Cart
No products in the cart.

আজকাল অফিস আদালতের পাশাপাশি বাসা বাড়িতেও প্রিন্টারের চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। মানুষের চাহিদার সাথে পাল্লা দিয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে প্রিন্টারের ব্রান্ড এবং মডেল। অনেকেই কম দামে ভাল প্রিন্টার খুঁজে থাকেন। সবার জন্যেই বাজারে এখন কম বাজেট থেকে শুরু করে হাই বাজেটের প্রিন্টার পাওয়া যাচ্ছে।
কম বাজেটের প্রিন্টারের সাথে আজকাল স্ক্যানার এবং ফটোকপির সুবিধাও পাওয়া যাচ্ছে। সেই সাথে আরো কিছু সুবিধাও দিচ্ছে কিছু কিছু ব্র্যান্ড। ব্র্যান্ডের উপর ভিত্তি করে প্রিন্টারের মানের কিছুটা হেরফের হয়ে থাকে। যাইহোক, আমরা আজ এমন ১০টি প্রিন্টার সম্পর্কে জানবো যেগুলো আপনি কম দামে, ২ হাজার টাকা থেকে ১০ হাজার টাকার ভেতর কিনতে পারবেন।
এক নজরে দেখে নিন যা আছে এই লেখায়-
এখন হয়তো আপনার মাথায় দ্বিধা দ্বন্দ্ব কাজ করছে, কোন প্রিন্টারটি ভাল হবে কিংবা বর্তমান বাজারে প্রিন্টারের দাম কেমন হবে ইত্যাদি। আর আপনাদের দ্বিধা দ্বন্দ্ব দূর করার জন্যই আমাদের এই লেখা। তবে প্রিন্টার কেনার আগে আপনার কিছু বিষয় মাথায় রাখতে হবে যা এই লেখায় আলোচনা করা হয়েছে।

বৈশিষ্ট্য:
ঘরোয়া কাজের জন্য যদি প্রিন্টার খুঁজে থাকেন এবং বাজেট কম থাকে, তবে এটা দেখতে পারেন। ওজন এবং সাইজ দুটোই খুব কম। তাই যেকোন জায়গায় এটা রাখতে পারবেন। কালি এবং বিদ্যুৎ খরচ দুটোই সেভ করতে সক্ষম এই প্রিন্টার। আর প্রিন্টারটির সাথে থাকছে ১ বছরের ওয়ারেনটি।
বৈশিষ্ট্য:
এই প্রিন্টারটি মূলত ঘরোয়া কাজের জন্য ভাল। 2pl ইঙ্ক ড্রপলেট এবং 4800 x 600 dpi রঙ্গিন ছবিতে রেজুলেশন পাবেন। সাধারণ প্রিন্টিংয়ের জন্য এই প্রিন্টারটি যথেষ্টে। কেননা প্রিন্টিং স্পিড কিছুটা কম।
বৈশিষ্ট্য:
কম দামের এই প্রিন্টারটিতে আপনি ফটোকপি এবং স্ক্যান করার সুবিধা পাবেন। তাই আপনার বাজেট কম হলে এই প্রিন্টারটি দেখতে পারেন। যদিও খুব ভাল কনফিগারেশনের না, তবে কম দামে ভাল প্রিন্টার হিসাবে ঠিক আছে।
বৈশিষ্ট্য:
শুধু প্রিন্ট করার সুবিধা পাবেন এতে। তবে কালার কোয়ালিটি যথেষ্ট ভাল পাবেন। এর ইনপুট ট্রেতে ১০০ পেজ রাখা যায়। ওয়াই ফাই কানেকশন নেই। তাই এয়ার প্রিন্ট সুবিধা এটাতে পাবেন না। ওয়ারেনটি পাবেন ১ বছর।
বৈশিষ্ট্য:
মোটামুটি দামের এই প্রিন্টারটিতে আপনি প্রিন্ট করার পাশাপাশি স্ক্যান ও ফটোকপি করার সুবিধা পাবেন। এছাড়া এটাতে এয়ার প্রিন্টিংয়ের সুবিধা রয়েছে। ইনপুট ট্রেতে আপনি ৬০ টি পেজ রাখতে পারবেন। যদিও ঘরোয়া কাজে এর বেশী পেজ রাখতে হয় না। আপনি যদি সাধারণ কাজের জন্য প্রিন্টার খুঁজে থাকেন, তবে এই প্রিন্টারটি দেখতে পারেন।
বৈশিষ্ট্য:
এইচপি কোম্পানীর এই প্রিন্টারটিতে আপনি প্রিন্টিং এর পাশাপাশি ফটোকপি করার সুবিধাও পাবেন। প্রিন্টার স্পিড ২০ পিপিএম এবং রঙ্গিন প্রিন্টে পাবেন ১৬ পিপিএম স্বাভাবিক যেকোন কাজের জন্য যা যথেষ্ট। এটা 3 in x 5 in, 3.95 in x 5.9 in, A4, A6, B5, Legal পেজ কপি করতে সক্ষম। এটাতে ওয়্যারলেস কানেকশন নেই তবে হাই স্পিড ইউএসবি কানেকশন রয়েছে। আর এর সাথে পাচ্ছেন ১ বছরের ওয়ারেনটি।
বৈশিষ্ট্য:
এই প্রিন্টারটিতে আপনি প্রিন্ট করার পাশাপাশি স্ক্যান এবং ফটোকপি করতে পারবেন। বলতে পারেন প্রিন্টারটি কিনলে আপনি এক ঢিলে তিন পাখি মারতে পারবেন। প্রিন্টারটিতে আপনি ১ বছরের ওয়ারেনটি পাবেন।
বৈশিষ্ট্য:
কম কালি খরচ করে ভালো আউটপুট দিতে সক্ষম এই প্রিন্টার। ওয়াই ফাই কানেকশন থাকার কারণে আপনি খুব সহজে আপনার স্মার্টফোন থেকে প্রিন্ট করতে পারবেন। এছাড়া প্রিন্টারটিতে এনার্জি সেভিং মোড রয়েছে। এনার্জি সেভিং মোডে এটি মোটামুটি ১.৬ ওয়াট বিদ্যুৎ খরচ করে।
বৈশিষ্ট্য:
প্রিন্টারের সেরা ব্রান্ডের মধ্যে অন্যতম স্যামসাং। স্যামসাং এর অধিকাংশ প্রিন্টারের দাম কিছুটা বেশী। তবে সার্ভিসের দিক দিয়ে যথেষ্ট ভাল। তাদের এই প্রিন্টারটিতে আপনি শুধুমাত্র প্রিন্ট করার সুবিধা পাবেন। ইনপুট ট্রেতে আপনি একসাথে ১৫০ পেজ রাখতে পারবেন। এছাড়া এর মেমরি রয়েছে ৬৪ এমবি। প্রিন্টারটির ওজন ৩.৯৭ কেজি।
বৈশিষ্ট্য:
কম কালি খরচ করে সর্বোচ্চ সেবা দেয়ার ক্ষেত্রে এই প্রিন্টার কার্যকরী ভূমিকা রাখে। প্রিন্টারটিতে আপনি ইউএসবি এবং ওয়াইফাই কানেকশনের মাধ্যমে কাজ করতে পারবেন। এছাড়া এর কার্তুজের দামও বেশ কম। এই প্রিন্টারটিতে আপনি ১ বছরের ওয়ারেনটি পাবেন।
উপরের প্রিন্টার বাদেও বাজারে আরও অনেক প্রিন্টার এই একই দামে রয়েছে। তাই আশা করি এখানে দেয়া রিভিউ থেকে আপনি প্রিন্টার সম্পর্কে ধারণা নিয়ে বাজার থেকে কম দামে ভাল প্রিন্টার কিনতে পারবেন। আর এই লেখাটি শেয়ার করে অন্যদেরও অল্প টাকায় ভাল প্রিন্টারের সন্ধান দিতে পারেন। আর বোনাস হিসেবে থ্রিডি প্রিন্টার সম্পর্কে জেনে রাখতে পারেন যা দিয়ে প্রিন্ট নয়, ডাউনলোড করা যাবে বাড়ি।

আমি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত তবে আমি ওয়েব এবং গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসাবে কাজ করি। হৈচৈ বাংলাতে পোষ্ট পড়ার পাশাপাশি লিখার সুবর্ণ সুযোগ পেয়ে ভালোই লাগছে।

এই প্রিন্টারগুলো পাবো কোথায়? এগুলায় কি মোবাইল দিয়া প্রিন্ট করা যায়?
ধন্যবাদ, খলিল। এই প্রিন্টারগুলো আপনি যে কোনও কম্পিউটার দোকানে পাবেন এবং কিনতে পারবেন অনলাইনেও। ভবিষ্যতের ব্রোকেন লিংক অ্যাভয়েড করার জন্যে আমরা অনলাইন শপগুলোর লিংক দেইনি। আপনি যেটি কিনতে চান, সেটির নাম লিখে গুগলে সার্চ দিন, দেখবেন বাংলাদেশের বেশ কিছু অনলাইন শপে সেগুলো সেল হচ্ছে।
এই প্রিন্টারগুলো কি ব্যাবসার কাজে ব্যবহার উপোযোগী?
বরিশালে কোন দোকানে স্ক্যানার পাওয়া যাবে? একটু জানাবেন কি?
আমার জরুরী একটা প্রিন্টার দরকার। বরিশালে কি পাওয়া যায়, নাকি ঢাকা যেতে হবে? আশা রাখি জানাবেন, নইলে তো অরন্যে রোদন।শুধুই হৈচৈ।
ভাই, অবশ্যই বরিশালে প্রিন্টার পাওয়া যায়। আপনাকে যেটা করতে হবে সেটা হচ্ছে বরিশাল সদরে যেতে, সেখানে আপনি অসংখ্য কম্পিউটার দোকান পাবেন।
এই প্রিন্টারগুলো দিয়ে কি ব্যবসা করা যায়? কম্পিউটার দোকান কিংবা এ জাতীয় প্রতিষ্ঠানের ডকুমেন্ট প্রিন্টের জন্যে?
আমার একটা প্রিন্টার আর্জেন্ট দরকার। কিভাবে যোগাযোগ করতে পারি? হেল্প করুন প্লিজ!!
ধন্যবাদ, সোহেল ভাই। আমরা নিজেরা প্রিন্টারগুলো বিক্রি করছি না। বরং, শুধু মাত্র রিভিউ লিখছি, যাতে ক্রেতারা পছন্দ মতো প্রিন্টার কিনতে পারেন। যাইহোক, আপনি যে এলাকায় থাকেন, সেখানকার কম্পিউটার দোকানে গিয়ে দেখে নিন আপনার পছন্দ করা প্রিন্টারটি আছে কিনা। যদি থাকে, তবে সেখান থেকে কিনে নিন। আর যদি না থাকে, আপনি যে প্রিন্টারটি কিনতে চাইছেন সেটি লিখে অনলাইনে সার্চ দিন এবং অর্ডার করে দিন, তারা নিশ্চয়ই আপনার ঠিকানায় সেটি পাঠিয়ে দেবে।
শুধু সাদাকালো রঙিন এর মাঝে কতো টাকা পরবে।