Cart
No products in the cart.

ক্রিকেট খেলায় বোলিং নিয়ে অনেকেরই আগ্রহ থাকে। অনেকেই চান খুব ভালো কোন স্পেল করতে, ভালভাবে বোলিং করতে। তাই, প্রয়োজন ক্রিকেট বোলিং টিপস যা আগ্রহীকে ভাল বোলার হতে সাহায্য করবে।
কিছু পেশাদার টিপস জানা থাকলে আপনি হয়তো অন্যদের থেকে এগিয়ে থাকবেন। আজ থাকছে এমনই দশটি বোলিং টিপস।
এখানে যে ১০টি টিপস্ দেয়া হচ্ছে, সেগুলো আমার নিজের নয়। বিভিন্ন সময়ে বিখ্যাত বোলারদের দেয়া ছোট ছোট পরামর্শগুলোকে আমি এক জায়গায় একত্র করেছি মাত্র।
আশা করি, এগুলো ফলো করে আপনিও একজন ভাল বোলার হতে পারবেন। আর এই সব টিপস্ অ্যাপ্লাই করার পাশাপাশি বিখ্যাত বোলারদের বোলিং স্টাইল দেখুন এবং অনুসরণ করুন। জেনে রাখুন সর্বকালের সেরা দশ জন ফাস্ট বোলার সম্পর্কে যা আপনাকে অবশ্যই অনুপ্রাণীত করবে। এবার চলুন, টিপস্গুলো নিয়ে কথা বলা যাক-
এক নজরে দেখে নিন যা আছে এই লেখায়-

আধুনিক ও অভিজাত ক্রিকেটে একজন ক্রিকেটার জানেন যে তিনি আসলে ঠিক কি করতে চান। সেটা অনুশীলন হোক কিংবা ম্যাচে।
তাই নির্দিষ্ট করে নিন আপনি ঠিক কি করতে চাইছেন।
লক্ষ্যগুলো যাতে চ্যালেঞ্জিং হয় এবং আপনি যাতে তা অর্জন করতে পারেন।
যেমনঃ এই ওভারের দুটি বল গুড লেন্থে করব বা তিন বার বলকে উইকেট বরাবর রাখবো, এরকম কোন লক্ষ্য।
প্রথমেই ছোট ছোট লক্ষ্য ঠিক করে নিন এবং তা অর্জন করে নিন।
এক ওভারে ৬ টি ডেলিভারী করতে পারবেন। ঠিক করে নিন আপনি কিভাবে ব্যাটসম্যানের উপর চাপ তৈরী করবেন। লক্ষ্য স্থির করুন আপনি আপনার স্পেলের কোন সময় উইকেট নিতে চান।
আপনি হয়তো টি-টুয়েন্টিতে ৬ বলই করার সুযোগ পাবেন। ওয়ানডেতে হয়তো ৫ ওভার। টেস্টে হয়তো সুযোগ পেতে পারেন ৮-১০ ওভারের।
ভাববেন না।
প্ল্যান করুন, আপনি যতটুকু সুযোগ পেয়েছেন ততটুকু সময়ই প্রতিপক্ষ ব্যাটসম্যানের উপর চাপ প্রয়োগ করে যান। আর এই চাপই উইকেট এনে দেবে আপনাকে।
ধ্যৈর্য ধরুন, গ্লেন ম্যাকগ্রার মত ধ্যৈর্যসহকারে বোলিং করে যান। ধ্যৈর্য ধরুন সফল হবেনই।
আপনি কোচ ও অধিনায়কের সাথে কথা বলে ম্যাচে আপনার ভূমিকা সম্পর্কে অবগত হয়ে নিন। আপনার দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন হোন।
আপনাকে যেভাবে ভূমিকা রাখতে বলা হয়, তা যদি আপনার পছন্দ নাও হয় তবুও টিমের জন্য তা মেনে নিন।
সুযোগের সদ্বব্যবহার করুন। কারণ এ ছোট ছোট ভূমিকা পালন করতে পারলেই আপনি বড় ভূমিকা পালনের সুযোগ পাবেন।
এলিট বোলাররা রান-আপে থাকার সময় তাদের শরীরকে সামনের দিকে রেখে এগিয়ে যায়। এর অর্থ হল সে, প্রতিপক্ষ ব্যাটসম্যানকে গুড়িয়ে দেয়ার লক্ষ্য নিয়েই ছুটছে।
আপনিও শারীরিক ভঙ্গিও তাদের মত করুন।
রান-আপে থাকার সময় লক্ষ্য স্থির করে ফেলুন। আপনার মস্তিষ্কে আপনার টার্গেট লেন্থের ছবি ধারণ করে নিন এবং টার্গেট লেন্থে বোলিং করুন।
ডেল স্টেইন ভয়ংকর সুন্দরভারে এই কাজটি করতে পারে।
আপনার প্রতিটি বলই চাপ তৈরীর হাতিয়ার, একটি সম্ভাব্য উইকেটের সুযোগ। তাই প্রতিটি ডেলিভারী করার দিকে পরিপূর্ণ মনোযোগ দিন।
আপনি যদি আপনার স্পেলের একটি ওভার করতেই অতিরিক্ত শক্তি খরচ করে ফেলেন, তবে আপনি পুরো স্পেল সম্পন্ন করতে পারবেন না।
তাই প্রতিটি বল করার পূর্বে শান্ত হন। বড় একটি শ্বাস নিন এবং পরবর্তী ডেলিভারীর জন্য লক্ষ্য নির্ধারণ করুন যে ঐ ডেলিভারী করতে আপনি কত শক্তি খরচ করতে চান অর্থ্যাৎ কেমন গতিতে করতে চান।
স্টক বল হচ্ছে কোন রকম বৈচিত্রহীন খুবই সাধারণ একটি ডেলিভারী। কোন বল সরাসরি ব্যাটসম্যানের দিকে ছুড়ে মারলে যেমন হয়, তাই স্টক বল।
স্টক বল একজন বোলারের শক্তির জায়গা হওয়া উচিত। স্টক বলের উপর যদি আপনার নিয়ন্ত্রণ না থাকে, তাহলে আপনি কোন বোলারই নন।
স্টক বলের উপর নিয়ন্ত্রণ না থাকলে অনুশীলন করে আয়ত্বে আনুন।
ভ্যারিয়েশন হল স্টক বলকে মুভমেন্ট করানো। তাই স্টক বলে নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আসাটা বোলিংয়ের গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
আপনি বোলিং করার সময় আপনার বোলিংয়ের হাত শরীরের কাছাকাছি রাখুন। তারপর আপনার কব্জিকে সামনের দিকে ঠেলে দিয়ে বল করুন।
ব্রেট লি আর শেন ওয়ার্ন এর আদর্শ উদাহরণ।
শরীরের কাছাকাছি বোলিং হাত রেখে বল করলে শরীরের শক্তি খুব ভালভাবে কব্জির ভেতর দিয়ে প্রসারিত হতে পারে এবং দ্রুত গতির ডেলিভারী করা সম্ভব হয়।
ভাবুন আপনি আপনার প্রিয় বোলারের স্কিল নিজে করতে পারছেন। চিন্তা করুন যে, আপনি আপনার যে লক্ষ্য স্থির করেছেন তা খুব সহজেই অর্জন করে ফেলেছেন।
নিজেকে আপনি যে উচ্চতায় দেখতে চান মনে করুন আপনি সেখানে পৌছে গেছেন।
এতে আপনার মনে একটি অন্যরকম কর্মচাঞ্চল্য তৈরী হবে। আপনার অবচেতন মন এতে বিভ্রান্ত হবে, আর আপনিও অনুশীলনের প্রচন্ড আগ্রহ খুঁজে পাবেন।
উপরে যে বোলিং টিপস দেয়া হয়েছে, আশা করি এই টিপসগুলো আপনাদের কাজে লাগবে, বিশেষ করে যারা ভাল বোলার হতে চান।

আমি হাছিব। প্রযুক্তি খুব ভাল লাগে আমার।বিভিন্ন বিষয় নিয়ে লেখালেখি করতেও ভাল লাগে। টেক ট্রেইনি ওয়েবসাইট এর বিভিন্ন পোষ্ট পড়তাম, ভাল লাগতো। এভাবেই এই ওয়েবসাইটে লেখার আগ্রহ তৈরী হয়।
