Cart
No products in the cart.

মোবাইলের জন্য সেরা ৫টি ব্যাটারি সেভার অ্যাপস্ নিয়ে আজকের পোস্ট। এ ৫টি অ্যাপস্ থেকে আপনার জন্য সেরা অ্যাপস্টি বাচাই করে নিতে পারেন। আর খুব সহজেই আপনি আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ব্যাটারি সেভ করে দীর্ঘ সময় জুড়ে চার্জ ধরে রাখতে পারেন।
এখনকার সময় একটি দামি বা কম দামি স্মার্টফোন ব্যবহার করা তেমন কোন ব্যাপার নয়। কিন্তু ব্যাটারি লেভেল মেইনটেন করা সত্যি একটা ব্যাপারই বটে। মোবাইলের ব্যাটারিতে দীর্ঘক্ষণ চার্জ থাকে না বলে অভিযোগ রয়েছে প্রায় সবাইরই। এমনকি স্মার্টফোন কোম্পানীগুলোর প্রতিও অনুযোগ অভিযোগের শেষ নেই। কেন তারা ব্যাটারির চার্জ লেভেল আরো বাড়াচ্ছে না! কেন এত দূর্বল ব্যাটারি দিয়ে মোবাইল ছেড়ে দিচ্ছে বাজারে!
কিন্তু আপনি কী কখনো ভেবেছেন, আপনি আপনার মোবাইলের ব্যাটারির কতটুকু যত্ন নিচ্ছেন! কিংবা কিভাবে ব্যবহার করলে ব্যাটারির আয়ু আরো বাড়িয়ে নেয়া যেতে পারে! আপনি দীর্ঘক্ষণ বন্ধুদের সঙ্গে চ্যাট করছেন, মোবাইলে গেম খেলছেন, কিংবা ব্যাগগ্রাউন্ডে অনেক অ্যাপস্ রানিং অবস্থায় রেখে দিয়েছেন যা আপনার ব্যাটারির আয়ু কমিয়ে দিচ্ছে দ্রুত। তবে এত কিছুর মাঝেও ব্যাটারির আয়ু আপনি দীর্ঘক্ষণ ধরে রাখতে পারবেন যদি আপনি একটি সেরা ব্যাটারি সেভার অ্যাপস্ ব্যবহার করেন।
এক নজরে দেখে নিন যা আছে এই লেখায়-
এখানে সেরা ৫টি ব্যাটারি সেভার অ্যাপস্ নিয়ে আলোচনা করা হল যেখান থেকে যে কোনটি ব্যবহার করে আপনি আপনার ব্যাটারির লাইফ নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। চার্জ ধরে রেখে দীর্ঘ সময় জুড়ে মোবাইল ব্যাবহার করতে পারবেন, ইচ্ছে মত গেম খেলা কিংবা নেট ব্রাউজিং করতে পারবেন।
আরো পড়ুন:
DU Battery Saver অন্যতম সেরা একটি অ্যান্ড্রয়েড ব্যাটারি সেভার অ্যাপ যা খুব সহজেই আপনার স্মার্টফোনের ব্যাটারির ব্যাবআপ বাড়িয়ে দিতে পারে। বর্তমানে অসংখ্য লোক এই অ্যাপটি ব্যবহার করছেন। এটাকে অ্যান্ড্রয়েড ফোনের পাওয়ার ম্যানেজারও বলা হয়ে থাকে। এটা স্মার্টফোনের ব্যাটারির আয়ু কমপক্ষে ৫০ ভাগ পর্যন্ত বাড়িয়ে দিতে পারে। আর প্রিমিয়াম ভার্সণ শুধু ৫০ ভাগ নয়, ৭০ ভাগ পর্যন্ত ব্যাটারির আয়ু বাড়াতে পারে।
অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ব্যবহারকারীদের কাছে এটি খুবই পপুলার একটি ব্যাটারি সেভার অ্যাপস্। গুগল প্লে’র অ্যানালিটিক্স অনুসারে এ অ্যাপস্ টির ইউজার সংখ্যা ৪০০ মিলিয়ন ছাড়িয়ে গিয়েছে। কাজেই আপনি যদি এমন একটি অ্যাপ ব্যবহার করতে চান যা সর্বাধিক পরীক্ষিত, তাহলে এই অ্যাপ ব্যবহার করতে পারেন নির্ধিদ্বায়।

এই অ্যাপস্ টি একজন ডাক্তারের মতই আপনার ব্যাটারির চিকিৎসা করবে, আয়ু বাড়ানোর ঔষধ দেবে। অসংখ্য দরকারি ফিচার দিয়ে সাজানো অন্যতম সেরা এই ব্যাটারি সেভার অ্যাপস্ টি ব্যবহার করতে পারেন সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। আপনার মোবাইলের ব্যাটারি সব সময় সঠিক রিডিং নাও দিতে পারে। কিন্তু অ্যাপস্ আপনাকে একেবারে সঠিক পার্সেন্টেস্ দেখিয়ে দেবে।
অপ্রয়োজনে চালু থাকা যে কোন ফিচার বন্ধ করে দেয় এই অ্যাপ। ফলে আপনার অজান্তেই খরচ হয়ে যেত এমন চার্জকে সেভ করে আপনার ব্যাটারির আয়ু বাড়ায় এটি। ব্যবহারকারীদের মতে, এই অ্যাপস্ টি ব্যাটারির আয়ুর বাড়াতে পারে ৫০ ভাগ পর্যন্ত।

এই অ্যাপস্ টি এ গুগল প্লে থেকে এ যাবৎ ১ কোটি ৫০ লক্ষেরও বেশি লোক ডাউনলোড এবং ব্যবহার করেছেন। সুতরাং বুজতেই পারছেন ব্যাটারি সেভিং অ্যাপস্ এর জগতে এটি কতখানি জনপ্রিয়! এই অ্যাপস্ টির পাওয়ার সেভিং মুড ফিচারটি অন করে আপনি আপনার মোবাইলের ব্যাটারির আয়ু কয়েক গুন বাড়িয়ে নিতে পারেন।
এই অ্যাপস্ এর গুরুত্বপূর্ণ ফিচারের মধ্যে রয়েছে স্মার্ট সেভিং, টগল কন্ট্রোল, পাওয়ার টেস্টিং সহ আরো অনেক ফিচার। এই সব ফিচার এতই কার্যকরী যে একবার চার্জ দিয়ে আপনি দ্বিতীয় বার চার্জ দেয়ার কথা দীর্ঘ সময় ধরে ভুলে থাকতে পারেন।

পপুলার ব্যাটারি সেভার অ্যাপস্ গুলোর মধ্যে আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ অ্যাপস্ হচ্ছে অ্যাভাস্ট ব্যাটারি সেভার। খুবই কার্যকরী এই অ্যাপস্ টি সম্পূর্ণ ফ্রি। জনপ্রিয় এন্টি-ভাইরাস সফট্ওয়্যার কোম্পানী অ্যাভাস্টই তৈরি করেছে এটি। এটি অনলাইন এবং অফ লাইন উভয় ক্ষেত্রেই কাজ করে। আপনি চাইলে নিজেই এটি মুডে কাজ করবে তা ঠিক কর দিতে পারবেন।

ব্যাটারি অপটিমাইজার এন্ড ক্লিনার বিশ্বের অন্যতম সেরা কম্টিউটার অ্যাক্সেসরিজ কোম্পানী ইন্টেলের তৈরি একটি অসাধারণ অ্যাপ। এটি শুধু ব্যাটারির চার্জ সেভ করে আয়ুই বাড়ায় না, পাশাপাশি আপনার মোবাইলের র্যাম পরিস্কার করে, স্টোরেজ পরিস্কার করে এবং মোবাইলের ডাটা ব্যবহার মনিটর করে।

আশা করি, ইতিমধ্যেই আপনি একটি সেরা ব্যাটারি সেভার অ্যাপস্ পছন্দ করে ফেলেছেন। আজই গুগল অ্যাপ স্টোর থেকে ডাউনলোড করে নিন। আর নিশ্চিত থাকুন আপনার ব্যাটারির সর্বোচ্চ সেবা নিয়ে।

আমি নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং-এ অধ্যায়নরত। হৈচৈ বাংলা ওয়েবসাইটে মাঝে মধ্যে শখের বশে লিখি; যদিও টেকনোলোজি আমার পড়াশুনার সঙ্গে সম্পৃক্ত, তবু যে কোন বিষয়েই লিখতে ভাল লাগে।
