Cart
No products in the cart.
যারা অনলাইনে চাকরি কিংবা ফ্রি-ল্যান্সিং করে আয় করতে চান তাদের জন্য অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং একটি অন্যতম মাধ্যম। এখানে একজন অ্যাফিলিয়েটর হিসেবে আপনার কাজ হচ্ছে কোন একটা নির্দিষ্ট পণ্য বা ওয়েবসাইট লিংক প্রমোট করা। আপনার দেয়া লিংকে যখন কেউ ক্লিক করবে বা ঐ পণ্যটি কিনবে তখন প্রত্যেকটি ক্লিক এবং ক্রয়ের জন্য একজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার হিসেবে আপনি নির্দিষ্ট পরিমাণ কমিশন পাবেন। অর্থাৎ, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং থেকে আয় করতে পারবেন।
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং থেকে আয় করতে আপনাকে হতে হবে কৌশলী। কারণ আপনার প্রত্যেকটা পোস্টেই যদি আপনি বারবার লিংক দিয়ে যান, তবে আপনার বন্ধু এবং পরিবারের সদস্যারা অবশ্যই বিরক্ত হবে। সুতরাং, আপনাকে সবকিছুর মধ্যে একটা ব্যালেন্স রেখে কাজ করতে হবে।
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং থেকে আয় করার সবচেয়ে সুবিধাজনক বিষয় হচ্ছে একজন অ্যাফিলিয়েটর হওয়ার জন্য আপনাকে কোন টাকা খরচ করতে হবে না। অর্থাং, ফ্রিতেই আপনি একজন অ্যাফিলিয়েটর হিসেবে নিজেকে দাঁড় করাতে পারেন এবং আয় করতে পারেন পর্যাপ্ত।

আরো পড়ুন:
এক নজরে দেখে নিন যা আছে এই লেখায়-
ওয়েবসাইট থেকে আয় এর ক্ষেত্রে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের জনপ্রিয়তা দিন দিনই বাড়ছে। একজন অ্যাফিলিয়েট হিসেবে নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তোলা সহজ বিধায় অনেকেই এখন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং থেকে আয় এর বিষয়ে আগ্রহী। কীভাবে সহজে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং থেকে আয় করা যায় তার উপায়গুলো নিয়ে নিচে আলোচনা করা হলো :-
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং থেকে আয় করার জন্য প্রথমেই আপনাকে এই মার্কেটে প্রবেশ করতে হবে। এর জন্য আপনাকে যা যা করতে হবে তা নিয়ে নিচে আলোচনা করা হল-
দুই ধরনের বিজনেস মডেল আছে। প্রথমটি হলো রিসোর্স সাইট এবং দ্বিতীয়টি রিভিউ সাইট। যে পণ্য বা সার্ভিস নিয়ে আপনি কাজ করবেন সেটার সাথে আপনি কতটা পরিচিত তার ওপর নির্ভর করেই আপনাকে মডেল নির্বাচন করতে হবে।
একজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার হিসেবে কাজ করার জন্য আপনার নিজস্ব একটা প্ল্যাটফর্ম প্রয়োজন ( নিজস্ব ওয়েবসাইট বা ব্লগ) যেখান থেকে আপনি আপনার পছন্দ করা পণ্য বা সার্ভিসের লিংক পোস্ট এবং অ্যাডভারটাইজ করতে পারবেন। আপনার যদি ইতোমধ্যেই একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগ থেকে থাকে তাহলে সেই প্ল্যাটফর্মকে ব্যবহার করে একজন অ্যফিলিয়েট মার্কেটার হিসেবে অতিরিক্ত আয় শুরু করতে পারেন। আর যদি না থাকে তাহলে তৈরি করতে হবে।
বেশির ভাগ অ্যাফিলিয়েট মার্কেটাররাই একটা নির্দিষ্ট জায়গা বা বিশেষ সীমানা নির্বাচন করে নেয়। যেখানে পণ্য বা সার্ভিসের বিজ্ঞপন দিয়ে আয় করা যায়।
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং থেকে আয় করার জন্য জায়গা নির্বাচনের পরেই আপনাকে আপনার পছন্দের পণ্য বা সার্ভিস নির্বাচন করে নিতে হবে।
অন্যান্য অ্যাফিলিয়েটদের সাথে যোগাযোগ করলে আপনি আরো অভিজ্ঞতা প্রাপ্ত হবেন। নিজের ক্যারিয়ার দাঁড় করাতে এটি ভূমিকা রাখে। অ্যাফিলিয়েটদের সাথে নিম্নোক্ত যে কোন এক ভাবে যোগাযোগ করতে পারেন :-
যখন আপনি একটি জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম দাঁড় করাবেন এবং নিরাপদ অ্যাফিলিয়েটদের সাথে কাজ করবেন তখন আপনাকে অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রামে ট্রাফিক ড্রাইভ করানোর প্রয়োজন পড়বে। অনেকগুলো পদ্ধতির মাঝে সহজ ও সফল একটি হচ্ছে, একটা ব্লগ পোস্ট বা ওয়েব আর্টিকেল লিখে সাবসক্রাইবারদেরকে অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রামে ইনভাইট করা। এছাড়াও আছে :-
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং থেকে আয় করতে হলে আপনাকে অবশ্যই ধীরে ধীরে আপনার বিজনেস ডেভলপ করতে হবে। আপনার অ্যাফিলিয়েট বিজনেসকে ভালভাবে ডেভেলপ করার জন্য যা যা করতে পারেন-
একজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার হিসেবে অভিজ্ঞতা এবং পরিচিতি অর্জনের দ্রুত এবং সহজ একটা পদ্ধতি হচ্ছে যে কোন অনলাইন কমিউনিটি বা ফোরামে যোগদান করা। এই অনলাইন রিসোর্সগুলোতে ফ্রি জয়েন করা যায়।
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং থেকে আয় করতে যথেষ্ট কাজ করতে হয় এবং তা ধৈর্যের সাথে। মার্কেটারকে অন্যান্য অ্যাফিলিয়েটদের সাথে অবশ্যই একটা ভালো সম্পর্ক গড়ে তুলতে হয়।
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং থেকে আয় এর জন্য অন্যদের কেবল নিজের ওয়েবসাইট ভিজিট করানোই যথেষ্ট নয়। আয় তখনি হবে যখন কেউ আপনার অ্যাফিলিয়েট লিংকে ক্লিক করবে। এর জন্য চারটা পদ্ধতি রয়েছে :-

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং থেকে আয় এর ক্ষেত্রে পে-পার-ক্লিক সবচেয়ে সহজ উপায়। একটা ভালো পে-পার-ক্লিক অ্যাডে যা রাখবেন :-
বেশি সংখ্যক অ্যাফিলিয়েট থাকার মানেই এই নয় যে আপনি বেশি আয় করবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ে সফল হওয়ার মূলমন্ত্র হচ্ছে সঠিক অ্যাফিলিয়েটদেরকে দিয়ে প্ল্যাটফর্ম দাঁড় করানো। ছোট বা বড় যেকোন সাইট হোক না কেন, অ্যাফিলিয়েটদের সাথে ভালো সম্পর্ক রাখাটাই হচ্ছে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং থেকে আয় করার জন্য আপনাকে আপনার টার্গেট সেট করতে হবে। অর্থাৎ আপনি কী কী আশা করেন তা ঠিক করে নিতে হবে। এক্ষেত্রে আপনি কী কী করতে পারেন তা নিয়ে নিচে আলোচনা করা হল-
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ে এসে অনেকেই খুব দ্রুত ধনী হবার আশা করে। কিন্তু এখানে অনেক পরিশ্রমের প্রয়োজন, বিশেষ করে প্রথম দিকে। কিছু মার্কেটার আছে যারা দৈনিক ১২ ঘণ্টা পরিশ্রম করে এবং সেটা সপ্তাহের সাত দিনই।
→ মনে রাখবেন, এই ক্ষেত্রটা অনেক বেশি প্রতিযোগিতামূলক এবং অনেক মার্কেটিং কোম্পানি নিজস্ব মার্কেটার দিয়েই নিজেদের কোম্পানি পরিচালনা করে।
একজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটারের নিজস্ব আলাদা অ্যাফিলিয়েট লিংক থাকে। এটা কাস্টমারের ওপর কোন প্রভাব ফেলে না এবং এতে নির্ধারিত পণ্যের মূল্যও পরিবর্তন হয় না। কেউ যখন ওই লিংক ক্লিক করে নির্দিষ্ট সময় সীমার মধ্যে কোন পণ্য ক্রয় করে তখন অ্যাফিলিয়েট সেই ক্রয়ের কমিশন পাবে। অ্যাফিলিয়েট হিসেবে আপনি কতটা আয় করবেন তা ওই পণ্যের দাম এবং কমিশন পার্সেন্টেজের ওপর নির্ভর করবে।
একজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার হিসেবে অবশ্যই আপনার একটা টার্গেট ডেমোগ্রাফি থাকবে। আপনার পণ্যের বিজ্ঞাপন এমন ভাবে দিতে হবে যেন টার্গেট ডেমোগ্রাফি সংখ্যক ভিজিটর আপনার ওয়েবসাইটটি ভিজিট করে।
প্রথমেই বলা হয়েছে যে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং থেকে আয় করতে আপনাকে হতে হবে পরিশ্রমী এবং ধৈর্যশীল। এখানে একটা ভালো প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে হলে সময়ের প্রয়োজন। যথাযথ পরিশ্রম এবং কৌশল অনুযায়ী কাজ করলে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং থেকে আয় করা অত্যন্ত সহজ।

আমি নোয়াখালী সায়েন্স এন্ড টেকনোলোজি ইউনিভার্সিটির এগ্রিকালচার ডিপার্টমেন্টে পড়ছি। গল্প লেখায় মূলত মনোযোগী হলেও টেকনোলোজি বিষয়ক লেখালেখিটা মন্দ লাগছে না।

I want to do affiliate marketing but I don’t know how. Can any one help me to learn this?
Affiliate marketing is actually selling products & if you want to start it, you need a website first. Then, you have to write product review articles & publish on your website. When your website will have 20 to 25 articles, you can connect it to Amazon Affiliate, Ebay, Alibaba & other affiliate programs.
খুব ভালো তথ্য দিয়েছেন এই পোস্ট এর মাধ্যমে। যারা নতুন এফিলিয়েট মার্কেটিং সম্পর্কে জানে না, তাদের এই পোস্টটি খুব কাজে লাগবে বলেই মনে করি। কারণ, আপনি এফিলিয়েট মার্কেটিং এর সমস্ত ব্যাপারটিকে খুব সুন্দরভাবে গুছিয়ে লিখেছেন, ধন্যবাদ।