Cart
No products in the cart.

জীবনে একবারও কাউকে গ্রীটিং দেননি কিংবা কারো কাছ থেকে গ্রীটিং কার্ড পাননি, এমন মানুষ হয়তো খুঁজে পাওয়া যাবে না। আর কিছু না হোক, অন্তত ঈদ বা ভালবাসা দিবস উপলক্ষে আমাদের অনেকেই গ্রীটিং কার্ড পেয়েছেন কিংবা দিয়েছেন।
আসুন, এই গ্রীটিং কার্ড কি আর এটি কত প্রকার ও কি কি, সে সম্পর্কে জানা যাক।
গ্রীটিং কার্ড হচ্ছে এমন একটি কার্ড যাতে গ্রীটিংস্ বা শুভেচ্ছা বাণী বা মেসেজ দেয়া হয়। বিভিন্ন উপলক্ষে একজন আরেকজনকে কিংবা বিভিন্নজনকে বিভিন্ন ধরণের শুভেচ্ছা মেসেজ দেয়ার যে প্রচলিত মাধ্যম, সেটাই গ্রীটিংস্। আর যখন এই মেসেজ বা বাণী বা শুভেচ্ছা কোনও কার্ডের মাধ্যমে দেয়া হয়, তখন তাকে গ্রীটিং কার্ড বলে।

গ্রীটিং কার্ড সাধারণত বিভিন্ন ধরণের ডিজাইন ও শেপ অনুযায়ী প্রস্তুত করা হয় এবং উন্নত মানের কাগজের উপর ছাপানো হয়। বর্তমান সময়ে অবশ্য এমন অনেক গ্রীটিং কার্ড ডিজাইন করা হয় যেগুলো প্রিন্ট করা হয় না, বরং ভার্সুয়ালী আদান-প্রদান করা হয়।
আনুমানিক ১৫শ শতাব্দীতে গ্রীটিং কার্ডের প্রচলন শুরু হয় বলে জানা যায়। আর বিভিন্ন উপলক্ষে এই শুভেচ্ছা প্রদানের প্রচলনটা শুরু করে মিশরীয়দের মাঝে। প্যাপিরাস নামের এক ধরণের মোটা কাগজে মিশরীয় লোকেরা নানা ধরণের কবিতা বা সুন্দর সুন্দর কথা লিখে ঈদের শুভেচ্ছা জানাতো।
প্রায় একই সময়ে চীনের মানুষরাও কাগজের উপর হাতে লিখে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানাতো যা পরবর্তীতে আধুনিক গ্রীটিং কার্ডে রূপ নেয়। ১৫শ শতাব্দীর শেষের দিকে ইউরোপে গ্রীটিং কার্ডের প্রচলন দেখা দেয়। হ্যান্ড মেড বা হাতে তৈরি কাগজের উপর নতুন বছরসহ আরো নানা উপলক্ষে ছোট ছোট আর সুন্দর সুন্দর কথা দিয়ে শুভেচ্ছা প্রদানের প্রচলন শুরু সে সময়ে।
গ্রীটিং কার্ডের নির্দিষ্ট্য কোনও প্রকার নেই। তবে, নানা প্রকারের গ্রীটিং কার্ড রয়েছে। আসুন, সেগুলোর একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা দেখে নেয়া যাক-
আবার ডিজানের দিক থেকে নানা রকমের গ্রীটিং কার্ড রয়েছে। যেমন-

আমি নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং-এ অধ্যায়নরত। হৈচৈ বাংলা ওয়েবসাইটে মাঝে মধ্যে শখের বশে লিখি; যদিও টেকনোলোজি আমার পড়াশুনার সঙ্গে সম্পৃক্ত, তবু যে কোন বিষয়েই লিখতে ভাল লাগে।
