Cart
No products in the cart.

সোশ্যাল মার্কেটিংয়ে যারা নতুন, তাদের অধিকাংশই ইন্টারনেটে বিভিন্ন ধরনের ফেসবুক মার্কেটিং টিপস্ সার্চ করে থাকেন। কারণ ফেসবুকের বিশাল ইউজারবেসকে কাজে লাগিয়ে যে কোন ব্যবসাকেই একধাপ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব। ফেসবুক মার্কেটিং কি আর কেন প্রয়োজন তা যারা জানেন, তারা এই সুযোগটি কখনোই হাতছাড়া করতে চাইবেন না।
ব্যক্তিগতভাবে আমি নিজেও ফেসবুকের প্রতি চরমভাবে আসক্ত। এমন দিন খুব কমই রয়েছে যেদিন আমি একবারও ফেসবুকে লগইন করিনি। আর এমন কিন্তু আমি একা নই। DMR এর দেয়া তথ্য মতে মোট ফেসবুক ব্যবহারকারীদের ৬৫ ভাগই প্রতিদিন লগ-ইন করে থাকেন।
আর এই বিশাল সংখ্যক ইউজারদেরকে কাজে লাগিয়ে কিভাবে ফেসবুক মার্কেটিংয়ে সফলতা পাওয়া যায় তা নিয়ে আজকের পোষ্টে থাকছে কিছু দুর্দান্ত টিপস্।
এক নজরে দেখে নিন যা আছে এই লেখায়-

আপনার মনে প্রশ্ন আসতেই পারে যে, শত শত সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম থাকা স্বত্বেও কেন আজও ফেসবুককে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়। উত্তরটা খুবই সোজা। আপনি যদি অন্যান্য সব সোশ্যাল মিডিয়ার সাথে ফেসবুককে তুলনা করেন, তাহলে দেখবেন, ফেসবুক এদের সবার থেকে বড়।
ইউটিউব এবং ইন্সটাগ্রাম প্রচুর চেষ্টা চালিয়ে গেলেও ফেসবুক এখনো তার শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছে। ৯৩% মার্কেটারের মতে ফেসবুক মার্কেটিংয়ে যে ধরনের ফলাফল পাওয়া যায়, তা অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়াতে পাওয়া অনেক বেশি কষ্টসাধ্য। তাহলে চলুন দেরি না করে জেনে নিই ফেসবুক মার্কেটিংয়ের জন্য কিছু স্মার্ট টিপস্।
পেজ তৈরীর জন্য ফেসবুকের ৬টি ক্যাটাগরী বিদ্যমান রয়েছে-
ফেসবুক পেজের ইউআরএল তৈরীর ক্ষেত্রে অবশ্যই যতটা সম্ভব সংক্ষিপ্ত, সহজবোধ্য এবং বিষয় সম্পৃক্ত ইউআরএল নির্বাচন করতে হয়। আপনার যদি কোন ওয়েবসাইট থেকে থাকে, তাহলে সেটির সাথে মিল রেখেও ইউআরএল তৈরী করাটা ভালো হবে। উদাহরণ স্বরুপ cosecmart.com এর ফেসবুক ইউআরএল হলো: www.facebook.com/hoicoidotcom
একটি পেজে একজন ভিজিটর সর্ব প্রথম যা দেখে তা হলো পেজটির প্রোফাইল এবং কভার ফটো। এই দুইটি জিনিসকে যদি খুব সুন্দর এবং আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন না করা হয়, তবে ভিজিটরের পেজ থেকে চলে যাওয়ার সম্ভবনাই বেশি থাকে। প্রোফাইল পিকচারের ক্ষেত্রে কোম্পানীর লোগো ব্যবহার করাটাই সবচেয়ে ভালো সিদ্ধান্ত হবে। অন্যদিকে কভার ফটোর জন্য ইনফোগ্রাফিক্স, কল-টু-অ্যাকশন বা সিটিএ ইমেজ ব্যবহার করা উচিৎ।
প্রতিটি ফেসবুক পেজেই কল-টু-অ্যাকশন বাটন ও ডান পাশের ট্যাব কাস্টমাইজ করার সুবিধা থাকে। এটির মাধ্যমে আপনার পেজের ভিজিটর আপনার সাথে যোগাযোগ করার সুযোগ পায়। ফেসবুকে ৮ ধরনের সিটিএ বাটন রয়েছে-
উপরের বাটনগুলো থেকে যেটি আপনার পেজের জন্য সবচেয়ে বেশি উপযুক্ত সেটি বেছে নিতে হবে।
একবার আপনার পেজ অপটিমাইজ করা হয়ে গেলে এবার আসে কন্টেন্ট তৈরীর পালা। কন্টেন্ট তৈরীর ব্যাপারে অবশ্যই আপনাকে কৌশলী হতে হবে। আপনার যদি এ ব্যাপারে বুঝতে কোন সমস্যা থাকে, তাহলে ৭০-২০-১০ রুল ফলো করা শুরু করুন-
একজন মার্কেটার হিসেবে আমি জানি যে, একটি ফেসবুক পেজকে প্রতিষ্ঠিত করা কতটা কঠিন। কিন্তু একই সাথে এটাও আমাদের সবার জানা যে, এটা চ্যালেঞ্জিং হলেও অসম্ভব কোন কাজ নয়। তথ্য নির্ভর কন্টেন্ট, সঠিক অডিয়েন্স টার্গেট করা, কন্টেন্ট পোষ্টিংয়ের জন্য সঠিক সময় নির্বাচন করাসহ কিছু ছোট ছোট বিষয়ে একটু কৌশলী হলেই ফেসবুক মার্কেটিংয়ে সফল হওয়া সম্ভব। ফেসবুক মার্কেটিং টিপস্ নিয়ে আমাদের আজকের পোষ্টটি আপনাদের কেমন লাগলো তা অবশ্যই কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না।

আমি একজন টেকনলোজি বিষয়ক ফ্রিল্যান্স আর্টিকেল রাইটার। বিভিন্ন টেকনলোজি বিষয়ে বিশদ রিসার্চ করার পরে অনলাইনে সবার সাথে সে-সব তথ্য শেয়ার করায় আমি আনন্দ অনুভব করি। টেক ট্রেইনির সাথে যুক্ত হতে পেরে আমি আনন্দিত।
