Cart
No products in the cart.

ছোট বড় সব ধরণের ব্যবসার সেন্ট্রাল সলিউশনের ক্ষেত্রে ইআরপি সফটওয়্যার দ্রুত জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। এই ধরণের সফটওয়্যার দিয়ে খুব দ্রুত যে কোন ব্যবসার বিভিন্ন শাখা প্রশাখার ডাটা সংগ্রহ, স্টোর করা এবং ম্যানেজ করা সহজ হয়।
এক নজরে দেখে নিন যা আছে এই লেখায়-
ই-তে এন্টারপ্রাইজ, আর-তে রিসোর্স এবং পি-তে প্ল্যানিং। সুতরাং, ইআরপি (ERP) মানে এন্টারপ্রাইজ রিসোর্স প্ল্যানিং (Enterprise Resoure Planning) যার বাংলা মানে দাঁড়ায় উদ্যোগ রিসোর্স পরিকল্পণা বা ব্যবসার রিসোর্স পরিকল্পণা।
যে টুল বা সফটওয়্যার দ্বারা যে কোন ব্যবসার সব ধরণের রিসোর্স পরিকল্পণা ও ব্যবস্থাপনা করা হয়, তাকে ইআরপি সফটওয়্যার বলে। একটা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় কার্যাবলী সম্পাদনা করা, ডাটা সংরক্ষণ করা, সেগুলোকে ম্যানেজ করা, এক কথায় প্রতিষ্ঠানের পেছনের সমস্ত কাজ-কর্ম ম্যানেজ করার জন্যে যে সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়, সেটাই ইআরপি সিস্টেম সফটওয়্যার।

একটা প্রতিষ্ঠান ম্যানেজ করার জন্যে অ্যাকাউন্টসহ ম্যানেজমেন্ট সেকশনে অনেক লোকের প্রয়োজন হয়। যদি ইআরপি সফট্ওয়্যার থাকে, তবে অল্প লোক দিয়েই অনেক বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করা সম্ভব। ফলে, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সাশ্রয় হয়।
একটা ইআরপি সিস্টেম সফটওয়্যারের মাধ্যমে একটা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্রীয়ভাবে ব্যবস্থাপনা করা যায়। অর্থাৎ, প্রতিষ্ঠানের ক্রয়-বিক্রয় হিসাব, আমদানি-রপ্তানি রিসোর্স, কর্মচারীদের বেতন, উপস্থিতিসহ যাবতীয় সব ডাটা একটা জায়গায় রাখা যায়। আর সেখান থেকে সকলেই ডাটা অ্যাক্সেস করতে পারে। ফলে, কোন ফাইল পত্রের জন্যে বিভিন্ন টেবিলে ঘোরার প্রয়োজন হয় না। জাস্ট সফটওয়্যারে ঢুকে ফাইলটি নিয়ে নেয়া যায়।
একটা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের উন্নতির জন্যে নানা রকম ডাটা অ্যানালাইস করতে হয়। আর এটা ম্যানুয়ালি বা ফিজিক্যালি করাটা অনেক কঠিন। কারণ, এক্ষেত্রে অনেক কর্মচারী-কর্মকর্তার অংশ গ্রহণের প্রয়োজন হয়। ইআরপি সিস্টেম সফটওয়্যার এই অনেকের কাজকেই একা করে দিতে পারে। কাজেই, ইআরপি বা এন্টারপ্রাইজ রিসোর্স প্ল্যানিং সফটওয়্যার ব্যবসার জন্যে অবশ্যই বেটার অ্যানালিটিক্স হিসেবে কাজ করে।
এছাড়াও ইআরপি সফটওয়্যার এর আরো অসংখ্য সুবিধা রয়েছে। বর্তমান যুগে ব্যবসার জন্যে, বিশেষ করে ব্যবসায় প্রোডাক্টিভিটি এবং প্রপিটের জন্যে ইআরপি সিস্টেম সফটওয়্যার অপরিহার্য।

যুক্ত আছি জল-তরঙ্গ, মজার ইশকুল, বিশ্ব-সাহিত্য কেন্দ্রের সঙ্গে, নিজের জীবনে যুক্ত করেছি অনেক অভিজ্ঞতা; এখন যুক্ত হয়েছি হৈচৈ বাংলার সঙ্গে। সবার উৎসাহ পেলে যুক্ত থাকবো দীর্ঘদিন।
