Cart
No products in the cart.

প্রতিদিন মাত্র ১০ থকে ১৫ মিনিট আপনার স্মার্টফোনে অ্যাড দেখে আয় করুন ঘরে বসে বা যে কোনো জায়গা থেকে। আমি এই আর্টিকেলে আপনাদের দুইটি অ্যাপ সম্পর্কে বলবো যার মাধ্যমে আপনি টাকা আয় করতে পারবেন। এই অ্যাপ দুইটিই বাংলাদেশের এবং এখান থেকে আপনি বিকাশ বা রকেটের মাধ্যমে পেমেন্ট পেয়ে থাকবেন।
অ্যাড দেখে আপনি খুব বেশি টাকা আয় করতে না পারলেও যতটুকু আয় করবেন এতে আপনার প্রতি মাসের হাত খরচ হবে। চলুন জেনে নেয়া যাক কিভাবে আয় শুরু করবেন এখন থেকেই।
এক নজরে দেখে নিন যা আছে এই লেখায়-
অ্যাড দেখে আয় করতে হলে আপনার কম্পিউটার থাকার প্রয়োজন নেই। আপনি আপনার স্মার্টফোন দিয়েই এই কাজ করতে পারবেন। এর প্রসেস খুবই সহজ, তবুও আমি আপনাদের বিস্তারিত বলে দিচ্ছি।
Ezze Earn হলো একটি অ্যাপ যার মাধ্যমে আপনি অ্যাড দেখবেন। প্লে স্টোরে গিয়ে Ezze Earn লিখে সার্চ করলেই নিচের ছবির মতো একটি অ্যাপ আপনার সামনে আসবে, অ্যাপটি ইন্সস্ট্রল করুন। সার্চ না করেও আপনি এই ছবিটির নিচের নীল বাটনে ক্লিক করে অ্যাপটি আপনার স্মার্টফোনে ইনস্টল করে নিতে পারেন।

অ্যাপটি ওপেন করার পর নিচের ছবির মতো একটি স্ক্রিন আপনার সামনে আসবে। দেখুন এখানে লিখা আছে ইউজার রেজিস্ট্রেশন। এখানে আপনার ইমেইল আইডি দিতে হবে এবং একটি পাসওয়ার্ড দিয়ে সাইন আপ অপশনে ক্লিক করতে হবে। এখানে কিন্তু আপনার অ্যাকাউন্টের জন্যে পাসওয়ার্ডও দিতে হবে না। সুতরাং অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য একটি স্ট্রং পাসওয়ার্ড দিবেন।

এখন আবার নিচের ছবির মতো করে আপনার সামনে একটি স্ক্রিন আসবে। এখন থেকেই আপনি টাকা আয় করা শুরু করতে পারবেন। দেখুন এখানে দেখাচ্ছে আপনার শূণ্য পয়েন্ট রয়েছে। তারপর নিচে +৫ ও +১ এর দুইটি বাটন আছে। এই বাটনগুলোতে ক্লিক করলেই আপনার সামনে অ্যাড চলে আসবে। +১ এ ক্লিক করে অ্যাড দেখার মাধ্যমে আপনি ১ পয়েন্ট আর্ন করবেন এবং +৫ এ ক্লিক করে অ্যাড দেখার মাধ্যমে আপনি ৫ পয়েন্ট আর্ন করবেন।
আর এভাবে এক হাজার পয়েন্ট আর্ন করার পর আপনি একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা পাবেন। আর এই আর্টিকেলটি পুরোটা না পড়ে কাজ শুরু করতে যাবেন না। না বুঝে কাজ করতে গিয়ে কোন ভুল করলে আপনার অ্যাকাউন্ট ডিজেবল করে দেয়া হবে। আর একটি ডিভাইস থেকে মাত্র একটি অ্যাকাউন্টই আপনি খুলতে পারবেন।

Ezze Earn এ লগইন করে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পর দেখবেন +১ এবং +৫ এর দুইটি বাটন আসবে। এই বাটনগুলোতে ক্লিক করে অ্যাড দেখে পয়েন্ট আর্ন করতে হবে। তবে +৫ দিয়ে পয়েন্ট আর্ন করার সময় পুরো ভিডিও দেখতে হবে, অন্যথায় আপনার কোনো পয়েন্ট যোগ হবে না। +১ এ ক্লিক করলে মাঝে মাঝে দেখাবে “বোনাস নিন”, তখন আপনি ব্যানারে ক্লিক করলে আরো ৫ পয়েন্ট বোনাস পাবেন।
এভাবে আপনি নূন্যতম এক হাজার পয়েন্ট করলে তা টাকাতে কনভার্ট করতে পারবেন। আপনার সকল পয়েন্ট কত কততে ক্লিক করে করেছেন তার উপর বিবেচনা করে আপনি প্রতি এক হাজার পয়েন্টের জন্য ৫০-১০০ টাকা পাবেন। আপনার কাজের ভিত্তিতে টাকা দেয়া হবে, মাঝে মাঝে ৫০ টাকার কমও পেতে পারেন।
+১ এবং +৫ বাটন দিয়ে নির্দিষ্ট পয়েন্ট নেয়ার পরে বাটনগুলো হাইড হয়ে যাবে। তখন সেদিন আর পয়েন্ট নিতে পারবেন না। তাই +১ দিয়ে ২০ পয়েন্ট নিয়ে তারপরে বোনাস নিবেন। আবার ২ ঘন্টা পরে ১৫ টা পয়েন্ট নিয়ে বোনাস নিবেন। এইভাবে পয়েন্ট করতে হবে, এভাবে পয়েন্ট করলে আপনি বেশি টাকা পাবেন।
তারপর আপনার যদি পর্যপ্ত পরিমাণ টাকা অ্যাকাউন্টে থাকে, তাহলে সেই টাকা আপনি আপনার মোবাইলে ফ্লেক্সিলোড করতে পারবেন বা বিকাশে বা রকেটেও নিতে পারবেন। তবে আপনার অ্যাকাউন্ট ডিজেবল হলে অ্যাকাউন্টে থাকা পয়েন্ট ও টাকা রিসেট হয়ে যাবে, তাই না বুঝে কাজ করবেন না।
BD Earn Pro দিয়েও ঠিক একইভাবে আপনি আয় করতে পারবেন। সব প্রসেস একই রকম। এমনকি দুইটি অ্যাপও একই রকম। তাই বুঝতে কোনো সমস্যা হবে না।

এই আর্টিকেলে আমি আপনাদের দুইটি অ্যাপ সম্পর্কে বলেছি যেগুলো দিয়ে স্মার্টফোনে অ্যাড দেখে আয় করতে পারবেন সহজেই। তবে অবশ্যই আপনাকে ঠিকভাবে কাজ করতে হবে। তাহলে এখনই অ্যাপ দুইটি ইন্সস্ট্রল করে আয় করা শুরু করে দিন। খুব বেশি সময় দিতে হবে না প্রতিদিন, তবে কখনো এক সাথে সব পয়েন্ট আর্ন করবেন না। দুই ঘন্টা পর পর কাজ করবেন। তাহলে ভালো পেমেন্ট পাবেন, প্রতিদিন খুব বেশি হলে ১৫০ পয়েন্ট আর্ন করতে পারবেন।
যদি আর্টিকেলটি ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই শেয়ার করে আপনার বন্ধুদেরও জানিয়ে দিন কিভাবে অ্যাড দেখে আয় করতে হয়।

আমার লেখালেখি করতে ভালো লাগে। তাই আর্টিকেল লেখাটাকেই বেছে নিয়েছি। তবে আমি ছবি আঁকতেও ভালোবাসি। অবসর সময়টা এভাবেই কাটাই।
Studies B.Sc in Textile Engineering at STEC - University of Dhaka.

স্মার্টফোনের মাধ্যমে অ্যাড দেখা আর তা থেকে ইনকাম করার অনেক লেখাই এ যাবৎ চোখে পড়েছে। এসব লেখায় যেসব উপায় দেখানো হয়েছে কিংবা যেসব ওয়েবসাইটের অ্যাড দেখার কথা আলোচনা করা হয়েছে, সেগুলোর কোনটিই আমাদের দেশের জন্যে প্রযোজ্য নয়। আসলে এগুলোর বেশিরভাগই ফেক, দেশী হোক আর বিদেশী হোক।