Cart
No products in the cart.

বাংলাদেশের রাজধানী, ঢাকার সকল ডায়াবেটিস হাসপাতাল সম্পর্কে জেনে রাখা জরুরী। কারণ, ডায়াবেটিস এমন একটা রোগ যা আপনার পরিবারের কারো না কারো আছেই। তাই, যে কোনও সময় জরুরী প্রয়োজন হতে পারে সরকারি ডায়াবেটিস হাসপাতালের তথ্য, ঠিকানা, ফোন নাম্বার, ওয়েবসাইট।
এক নজরে দেখে নিন যা আছে এই লেখায়-
বিনামূল্যে চিকিৎসা প্রাপ্তির সুবাদে ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যে আদর্শ হল হাসপাতাল হলো বারডেম জেনারেল হাসপাতাল। এটি ঢাকার প্রাণকেন্দ্র শাহবাগে অবস্থিত যা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ঠিক বিপরীত পাশে।
বারডেম জেনারেল হাসপাতাল ১৯৮৯ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি সম্পূর্ণ বেসরকারি প্রতিষ্ঠান যা প্রতিষ্ঠা করেন ডা: মোহাম্মদ ইব্রাহিম। স্বনামধন্য এই জাতীয় অধ্যাপক বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতিরও প্রতিষ্ঠাতা। বারডেম হাসপাতালের পাশেই তার নামে রয়েছে আরেকটি বিখ্যাত সরকারি হাসপাতাল যার নাম ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হসপিটাল এন্ড রিসার্চ ইনষ্টিটিউট।
১৬, ৮ ও ৫ তলা বিশিষ্ট তিনটি ভবনের সমন্বয়ে বিশাল এই হাসপাতালটি ভরসা জুগিয়ে আসছে ঢাকার প্রায় সকল ডায়াবেটিস রোগীদের। উন্নত মানের চিকিৎসা, আধুনিক সুযোগ-সুবিধা ও রোগীদের প্রতি ডাক্তারদের আন্তরিকতার কারণে ঢাকার বাহির থেকেও মানুষ এই হাসপাতালে চিকিৎসা সেবার জন্যে এসে থাকেন।
যোগাযোগ———————————————–

নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন, এটিও বারডেম জেনারেল হাসপাতাল এবং ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হসপিটাল এন্ড রিসার্চ ইনষ্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা ডা: মোহাম্মদ ইব্রাহিমের নামে প্রতিষ্ঠিত একটি ডায়াবেটিস হাসপাতাল। তবে, এই হাসপাতাল মূলত ডায়াবেটিস রোগীদের পাঁয়ের চিকিৎসার উদ্দেশ্যে গড়ে উঠেছে। এমনকি, এই হাসপাতালটিই বাংলাদেশের একমাত্র ফুট কেয়ার সেন্টার হিসেবে পরিচিত।
ডায়াবেটিস রোগীরা সাধারণত পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি নামক মারাত্মক নার্ভ ডেমেজের কারণে পাঁয়ের সমস্যায় ভুগে থাকেন। যদিও নিউরোপ্যাথি ডায়াবেটিস রোগীর সমগ্র শরীর আক্রান্ত করতে পারে, তবে ৯০ ভাগ রোগীর ক্ষেত্রেই পাঁ আক্রান্ত হতে দেখা যায়, পাঁয়ে ঘা হয়ে যায় যা সহজে শুকাতে চায় না। অনেক রোগীর ক্ষেত্রেই এক জায়গা থেকে সারা পাঁয়ে ক্ষত ছড়িয়ে পড়ে এবং কারো কারো ক্ষেত্রে পাঁ কেটে ফেলার উপক্রম হয়।
কাজেই, ডায়াবেটিস রোগীদের পাঁয়ের চিকিৎসা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর এই গুরু দায়িত্বটি নেয়ার জন্যেই গড়ে উঠেছে বারডেমের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ইব্রাহিম ডায়াবেটিক ফুট কেয়ার হসপিটাল যা ঢাকার ওয়ারীতে অবস্থিত। বাংলাদেশের যে কোনও প্রান্তের যে কোনও ডায়াবেটিস রোগী এই হাসপাতালে চ্যারিটি চিকিৎসা নিতে পারবেন।
যোগাযোগ———————————————————
গুরুত্বপূর্ণ যে-সব ডাক্তার রয়েছেন: প্রপেসর হাজেরা মাহতাব (8035501-6, Ext: 1171), ডা. উম্মে সাদিয়া মিলি (8035501-6, Ext: 1187), ডা. মো: ইউসুফ (8035501-6, Ext: 1185), ডা. মো: এ. হাসনাত শাহিন (8035501-6, Ext: 1190)।
যোগাযোগ——————————————————————–
শেষ কথা
বাংলাদেশ ডায়াবেটিক এসোসিয়েশনের তথ্য মতে, বাংলাদেশে ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা প্রায়৭০ লক্ষ। প্রতিটি রোগীর পেছনে মাসে গড়পতি ২ হাজার টাকা খরচ হয়। সেই হিসেবে বছরে খরচ হয় ১৬ হাজার ৮শ কোটি টাকা।
ডায়াবেটিস এমন একটি রোগ যা থেকে পুরোপুরি ভাল হওয়া সম্ভব নয়, তবে কিছু নিয়ম-কানুন মেনে ভাল থাকা সম্ভব। আর নিয়মগুলো মানতে হবে ডাক্তারের পরামর্শক্রমে। বিশেষ করে উপরে উল্লেখিত ঢাকার সকল ডায়াবেটিস হাসপাতাল থেকে নিজের বাসস্থানের কাছাকাছি হাসপাতালের যে কোনও ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে একটি নিয়মতান্ত্রিক জীবন-যাপন আপনাকে সুস্থ্য থাকার নিশ্চয়তা দিতে পারে।

আমি টঙ্গী সরকারি কলেজে ইংরেজী সাহিত্যে অনার্স পড়ছি। বইয়ের পোকা হিসেবে বন্ধু-বান্ধবের কাছে ব্যাপক দূর্ণাম রয়েছে। একজন নির্ভেজাল মানুষ হিসেবে নিজেকেই নিজের চারিত্রিক সদনপত্র দিয়ে রেখেছি।

আমার আম্মু আজ প্রায় তিন বছর ধরে ডায়াবেটিস রোগে ভুগতেছে
অনেক ডাক্তার দেখিয়েছে অনেক ওষুধ খাওয়াইছি কিন্তু তার ডায়াবেটিস কোন রকমে কন্ট্রোলে আসতেছে না
এবং আমি চাচ্ছি ঢাকা নিয়ে যাবো
উপরোক্ত কোন হাসপাতালে নিয়ে গেলে আমার আম্মুর ডায়াবেটিস সম্পর্কে ডাক্তারের কাছ থেকে ভালো পরামর্শ পাব
বা কোন ডাক্তারের কাছে গেলে
ভালো একটা রেজাল্ট পাব
আমাকে যদি দয়া করে একটু বলতেন বা ঠিকানাটা দিতেন খুবই উপকৃত হতাম