Cart
No products in the cart.

এফিলিয়েট মার্কেটিং এমন একটা অ্যাডভার্টাইজিং মডেল যেখানে কোম্পানী বা মার্চেন্টরা থার্ড-পার্টি পাবলিশারদেরকে লিড জেনারেশন এর জন্যে কমিশন দিয়ে থাকে।
লিড জেনারেশন মানেই হচ্ছে কোম্পানীর প্রোডাক্টস্ সেলস্ আর সেলস্ মানেই আয় বৃদ্ধি। এফিলিয়েটররা তাদের ওয়েবসাইট বা ব্লগের মাধ্যমে এই কাজটি করে থাকেন, যেখান থেকে তাদেরও আয় হয়ে থাকে।
ইন্টারনেটের শুরুর সময়টা থেকেই এফিলিয়েটের একটা মডেল তৈরি হয়েছিল যা ১৯৯৪ এর দিকে জনপ্রিয় হতে শুরু করে। বর্তমানে এটি বিশ্ব বাজারের জন্যে একটি বড় ধরণের মার্কেটিং চ্যানেল, যেটাকে অনেকে কমার্স ফর্মও বলে থাকেন।
যে কেউই খুব সামান্য বিনিয়োগের মাধ্যমে এফিলিয়েটের মতো একটা লাভজনক ব্যবসা শুরু করতে পারেন। এমনকি, এটি শুরু করাটা মোটেই কঠিন কিছু নয়। তবে, শুরু করার আগে এফিলিয়েট মার্কেটিং এর কিছু ফ্যাক্টস্ জেনে রাখা আপনার কাজে দেবে।
এর আগে আমরা এফিলিয়েট মার্কেটিং এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিসংখ্যান নিয়ে আলোচনা করেছিলাম। আর আজ আলোচনা করতে যাচ্ছি ফ্যাক্টস্ নিয়ে।

উপরোক্ত ফ্যাক্টসগুলো হয়তো আপনাকে খুব একটা উপকার পৌঁছাবে না। কিন্তু, অনলাইনে কাজ করার ব্যাপারে ছোট থেকে ছোট সকল জ্ঞানই কখনো না কখনো কাজে লাগে।

আমি নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং-এ অধ্যায়নরত। হৈচৈ বাংলা ওয়েবসাইটে মাঝে মধ্যে শখের বশে লিখি; যদিও টেকনোলোজি আমার পড়াশুনার সঙ্গে সম্পৃক্ত, তবু যে কোন বিষয়েই লিখতে ভাল লাগে।

USA ও UK র মতো আমাদের এশিয়ার দেশগুলিতেও এফিলিয়েট মার্কেটারদের সংখ্যা ভবিষ্যতে বহুগুন বাড়বে।
এফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাইন্ডব্লোয়িং কিছু ফ্যাক্ট জানলাম, কাজে দেবে।
Nothing but some unnecessary information.