডনি ফাংশন টেস্ট হলো কিছু রক্ত ও ইউরিন পরীক্ষার মাধ্যমে কিডনির (মূত্রনালী) কার্যক্ষমতা নির্ণয় করার পদ্ধতি। কিডনি শরীর থেকে বর্জ্য পদার্থ ও অতিরিক্ত পানি সরিয়ে দেয়, তাই এর স্বাভাবিক কাজ খুব জরুরি।
KFT করার প্রয়োজন কেন?
LFT ও KFT একসাথে করানো কেন গুরুত্বপূর্ণ?
যকৃত ও কিডনি শরীরের দুইটি প্রধান অঙ্গ যারা দেহের বিশুদ্ধতা ও বিপাক নিয়ন্ত্রণ করে। অনেক সময় একাধিক রোগ একসাথে থাকতে পারে, তাই রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসায় এই দুই পরীক্ষার সমন্বয় খুব প্রয়োজন।
রিপোর্ট বিশ্লেষণে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন, কারণ ফলাফল অনেক সময় রোগীর অবস্থা ও চিকিৎসার ধরন অনুযায়ী পরিবর্তিত হতে পারে।
ESR কি?
ESR হলো রক্তের লাল কণিকা (erythrocytes) কত দ্রুত টিউবের নিচে বসে যায় তার একটি পরিমাপ।
শরীরে প্রদাহ (inflammation) বা সংক্রমণ থাকলে এই হার বেড়ে যায়।
কিভাবে হয়?
রক্তের নমুনা একটি লম্বা পাতলা টিউবে রাখা হয়। নির্দিষ্ট সময় (সাধারণত ১ ঘন্টা) পর দেখা হয় লাল রক্তকণিকা কত সেঞ্চিমিটার নিচে নেমেছে।
ESR বেশি হলে কী বোঝায়?
ESR এর সীমাবদ্ধতা
CRP কি?
CRP হলো রক্তে তৈরি হওয়া একটি প্রোটিন যা লিভার থেকে নিঃসৃত হয়, বিশেষ করে শরীরে প্রদাহ বা সংক্রমণ শুরু হলে।
কিভাবে কাজ করে?
প্রদাহের সময় শরীর বেশি CRP তৈরি করে, তাই এটি শরীরে সক্রিয় প্রদাহ বা সংক্রমণের দ্রুত ও নির্ভুল সূচক।
CRP বেশি হলে কী বোঝায়?
কখন ESR ও CRP টেস্ট করবেন?
ESR এবং CRP টেস্ট দুটোই শরীরে প্রদাহের সূচক, কিন্তু CRP অনেক দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য ফল দেয়। ডাক্তাররা এই টেস্ট দুটো একসঙ্গে বা প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার অগ্রগতি মূল্যায়ন করেন।
জ্বর হলে যেসব টেস্ট, সেগুলোর প্রতিটিই উপরে আলোচনা করা হলো। আশা করি, এই আলোচনা আপনাদের কাজে লাগবে।

I am physician born serve for humanity, presently works at Dhaka Medical College and Hospital, previously worked at Kasba Upazila Health Complex and Austagram Upazila Health Complex.
