Cart
No products in the cart.

অ্যান্ড্রয়েড ফোনে গান শুনতে হলে অবশ্যই একটি মিউজিক প্লেয়ার থাকা দরকার। ডিফল্টভাবে একটি মিউজিক প্লেয়ার ডিভাইসে ইন্সটল করা থাকে। কিন্তু ডিফল্ট প্লেয়ার অনেক সময় সন্তোষজনক নাও হতে পারে। প্রতিটি অ্যান্ডয়েডে “Google Play Music” ডিফল্ট মিউজিক প্লেয়ার হিসাবে সেট করা থাকে। তবে আরও অনেক মিউজিক প্লেয়ার রয়েছে। এই পোস্টে আমরা আলোচনা করবো সেরা সাতটি মিউজিক প্লেয়ার অ্যাপস্ সম্পর্কে।
এক নজরে দেখে নিন যা আছে এই লেখায়-
গুগলে প্লে স্টোরে অনেক মিউজিক প্লেয়ার অ্যাপ পাওয়া যাবে। তবে সেগুলোর সবই যে ব্যবহার করে ভালো লাগবে এমনটা নয়। এখানে এমন কিছু মিউজিক প্লেয়ার অ্যাপস সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরা হবে যেগুলো আপনার ভালো লাগতে পারে। তো চলুন জেনে নেওয়া যাক, সেরা ৭টি অ্যান্ড্রয়েড মিউজিক প্লেয়ার অ্যাপস সম্পর্কে।
খুব সহজ এবং মার্জিত একটি মিউজিক প্লেয়ার অ্যাপ হলো ব্ল্যাকপ্লেয়ার। অ্যাপটি কাজ করে ট্যাব স্ট্রাকচারের উপর। আপনি ইচ্ছা করলে ট্যাব কাস্টমাইজ করতে পারবেন। যার ফলে আপনি যে-টুকু চাইবেন সে-টুকুই ব্যবহার করতে পারবেন।
এছাড়াও BlackPlayer অ্যাপের রয়েছে উইজেট, স্ক্রবব্লিং, একটি ID3 ট্যাগ এডিটর এবং সর্বাধিক ব্যবহৃত মিউজিক ফাইল সাপোর্ট সুবিধা।

একটি ভালো মিউজিক প্লেয়ার হিসাবে jetAudio HD এর রয়েছে যথেষ্ট বৈশিষ্ট্য। যার ফলে দীর্ঘ সময় অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের কাছে এটি জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এই প্লেয়ারটির অডিও এনহেন্সমেন্ট প্লাগিন বৈশিষ্ট্যের কারণে আপনি আপনার সঙ্গীত অভিজ্ঞতা স্বাভাবিক তুলনায় একটু বেশি “Tweak” করতে পারবেন।
ইকুয়ালাইজারের সাথে বেজ বুস্টের মতো সিম্পল ইফেক্ট, ট্যাগ এডিটর, উইজেট এবং MIDI প্লেব্যাক এই jetAudio HD অ্যাপটির অন্যতম বৈশিষ্ট্য। অন্যতম সেরা মিউজিক প্লেয়ার অ্যাপস্ হিসেবে এটি ব্যবহার করতে পারেন কোন রকম দ্বিধা না করেই।

মিউজিক প্লেয়ার অ্যাপ ব্যবসায় এই অ্যাপসটি হলো “Dark Horse”। এতে অডিওবক্স, পডকাস্ট এবং সঙ্গীত শিল্পী দ্বারা গানগুলো সাজানোর ক্ষমতাসহ সাংগঠনিক বৈশিষ্ট্যের টোন রয়েছে এই অ্যাপসটিতে।
এছাড়াও, এতে রয়েছে ইকুয়ালাইজারের মতো মৌলিক উপাদান। আপনার কম্পিউটার থেকে মিউজিক লাইব্রেরীকে আপনার ফোনে সিঙ্ক করতে পারে এই অ্যাপটি।

অনেক প্রয়োজনীয় বৈশিষ্ট্য রয়েছে এই অ্যাপসটির, যার ফলে এটি আপনার ভালো লাগতে বাধ্য। ইকুয়ালাইজার, ট্যাগ সম্পাদক, এমবেডেড লিরিক্স, উইজেট, ফোল্ডার ব্রাউজিং এর মতো বৈশিষ্ট্য রয়েছে এই অ্যাপটির।
যদি কেউ এমন কোন মিউজিক প্লেয়ার চান যাতে প্রয়োজনের অতিরিক্ত বৈশিষ্ট্য থাকবে না, তাহলে এটি তাদের জন্য অন্যতম সেরা একটি মিউজিক প্লেয়ার অ্যাপস্ হতে পারে।

এতে রয়েছে 32/64 বিট অডিও রেন্ডারিং ইঞ্জিন, যেটি (ডেভেলপারদের মতে) অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের স্বাধীনতা। অ্যাপটি মিউজিক সাউন্ডকে আরও বেটার করতে সাহায্য করে।
এই অ্যাপটির রয়েছে অনেকগুলো বৈশিষ্ট্য যার মধ্যে রয়েছে ইউনিক ফাইল টাইপ সাপোর্ট, বিল্ট-ইন ইকুয়ালাইজার ইত্যাদি। এছাড়াও টাইমার সেট অপশনও রয়েছে Neutron Player অ্যাপে।

নতুন মিউজিক প্লেয়ার অ্যাপ্লিকেশনগুলোর মধ্যে একটি হলো ফনোগ্রাফ। ক্লাসিক এবং ম্যাটেরিয়াল ডিজাইনের UI বৈশিষ্ট্য রয়েছে এই প্লেয়ারটির। আপনি ইচ্ছা করলে এর থিমটি পরিবর্তণ করতে পারবেন।
ট্যাগ এডিটর, প্লেলিস্ট বৈশিষ্ট্য, হোম স্ক্রিন উইজেট এবং কিছু অন্যান্য নেভিগেশন বৈশিষ্ট্যর সাথে আপনি পাবেন “Last.fm” ইন্ট্রিগেশন। যার ফলে ফনোগ্রাফ স্বয়ংক্রিয়ভাবে শিল্পীদের সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য ডাউনলোড করে।

অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের জন্য এই মিউজিক প্লেয়ার অ্যাপটি দীর্ঘদিন ধরে মিউজিক প্লেয়ার অ্যাপ্লিকেশনের পছন্দের তালিকায় রয়েছে। আপনি উইজেট, ট্যাগ এডিটিং এবং আরো কাস্টমাইজেশন সেটিংস পাবেন।
Poweramp এর রয়েছে অনেকগুলো প্লেব্যাক বৈশিষ্ট্য। যার মধ্যে গ্যাপলেস প্লেব্যাক, ক্রসফ্যাডসহ, বিভিন্ন ধরণের প্লেলিস্ট সাপোর্ট করে।

গান শুনতে হলে অবশ্যই আপনাকে একটি মিউজিক প্লেয়ারের সাথে পরিচিত হতে হবে। বেছে নিতে হবে সেই মিউজিক প্লেয়ার অ্যাপটি যার মাধ্যমে আপনি সহজেই মনের মতো সাজিয়ে নিতে পারবেন আপনার পছন্দের প্লে-লিস্ট। এখানে গুগল প্লে স্টোরের সেরা ৭টি মিউজিক প্লেয়ার অ্যাপস্ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। তাই দেরি না করে ডাউনলোড করে নিন আপনার পছন্দের মিউজিক প্লেয়ারটি।

টেকনোলজি নিয়ে প্রচুর আগ্রহীদের মধ্যে আমি একজন। যে কারণে টেকনোলজি বিষয়ক যে কোন আর্টিকেল আমি খুব আগ্রহ নিয়েই পড়ি।

সবগুলো প্লেয়ারই চমৎকার এবং ভালোভাবে কাজ করে। পোস্টটির জন্য লেখককে ধন্যবাদ 🙂