Cart
No products in the cart.

আমাদের দেশে বর্তমানে শহর অঞ্চলে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ সহজলভ্য। আর সেটা মূলত আমরা ব্যবহার করি ওয়াইফাই রাউটারের মাধ্যমে। মোবাইল ফোন এবং ল্যাপটপে বিল্টইনভাবে ওয়াইফাই অ্যাডাপ্টার দেওয়া থাকায় খুব সহজেই আমরা ডিভাইসটিকে রাউটারের সাথে কানেক্ট করে ফেলতে পারি। অর্থাৎ আমাদের বসবাস যদি শহর ব্রডব্যান্ড সংযোগ সহজলভ্য হয় এবং ডিভাইসটি মোবাইল অথবা ল্যাপটপ হয়, তাহলে খুব সহজে কোন ঝামেলা ছাড়াই ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারি।
ঝামেলা হয়, যখন আমরা গ্রামে যাই অথবা কোন প্রত্যান্ত অঞ্চলে বেড়াতে যাই তখন। কিংবা আমাদের ডিভাইসটি যদি ওয়াইফাই অ্যাডাপ্টার নেই এমন কোন ডেস্কটপ কম্পিউটার হয় তখন। এরকম পরিস্থিতে ঐ ডিভাইসে ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য আমাদের সামনে সাধারণত তিনটি পথ খোলা থাকে।
এর মধ্য এক নাম্বার পদ্ধতিটার জন্য ব্রডব্যান্ড সংযোগ থাকা জরুরী। আজকে আমরা সেদিকে যাবো না; নজর দেব দুই এবং তিন নাম্বার পদ্ধতিটার উপর। কারণ ব্রডব্যান্ড কিংবা মোবাইল ইন্টারনেট যে কোনটি ব্যবহার এই দুইটি পদ্ধতির সাহায্যে যে কোন ডিভাইসে ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়া সম্ভব।

মডেম এবং ওয়াইফাই অ্যাডাপ্টার যেহেতু ভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় তাই, দুইটি ভিন্ন ডিভাইস। তবে এই দুইটি ডিভাইসের কাজ এদের ছাড়াই আপনার হাতে থাকা অ্যন্ড্রয়েড স্মার্টফোনটি ব্যবহার করে করা যায়।
একদম সাধারণ অ্যান্ড্রয়েড ফোন এবং একটি ইউএসবি কেবল ব্যবহার করেই যে কোন কম্পিউটারে ইন্টারনেট সংযোগ দিতে পারবেন। এক্ষেত্রে যদি আপনার আশেপাশে ওয়াইফাই সংযোগ থাকে, থাহলে এটি ওয়াইফাই অ্যাডাপ্টারের কাজ করবে। আর না থাকলে ফোনের ডাটা কানেকশন অন করে নিলে এটি মডেম হিসেবে কাজ করবে।
এখন চলুন কীভাবে অ্যান্ড্রয়েড ফোনকে মডেম বা ওয়াইফাই অ্যাডাপ্টার হিসেবে কম্পিউটারে সংযোগ দিবেন সেটা দেখে নিই। তার আগে জেনে রাখতে পারেন যে আপনার স্মার্টফোনে ওয়াইফাই সংযোগ না পেলে কি করবেন। এবার নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন। কোন অংশ ভালো করে বুঝতে নিচে দেওয়া ছবিগুলো খেয়াল করুন।


একদম সহজ তাই, না? আশা করি, অ্যান্ড্রয়েড ফোনকে মডেম বা ওয়াইফাই অ্যাডাপ্টার হিসেবে ব্যবহার করার এই পুরো ব্যাপারটি বুঝতে পেরেছেন। কোথায় যদি বুঝতে সমস্যা থাকে কিংবা আপনার ফোনে কোন অপশন খুঁজে না পান, তাহলে অবশ্যই এখানে আমাদের কমেন্ট করে আপনার মূল্যবান মতামত জানাবেন, যতো দ্রুত সম্ভব উত্তর দেবার চেষ্টা করব।
আর এই বিষয়টি আপনার কাছে কেমন লাগল সেটাও জানাতে ভুলবেন না। মডেম হিসেবে অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহার করার উপায় নিয়ে এ লেখাটি যদি আপনার কাছের ভালো লাগে এবং কাজের মনে হয়, তাহলে অবশ্যই বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন।

মূলত, পাঠক। পড়তেই ভালো লাগে। সেটা কাগজের বই কিংবা স্ক্রিনে ইবুক, যাইহোক না কেন। পাঠ্যবই না হলেই আমি খুশি।
পড়াশোনা করছি পদার্থবিজ্ঞানে।
প্রযুক্তির বিষয়ক লেখা পড়তে সবসময়ই একটু বেশি ভালো লাগে। আর নতুন কিছু জেনে কাউকে সেটা জানাতে পারলে আনন্দটা একশগুণ হয়ে যায়। অবসরে টুকিটাকি লেখার চেষ্টা করার পিছনে সেই লোভটুকু ভালোভাবেই কাজ করে! 🙂

ভাই গাজা খাইছেন মনে হচ্ছে, wifi adaptr এর টা ভুলে গেছেন।
মোবাইল নেট দুর্বল এলাকায় কি ভাবে 4G চালাতে পারি তার একটা সমাধান দিবেন আশা করি। উল্লেখ করা যায় যে আমার ল্যাপটপ বা কম্পিউটার নাই।
ধন্যবাদ, পংকজ। দূর্বল নেটওয়ার্কে ইন্টারনেটের স্পিড বাড়ানোর কার্যকরী উপায় জেনে নিন।